সবুজের পদবী

শাশ্বতী সান্যাল ও অনির্বাণ বটব্যাল

সবুজ-বিপ্লব



১.

একাকী দাঁড়িয়ে থাকা; গাছজন্ম বলেছ একেই
গভীরে খনিজ জল; পারাপার নেই

জল থেকে নুন ছাঁকো; নুন থেকে ব্যঞ্জনের স্বাদ
রাতচরা শব্দ; খিদে; মুদ্রণ প্রমাদ

সব মিথ্যে। মিথ্যে সার। ক্ষতমুখে জড়িয়েছে সাপ
কবিতাও ভেক, শ্রান্ত মদ্যপের বমি ও প্রলাপ

শরীর ভোলেনি তবু ক্লোরোফিল, সবুজ আদর
রক্তে নুনে কুঁড়ি ধরা- এই তবে গাছজন্ম তোর...

২.

সবুজ আসলে একটা ছদ্মনাম। একটা পাসওয়ার্ড
যেখানে আঙুল রাখলে খুলে যায় সব প্রজাপতি
পরাগমোচন করে পারিজাত ফুলের দেবতা

মুঠোতে রঙিন চাবি, তবু হাত দীন প্রতিদিন
অভিশপ্ত কাঠুরের মত তুমি খুঁজে গেছ ছায়া
জীবনে ফিরেছ কিন্তু দেখোনি আকর পরমায়ু




দেখনি তরল ক্ষমা। তথাগত মুদ্রা নর্তকীর
গভীরে ডুবেছে মূল, স্মৃতিহীন সংবহনরীতি
ধাতুর শরীর নিংড়ে যা পেয়েছে তা নিছকই জল

সবুজ আসলে কান্না, পাতায় পাতায় লেখা শ্লোক
ঠোঁট রাখলে জ্বলে ওঠে ফসফরাস বর্ণমালা জুড়ে
তুমি কী এখনো মূক? ভাষাপরিচয় কবে হবে?

৩.

বাজ পড়ে ফেটে গেছে চাঁদি। তবু আশপাশ থেকে নরম ক্ষমার মতো কিছু সবুজ মেলে দিয়েছি, তুলে ধরেছি অনন্ত আকাশের দিকে। তারাও একদিন বজ্র ও কুঠার-সহন হয়ে উঠবে। ঠাকুর, ওদের ক্ষমা করো।

আমি আশ্রমিক। বাকলের অতিরিক্ত সত্যিই শরীরে কিছু নেই। লজ্জাবস্ত্র ছিঁড়ে দিলেও তাই ঝড়ের কাছে লুটিয়ে পড়ি। সে আমার ভালবাসা, দুর্বলতা নয়। ঠাকুর ওদের ভালবেসো।

জিভের ভেতরে শিকড় চালিয়েছি। উঠে এসেছে কবেকার ডুবে যাওয়া সপ্তডিঙা মধুকর ভাষা। যেটুকু বিষাদ অনুবাদ করা যায়, তার নাম দিয়েছি কুসুম। আর শ্মশানঅগ্নির মুখে পেতে দিয়েছি শান্ত শীতলপাটি। শেষবারের মতো বিড়বিড় করেছি আজীবনের বেদমন্ত্র... ঠাকুর, ওদের ঘুম দাও, ঘুম।

