আমির খুসরোর দিনলিপি থেকে

শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায়



à§§

নিজের বাহুদ্বয় এক সম্পূর্ণ কয়েদ
এই উল্টোপাল্ঠŸà¦¾ বাতাসে কিছু
মাংসাশী উপবাস
অ্যালুমিনঠয়াম রঙের অস্পষ্টতাঠনীচে
এই মসৃণ পাথর – যাকে তুমি বলে জানি

২

এভাবে খুঁজোনা রাস্তা এই বারবার নেমে আসা মাথায়, যখন বন্ধ দরজার কম্পন লেগে আছে তোমার দীর্ঘ শিকড়ে – এক স্পন্দনদীঠ্ঘ কাঠ ধাক্কা মারছে সীমানায় – এখানেই ছবি খুঁজতে বেরিয়ে পড়া এই হ্রস্ব ছায়ার দুনিয়ায় – সূর্যাস্তৠর সময় থেকে খুঁটে নেওয়া আলোক ডেলা – আমি স্থির মুক্ত বাহু তুমিই আঙুলের মাঝখানে লেগে থাকা নৈঃশব্দ্যৠর ধারালো কাঁকর

à§©

একেকটা জীবন ভেঙে যেতে দেখি – এই দীর্ঘ উত্তাপের কাঁটা যখন ধাতবতা সমেত ছিঁড়ে ফেলে কাগজ সকাল – কতদূর দেশ থেকে নিয়ে আসা আক্রমক মরুপথ – নদীর দেশ থেকে আসা পাথর সর্বস্ব এই দাগ – দুমাত্রায় বেঁধে রাখা পুরনো রাস্তার ছবি – ভাবি এখানেই নষ্ট হোক পুরনো প্রবণতা – প্রশাখাবিঠীন গাছ আঁকড়ে চলা পতঙ্গ আমাকে রং দিক

৪

সাম্রাজ্য অথবা ধুলো মোড়া এই রাস্তা
ক্রমশ এগিয়ে যাওয়া
দুপুর নামক আগুনের মিনারের দিকে

আমি খুঁজছি সেই ছায়ার কুয়ো
যেখানে আমার সর্বস্ব ডুবেছে

à§«

নতুন জন্মানো হিন্দাভি ভাষার লিপি কী হবে?
কোন রঙে লেখা হবে হজরত নিজামুদ্দি নের কথা?

উন্মুক্ত এক শতরঞ্চি পাথা এই বিকেল
উবড় খাবড় ধুলো ঝড়

আমি কি থাকব ভাবি
কারুর শূন্য জায়গাতেই তো আসা
ভেবেছি কি তার কথা ?

সামনেই রঙিন হচ্ছে নিগার গরি
ছোট ছবি যুদ্ধ বিবরণ
আমি তাতে সদ্য নিহত ঘোড়া

৬

পোড়া গন্ধ
শহরের পত্তন ও পতন কালে
লেগে থাকে ব্যবহৃত ঘোড়ার নাল
শিসা রঙের বিকেলে সন্ধান করা
রুটি ও মাংস

উত্থান বা সমাপ্তি আসলে এক দীর্ঘ ভাষাবদলের খেলা

এক সভ্যতার পুড়ে যাওয়া শব্দ
পল্লবিত বিদ্যুৎ নতুনের ছায়া ব্যকরণে