জানতে ইচ্ছে করে

শুভ্র চট্টোপাধ্যায়



ভূটান পাহাড় থেকে
নেমে এসে এই নদীটা
কেমন এঁকে বেঁকে’
জঙ্গলেতে হারিয়ে গেছে পূব দিকে মোড় নিয়ে-
সেইখানেতে আমি তো রোজ যাই
সঙ্গে থাকে দ্বিতীয় শ্রেণীর ভাই।
বর্মনপুর প্রাইমারি, ওই হাতিপোতার মোড়
দুইজনে সেইখানেই পড়ি, আই এম ক্লাস ফোর।
পড়ার ঘরের জানলা দিয়ে ভূটান পাহাড় দেখে
ভাইটি সেটা খাতায় আঁকে, ও তো আঁকা শেখে।
আমার নেশা নাচে
আমার সঙ্গে তাল মেলাতে নদীর ধারা আছে।
মাদল ছিল আগে
বাগান জুড়ে বাজত সেটা থাকত না পা বাগে।

এখন সেই মাদল নেই
আকাশ ভাঙা বাদল নেই!
অন্ধকার অন্ধকার
পাই না চায়ের গন্ধ আর!

তবুও আমার নদী আছে, ভাই-এর আছে পাহাড়,
স্নেহ ভালোবাসা আছে, পেট ভরানোর আহার।
এইটুকু যার নেই
সে-ও এমন নদীর স্রোতে আনন্দে নাচবেই?


জেনে রাখা ভালো

যদি দ্যাখো চিড়িয়াখানায়
বাঁদর কাগজ ছিঁড়িয়া বানায়
নৌকো, দোয়াত, রকেট, ফানুস
বুঝবে ওটাই আসল মানুষ।
কিংবা ধরো নাগের বাজার
দাম কমে হয় বাঘের হাজার
কিনতে মোটেই হবে না ব্যগ্র
বুঝবে ওসব নকল ব্যাঘ্র।