*********************
১.
সবুজের পদবী নেই বলে বয়সে বাদল এলো না আজও। বর্ষা এল । শুধু এলো নয়, এলোমেলো । কত যে ভীষণ লেগে আছে ... ভাবলেই -আহা সবুজের নরম ভিজে যায়। টুকিটাকি গুছিয়ে বসি প্রতিটি আষাঢ়ে। আষাঢ়ে মানেই গল্পের গুজব মরশুম। কচি কচি সবুজ বেয়াদপি মৌতাত করতে আসে। টিপ্পনী কাটে ... – “ এই ছেলেটা ভেল্‌ভেলেটা আমাদের পাড়ায় যাবি ?...” কি যেন পদবী ছিল ? মনে নেই... শুধু রোমন্থন করি । সুর করে পড়ি আর পড়িমরি হাতড়াই, আঁতিপাতি খুঁজি... যদি পাই আরো একবার তার ঠিকুজি। যদি আরো একবার ডাক শুনি, দুলে ওঠে মুখের দুপাশে ছোট ছোট বিনুনী...। কেন যে বুঝিনি এই কাঁচামিঠে বাহানাসকল। খুব রাগ হয়। বড্ড লাজুক মনের সবুজ। আর সবুজের গা ভর্তি নাস্তানাবুদের গুটি। ফেটে গিয়ে পুষে রাখা মিষ্টি ক্ষত - একান্তটির ভীষণ ব্যক্তিগত। কীইই বা পদবী হতে পারে তার... তখন তো সবুজ মালি ও মালিক দুইই । সমস্ত কিছুই তার। ফুল কুড়োনোর সকাল, আমবাগানের দুপুর আর হুল্লোরের বিকেল। আচ্ছা সবুজ তো মালিক , তবে ওই লাল ফ্রক কি মালকিন হবে ? না... না... ধুর পদবীতে কি আসে যায় ?। যদি বলি সবুজ রায়। তা হলেও সে সবুজের রায় মানতে অনেক কথা মনে পড়ে যায় ... তখন সবুজকে দুষ্টুমি দিয়ে গুন করলে গুনফলে একটা আস্ত মাঠ । তার কোনে কোনে তিড়িং বিড়িং এর চিয়ার লিডার । নন-স্টপ ড্রিল করে যাচ্ছে। ফুটবল... বুড়ীবাসন্তী... দাড়িয়াবান্দা ... একটা মাঠে কত যে ভাগাভাগি কিন্তু ঝগড়া নেই। বরং চুপিচুপি ভাগশেষ কুড়িয়ে রেখেছি কতবার ... ঝগড়ার পরেও একসাথে কাঁচা আম খাব নুন দিয়ে ... “ আয় আয় খাবি এই দ্যাখ ......” নেচে ওঠে আয়ত চোখ ... আমার বিনুনী রঙের মেয়ে । পা দোলতে দোলাতে ভাব হয়ে যায় ...
- তুই কোন স্কুলে পড়িস রে
আমি ডগমগ মেখে পালক গোছাই ... তখন আমার বুকে এক আকাশ নীল । আমি ? রঙ্গীন পালক খুলে দ্যাখাব এবার ... বলি -
- এবাবা জানিস না ? আমি চন্দননগরে পড়ি তো ... কনভেন্ট স্কুল ...”
- মিথ্যে কথা বলিস না রে ... আমি দেখেছি তুই লাল প্যান্ট পরে ইস্কুলে যাস ... ওই বাজে স্কুলটার ড্রেস ওটা। সবাই ফেল করে যেখানে ... হুঁ হুঁ ... আমি সব জানি ... মিথ্যুক কোথাকার ...
- ‘ মানে ? জানিস আমি কোথায় ...” যাঃ চলে গেল ! ইসসস কী মেয়েরে বাবা, না জেনেশুনে ... আমার এক আকাশ নীলে সেই প্রথম হলুদ মিশিয়ে দিল। রাগ না কষ্ট - সেটাই বুঝতে পারিনি । শুধু কিছু একটা সেইই প্রথম সেই হলদে হয়ে আসা অসহ্যের আলাপ পর্ব ...আর আমার নীল সেই হলুদে মিশে একটু একটু করে সবুজ হতে থাকে ... আর সবুজের সাথে কি যেন একটা নাছোর... এখনো ... আমার সবুজ হওয়ার গোপন কথা... আমার সবুজ বিপ্লবের হাতেখড়ি ...
২.
সেদিন হাতাহাতির পর ফিরে গিয়েছিল ও। পিঠে একটা নিশ্চই লাল দাগ হয়ে গেছিল... তবু মুখে কিছুই বলেনি । শুধু হঠাৎ মুখ ফিরিয়ে এক ঝলক নজরে কিছু অস্ফুট নজরানা। তারপর এক ছুটে বেরিয়ে গেল ঘর থেকে। আমিও পিছনে পিছনে নিচে নেমে এসেছিলাম ... তার আগেই অন্ধকারে মিলিয়ে গেল হলুদ সালোয়ার। তাইতো ! এখন তো আর ফ্রক নেই যে হাত বুলিয়ে দিয়ে সরি বলে দেব। অথচ হাত চালিয়ে দিইয়েছি সহজেই ... সন্ধ্যের অন্ধকারে সবুজও আস্তে আস্তে কালো হয়ে আসে ... কি করব এখন ? ... কি করা উচিত ...
ফিল করলাম - সংবহনে কিছু তজস্ক্রিয় কনা।
ফিল করলাম – সূর্যের উঁকিঝুঁকি সবুজের গভীরে ।
ফিল করলাম- ভীষণ উত্তেজিত ... সক্রিয় সবুজ কণার ... রসদের তত্ত্ব তালাশ
ফিল করলাম ভিতরে ভিতরে ভেঙে যাচ্ছে সবুজ... হাজার হাজার... লাখো লাখো সবুজ কণা
ফিল করলাম কণায় কণায় শিরা উপশিরায় সবুজ সংক্রমণ ... ফিল করলাম ক্লোরোফিল বিদ্রোহ সবুজের

