সে এবং একজন দীপান্বিতার সাথে কথা বলা

আকতার জাভেদ




একজন দীপান্বিতা অন্ধকার হতে বের করে নিয়ে আসেন
পেইন্টিংস; কেউ হাসছে কিংবা কেউ ভাবলেশহীন।

সে ও; বলেছি বিন্যাসে
মাকড়সা হেঁটে গেলে বিমূর্ত কবিতা
ছড়ায় আলো, প্রতিফলনে আর তিনি
মোমবাতি খুঁজে বেড়ান করিডোর জুড়ে।

তিনি তো বেশ জানেন- আমিও
আমরা প্রতিদিন বলি, প্রতিটি সংযোগে
প্রতিটি সম্পর্কের নাম কাঁটাছেড়া অথচ আমি
দ্বিপ্রহরেই পৌছে যাই প্রক্সিমা সেন্টরাই-
তারপর- সে বলে, তুই না বড়ই বিরক্তিকর-

- মৌনতা এখানে রেখে দেই।

হাঁটতে হাঁটতে একটা বুকশেল্ফের সামনে দাঁড়াই
মোনালিসা; কেউ তো তাকায়- কেউ বা না
পাতা উল্টালেই আমি শব্দ শুনি
গান হলেই তিনি তো জানেন-
চমকে যাওয়া কথায় এক পশলা রোদ
শুনতেই থাকি - ইশক সুফিয়ানা।
শুনতে শুনতে বৃষ্টি ঝরে।
বলি আনমনে- শী হ্যাস হার্ট, বিগ অর স্মল
বাট - রোদে রোদে খেলা করে রংধনু,
শুনতেই থাকি- শুনতে শুনতে টুংটাং
দিন তো এভাবেই চলে যায়- শব্দে আর অশব্দে।


তার সাথে কথা বলছি বলেই
আচমকা তুই, যেমনটা ওজোনে
ঘণত্ব, হৃদয়ে মেঘ আসে; আসে’রে
তবুও পিছটান, আমাদের বিকেলে
কেউ দেখি গোধূলি,
দেখি না জলরং-


সন্ধ্যা পেরোলে হারানো শুকতারা
একাকী ফিরে আসে, রাতের ক্যানভাস
মায়াবী হলে, তাকে বলি- তুমি হয়তো
বাধঁ অথবা কিঞ্চিত বৃষ্টিপাতের প্রপঞ্চ

- আচমকা প্রশ্ন, দাঁড়িয়ে থাকিস কেন?
- কবিতা তো নেই; বসন্তে বিলাসে
- শুনছি বিরহের গান

চল, যাই বৃষ্টিতে টইটম্বুর হ্রদের ভেতর ডুবে যাই-


বলেছিলো দীপান্বিতা,
রয়ে গেছে সেই চিঠি; কিছুটা ক্ষণ
পূবাকাশে সরু রেখা,
আমাদের ছাদ; ক্যাকটাসজুড়ে সহস্র বছর,

হেঁটেছি, হাওয়ায় হাওয়ায়,

শুনেছি বহু রাত- পুরোনো ইথারে
বিলাপ; তৃণবনজুড়ে শুধুই পাতা ঝরা শব্দ-


শুক্লপক্ষে সে, তাকে বলি সেই তো,
অনেকদিন, দিন দিন গুনি-
একজন দীপান্বিতার সাথে কথাই হয়না বলা।
সবাই চলে গেলে তিনিও জানেন, সেও কিছুটা
সম্পর্কহীন সুতোয় করে
একদিন আমিও যে,
এক আমান্তের খোঁজে পথে বেরোবো -