যে গল্পগুলো আপাত সরলরেখা অনেকাংশে কৌণিক

কৌশিক চক্রবর্তী ও দোলনচাঁপা



একটা গল্পের প্রেম

কুয়াশার পাখি
ছিঁড়ে ফেলছে
রজন শহরের ঘর
না ঘুম ঘুম না
quintessimal ...
যার ঠিকানা জানি না

ছুটিলেখা
কাহিনির আনাচ কানাচ
বাতিদানে মধু ও বাতাস
উজ্জ্বল মিনারে resurrection
ঘোড়ার প্রান্তর উড়ছে

হলুদ ঝকমক সাজানো “প্রসিদ্ধ বাসন বিক্রেতা”

বাতাসিয়া
।। ।। ।। ।। ।। ।।
প্রাচীন পরিখা বেয়ে এসেছ এখানে

এইবার ডানা খুলে গা - - - - ও

আরেকটা প্রেমের গল্প

জল পেতেছ।
যাওয়ায় যেমন ঠোঁটের রঙ lightness of being
যেভাবে অবুঝ বৃক্ষ ...পত্রমর্মর...
কথনের মুখে একটিবার অনু।

অতঃপর ৳৳৳৳৳৳৳৳৳৳৳৳৳৳৳৳৳৳ বেচয়েন
ছিঁড়েছিঁড়েছিঁড়েছিঁড়ে ও দাও Baritone- এর গুপ্ত ইতিহাস
তার গল্পগুলো/ কিস্‌সাগুলো/ কাহিনিগুলো/ রাত্রিজাগরণ তারও পর
শুয়ে থাকে
অসুখের touch
নীল নীলতর বেবি টুকু
আর আর দেখি ....................................
দেখি কাগজ .................................... উড়ছ

যেভাবে তৃপ্তি লিখছে
আলোগলি লেখা
দিনের সোনামনি

একটা গল্প যা সম্ভবত প্রেমের নয়

রহস্য লেখ তবে দীর্ঘতাও লেখ
লাবণ্যে জানলাও ...
মশারি খুলেছে চাঁদ
C-sharp minor Quasi una fantasia Op. 27 No. 2 –র
বৃন্দা
রং বন
শহরের পাখিরালয়ের balaclava তার tenor ও altoর Sax
সেই বেনীআসহকলা কোলেতে মেখেছি ---------
রাতে রাতে রেখাপথ
উড়েছে ফুলদানির ঋতু আলোদের গর্ভসঞ্চার
অনেক রুমানি মেখে ফিনকিরা ক্রমে ঘনত্বের সেই বারান্দায় অমরত্বলোভী

আরও একটা গল্প যা প্রেমের হলেও হতে পারত

ফুটপাথের লোনায় বাতি লেখা সাঁতরাচ্ছে

খোলা রেললাইন। তা বলে কি এখনও ইন্তেজার কল্পনাতীত ?


যদি লিখি ------ য়ে যো চিলমন হ্যায়

হস্তগত করতলরেখা রঙিলা রেশম নিয়ে ভুলে যাওয়া পাঠ্যতালিকা

সেও থাক।

এভাবে বলে না।
ভীতু চাঁদের এই মরাসিম না হয় আজকেও
ফেরানো শেখেনি।

আসা যাওয়ার পথের ধারে...

একটা প্রেম যার কোনো গল্প হবে না

আদলে লাগানো ৩৮ ঋতুর দাহ্যতা / চশমায় খোঁড়া plastic
ঘাসের পংক্তি
` ` ` ` ` ` ` ` ` ` ` ` ` ` ` ` ` ` ` ` ` ` ` ` ` ` ` ` ` ` `
তার নামে যামিনী লিখেছি।
শরীরে মাখা নিয়নের পরীমিনার / পলাতক মহল্লার গান / পোস্টকার্ড sepia sepia ...

তাকে ঘুম নামে ডাকো।

এইখানে ইবাদত
তার ইশ্‌কিয়া ... আর
ΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨ ΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨ
গোলাপগুচ্ছ তার গোলাপগুচ্ছ তার গোলাপগুচ্ছ তার গোলাপগুচ্ছ তার গোলাপগুচ্ছ তার গোলাপগুচ্ছ তার
ΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨ ΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨΨ
মোমরাস্তা/ ইচ্ছেপাথর/ অশ্রুডানা
ডানায় ডানায় তার ঝুলন ...

