ঐহিক জার্নি

১৯৯০তে যাত্রা শুরু। নিরবচ্ছিন্ন নয়। তবু সেও তো এক যাত্রা। ঝড় ছিল, ব্জ্র-বিদ্যুৎ ছিল। পথ চলতে যেমন হয়। কষ্টও ছিল। কষ্ট না থাকলে বুঝব কি করে কাকে বলে আনন্দ। আর ছিল বৃষ্টি। স্নাত হওয়াও তো এক অভিজ্ঞতা। আর এই সব রঙিন-বেরঙিন পেরিয়ে ঐহিক এই ২০১৪তে পঁচিশে পা। মানুষের জীবনে পঁচিশ এক মাইল স্টোন। তখন সে ভাবে কোন দিকে যাবে? কোন পথে?? একটি পত্রিকার জীবনেও পঁচিশ এক মনুমেন্টাল টাওয়ার। এবার তার রুট ম্যাপ তৈরী হবে। ছোটো বড় কতগুলো বেস ক্যাম্প-এ তাকে পৌঁছতে হবে। কতগুলো? তারপর আরোহণ...কাঁটা-কম্পাস, স্পাইক, আগামী অনেকগুলো দিনের খাবার দাবার, ওষুধপত্র, কত কি...

ভাবছিলাম পঁচিশ এই তরতাজা বয়সটাতে এমন কিছু করতে হবে, করতেই হবে যা হয়ত জীবনটাকে বদলেই দেবে। পঁচিশইতো সেই তারুণ্য যখন ঝুঁকি নেওয়া যায়। অনেকদিন ধরেই নামব নামব করে শেষমেশ নেমেই পড়লাম।

এখন থেকে হার্ড কপির পাশাপাশি ঐহিক অনলাইন। আন্তর্জাল সেই জগৎ যাতে পা রাখল ঐহিক। কত মানুষ! যারা আমাদের চেনেন না। আমরাও যাদের চিনিনা। পৌঁছবো তাদের কাছে। আর যারা ভালবাসেন, যারা গালি দেন তারা তো রইলেনই। এসব নিয়েই তো আমাদের ঐহিক দুনিয়া। সকল কে নিয়েই তো এতদিনের পথচলা। পারব না?

প্রথম ঐহিক অনলাইন প্রকাশ পেল কিছু শক্তিশালী গদ্যকার ও কবিকে সাথে নিয়ে। যারা ঐহিকে লেখেন, এতগুলো বছর ধরে লিখে আসছেন। দ্বিতীয় সংখ্যা থেকে মেধা-চর্চা একটু ভিন্ন পরিসরে। আপাতত কিছু গল্প, কবিতা, গদ্য দিয়ে শুরু হল এই বৈশাখী যাত্রা। সাথে রইল ‘ফিরে দেখা’ - কিছু পুরনো গল্প বা কবিতা যা ২০১১র আগে প্রকাশিত হয়েছিল ঐহিকে। এবং একটি ধারাবাহিক লেখা – সৌজন্য - নীলাদ্রী বাগচী।
অনলাইনের পাঠকরাই আপাতত পরীক্ষক আর ঐহিক বাধ্য পরীক্ষার্থী। শেষ বিচারে পাশ করলাম কিনা জানার অপেক্ষায় রইলাম।

পুনশ্চঃ- একটি কথা না বললে অন্যায় হবে। এই সম্পুর্ণ পরীক্ষাকালীন প্রস্তুতি যে মাস্টার মশায় হাতে ধরে করিয়েছেন তিনি রোহণ কুদ্দুস।

স্পাইকের তলায় মাটি লাগতে শুরু করল...সাথে পাঠক আপনারা,আর আমরা যারা ঐহিকান,মিলে মিশে নতুন কিছু,সাহিত্য,স্বপন হয়ত নতুন কিছু গড়ে ওঠা...একটির প্রচেষ্টার সূচনা...


এই সংখ্যায় লিখলেন