এভাবেই সবুজ ঘন হয়ে এলে শিকড়ের গভীরতা বাড়ে। আকরিক আঁকড়ে লবণ উঠে আসে পাতায় পাতায় । ডালে আবডালে রঙের শুরুয়াদ । সবুজের ছায়াপথ থেকে সাইকেল উড়ে যায় ইস্কুলের আঁচল জড়িয়ে । পাশাপাশি সাইকেলেও অনেক দূরত্ব জমে ওঠে। মনে মনে ঈশ্বর ডাকি - যা সাইকেল খারাপ হয়ে যা ... সবুজ তো মসিহা... ডব্‌ল্‌ বাইকে নিয়ে যাবে খুনসুটিদের কাছে । শাড়ীর সাথে কিছু চুল উড়ে এসে গন্ধ মাখিয়ে দিক। মুখিয়ে থাকি, এই যে সবুজের খোরাকি সারাদিন লুকোচুরি আলো... কতবার... কতবার যে পশমের পেলব দ্যাখালো...। দিনের শেষে গঙ্গার পাড়ে কতবার যৌথ ঝাঁপের কল্পনায় খিলখিল মিশিয়ে দিয়েছে সবুজ। দুজনের ঝাঁপে নাকি উঠে আসবে তিনজন... কচি কলাপাতা তার রং... আর সঙ্গে সঙ্গে হা হা হা করে গলা মিলিয়েছে ঘাটের যাবতীয় সবুজ... সে দাপটে ওড়না ঠিক রাখা দায় । কতবার নিশপিশ নেমে এসেছে সন্তর্পণে কিন্তু আঙুলে আঙুলে একশো চুয়াল্লিশ ধারা । অথচ হাত ছড়িয়ে খোলা ছাদে ভাসিয়ে দিচ্ছো গান ... একটা দোলনাও ছিল ... পূর্ণিমাও ছিল ... আর একটা ফুল গাছ... কিন্তু সবুজ ? সবুজও ছিল কিন্তু নিজস্ব সবুজটুকু ছেড়ে তুলে আনতে পারেনি রঙ্গীন রেণু মঞ্জরী...পরাগ প্রস্তাব । শুধু ভীষন বন্ধু... প্রিয় বন্ধু... কাছের বন্ধু ... নিকট বন্ধু... ঘনিষ্ট বন্ধু... একান্তের বন্ধু আর কি ... আর কি...নিজেকে খুঁজে যাচ্ছিলো সবুজ ... এমন বন্ধু আর কে আছে মিস্টার ? সবুজ শুধু জানে সে সারা জীবন পাশে থাকতে চায়... যে কোন সমস্যায়... প্রয়োজনে... অপ্রয়োজনেও ... ও... লো সবুজকে একটা পদবী দাও প্লিজ । কি হবে ... কি মানাবে তাকে ... তবে কি সবুজ মিত্র ? শুধুই মিত্র ?
সেদিনো তো পারিনি মিলিয়ে যাওয়া হলুদ সালোয়রের কাছে ... সেই যে মিলিয়ে গেল সবুজের ক্ষত দাগ নিয়ে... আআর বেচারি সবুজ... আমির হতে গিয়ে আমি-র ফকিরি অবস্থা তখন.... একঘর জমাট অন্ধকার। ভিতর থেকে চুঁইয়ে নেমে আসছে – “একি লাবণ্যে পূর্ণ প্রাণ প্রাণেশ হে ...” তখন রাত দশটা হবে । দাঁড়ালাম নিঃশব্দের অন্ধকার দরজায়... বুকে ও গলার কাছে সংকোচের দ্বন্দযুদ্ধ... ভিতরে আসব কি ? তার আগেই থেমে গেল প্রাণেশর প্রাণে এস হে ...
- আমি জানতাম তুই আসবি। বল কি বলবি ...