অবাক শহর যখন শাড়ি স্রোতস্বিনী



***


একটা গল্পের প্রেম

ঝমঝম বৃষ্টিতে অনুপুঙ্খ ভেসে যায় শহর
বৃষ্টির ঝমঝমে অনুপুঙ্খ শহরের ভাষা
নাকি শহরের ভাষায় বৃষ্টির অনুপুঙ্খ। ধাতব শব্দটা নাহয় বাদ।
-কোনটা হবে এর মধ্যে ?
এইসব হতে হতে বৃষ্টির গোড়ালি থেকে মোজা খুলে গেল। ইলেকট্রিসিটি চলে যাওয়া গলির গায়ে ইস্টবেঙ্গল না মোহনবাগান লেখা। নামে নাম। চাঁদে চাঁদ। সাপে সাপ। টিউবওয়েলে টিউকল। চাপাকল।
জলের কুয়াশা ছিঁড়ে উড়ে যাওয়া পাখি কলের মাথায় বসে। গাছে বসে না।
গাছ নেয় না কাউকে। ওরকম সোজাসাপ্টা ভাবে নেয় না। ডাকবাক্স দিতে হয়। তার রঙচটা গায়ে নতুন নীলের ছোপ, সাদার ছোপ।
অথচ আঁকার খাতায় বাকলের ছোপই স্পষ্ট হয়ে ওঠে।
বাতিদানে মধু ও বাতাস— উজ্জ্বল মিনার
এত বছর পরে লোকে বুঝে গেছে মিনারের সঙ্গে শহীদের দূর দূর তক্‌ কোনো সম্পর্ক নেই।
মাঝে মাঝে ফাঁকা বাতিদানে, ঝাড়বাতির ফাঁকা টুংটাঙে, মোমবাতির ফাঁপা আলোয় একেকটা মৃত্যু সহজ হয়ে যায়।
মৃত্যুর নামে একেকটা ডাকবাক্স—উৎসব পেরিয়ে পেরিয়ে পেরিয়ে। একেও পরিবার—অথবা চিঠির জন্য অপেক্ষা—ওকেও পরিবার—মিনারের উপর থেকে দেখতে পাওয়া রজনবিহীন আকাশ—তাকেও পরিবার!
আর কোথাও কোনও ঠিকানা নেই

আরেকটা প্রেমের গল্প
অসুখের touch
এর জন্যই সব। নইলে মায়ের উপস্থিতি কে কবে শুনেছে !
কান্নার শব্দ নেই। ধ্বনি নেই। কেবল কুঁকড়ে বিক্ষত হয়ে যাওয়া মুখ।
বাতাবী লেবুর গাছ। পুজো আসছে। মাইক কোনদিকে তাকিয়ে দেখার সময়ই রঙ পড়ে যাচ্ছে দুর্গার চোখে। চোখের অসুখ দিয়ে তোমাকে দেখছে কে। দেখার রঙ পাল্টানোর মরসুম।
কাশ ফুটে আছে না-থাকায়। অক্সিজেন সিলিণ্ডারে।

একটা গল্প যা সম্ভবত প্রেমের নয়

অনেক রুমানি মেখে ফিনকিরা ক্রমে...
সেলফি তোলা শিখেছে। সি শার্পের ফ্রেম টুকরো টুকরো। টুকরোকে অবোধ্য ভাবা ঠিক না। প্রতিটি টুকরোতে গল্প আছে।
প্রত্যেকটা গল্প একেকটা ফ্রেম। লাইট। ক্যামেরা। থানার সামনে বৃষ্টি। পুলিশের টুপিতে কাকের দাগ। প্লাস্টিকের ঠোঙায় বুড়ির। গন্ধের। যে গলিতে কেউ যায় না।
ভুলে যাওয়া জন্মদিন পেরিয়ে আয়না কুড়োচ্ছে একটা লোক। সে ভালো গান গায়। কি আর গাইবে? প্রতি সপ্তাহে গানের কুমারীত্ব ভাঙে জোড়ে
উৎসবের মাটি জুড়ে পতিতাপল্লী।
সাজসজ্জা ভিজে যাওয়ার ক্ষোভ, খুব করুণ না ?
একেক রাতের অমরত্ব-লোভে ফিনকিরা ক্রমে... অনেক রুমানি মেখে একেক রাতের দিকে।।

আরও একটা গল্প যা প্রেমের হলেও হতে পারত

চিলমন্‌ নাকি মহব্বত—কীভাবে আশিয়ানা চেনা যায়?
হাতে তৈরি কাগজের জার্নাল—পায়েসের গন্ধ ছাপিয়ে উপচে পড়ে জন্মদিনে। তুমি আমার জার্নাল ফেরত দাওনি। সিলসিলা ফেরত দেয়ার তো কথা না।
দুই নামের হাত জোড়া ধুলো। আট বছরের নকশা।
তার নামে যামিনী লিখেছি...তাকে ঘুম নামে ডাকো।
সেপিয়া পোস্টকার্ড এক বিরহা দুপহরে, লাল ঘুঘুর ঝুমকা পড়ে যায়। তোমার পুরনো জানলা—ঘুম থেকে বাতাসিয়া লুপ অবধি, এক বরফিলি মৌসম।
পুরনো প্রচ্ছদে এক্‌ নর্ম্‌ দুপাট্টার সিলি হাওয়া।