অনন্ত একুশে

বিশ্বদীপ দে

সারাদিন রৌদ্র ছিল
এবার রাত এল গাঢ় মমতায়
গা ধুয়ে পরিপাটি গার্হস্থ্য সেরে
সন্তানকে ক্ষীরের পুতুল
পড়ে শোনাচ্ছেন মা।
সময়-কিনারা বেয়ে দেখতে পাচ্ছি
এক ধূ-ধূ প্রান্তর...
ভিজে যাচ্ছে পাউডারের হিম জ্যোৎস্নাগন্ধে
সাদা জ্যোৎস্নার ভিতর অবিরাম গল্পের কালো হরফ
ভেসে উঠছে নক্ষত্রের অসীম বিস্তারে
মা নেই, মাতৃভাষা আজও
বুকের ভিতর সাজিয়ে রেখেছে
মায়ের আদর, অনন্ত স্নেহের আখর।