- না মানে ... ওভাবে চাইনি ... জানি লেগেছে খুব নারে ...
- আর কিছু বলবি ?
কি বলব ... কি বলব আর ... সবুজের এই মুহুর্মুহু ভাঙন সবুজ নিজেই জানে না তাকে কি রং দেবে। যতটা গুছিয়ে নিচ্ছে নিজেকে আর অপরদিকের মৌনতায় ততটাই ছড়িয়ে পড়ছে সবুজের গুঁড়ো... মাটিতে মিশে যাচ্ছে সবুজ... এস, বিছিয়ে দিচ্ছি নিজেকে এস ... দেহিপদপল্লবমুদারম্‌... আমার উপরে পা রাখো ... কিন্তু এসবই অন্ধকারের আড়ালে । আবডালের নিঃশব্দ কথোপকথন সবুজের বুকে ঝড় বয়ে যাচ্ছে ... পরস্পরের মুখ দেখছি না কেউ... মৌনতাকে শুনে যাচ্ছি যৌথ প্রশ্রয়ে... অন্ধকার আমাদের রক্ষা কবচ... অন্ধকার আমাদের যৌথ ঈশ্বর ... সবুজকে মিত্রই মেনে নিলাম যেন পরস্পর... হ্যাঁ, সবুজ মিত্র। এর বেশি আর কিছু না ...
৩.
হলুদ বাড়তে বাড়তে সবুজ প্রকৃতই হালকা হতে থাকে। ভারী হয়ে ওঠে নিঃশ্বাস সমূহ। যাবতীয় বাষ্প মোচন তখন পর্দানসীন। বিষন্নতাকে পরিয়ে দেওয়া হয়েছে রঙ্গীন আলো ... খুশি খুশি অন্দরমহলে । আর তুমি হাত বাড়িয়ে দিলে। নিজেই। আমার কোল জুড়ে তোমার দুটি হাত। সমস্ত সবুজের নির্যাসে আজ অলঙ্কার চাই তোমার ... “ আমায় মেহেন্দি পড়িয়ে দিবি না ?” দেব তো ... নিশ্চই দেব... শুরু হয় হাতের মুঠোয় নকশা আঁকার কৌশল । গলে গলে পড়তে থাকে সবুজ আর হেসে উঠতে থাকে কলকার ফুল ... লতাপাতা... এঁকেবেঁকে জড়িয়ে ধরছে হাতের কবজি বন্ধনী। সেখানে ইতি মধ্যেই রংমহলের নহবত। ঝন্‌ঝন... সুরলহরীতে বাজছে নোয়া , শাঁখা ,পলা আরো কি কি সব ... আহা বর্ণচোরা শৈশব , এতদিনে অবাধ স্বীকৃতি পেলে ? মুঠোতে প্রিয় হাত নিয়ে নিজেকে নিংড়ে দিচ্ছে সবুজ ... কত চোখ উঁকিঝুঁকি... আজ কোন কার্ফু নেই, সুগন্ধি ছড়িয়ে চারিদিকে সাজিয়ে রাখা আপ্যায়ন সম্ভার ... এ... এ... হচ্ছে ছোট বেলার বন্ধু , খুব ভালো আঁকে...
শুধু আঁকে নয়, মেহেন্দীর আঁকেবাঁকে তারল্য কমে আসে । সবুজ শুকিয়ে গেলে বাকলের মত খসে যাবে সময়। নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে নিশ্চিত রাস্তাঘাট ... সবুজের মাঠ... নদীর দুধার ... মনে হয় ...
সব মিথ্যে। মিথ্যে সার। ক্ষতমুখে জড়িয়েছে সাপ
কবিতাও ভেক, শ্রান্ত মদ্যপের বমি ও প্রলাপ ...
বিদ্রূপে নাচো হে ফ্রক এখন তো রমণী তুমি লজ্জাবতী বধুর সাজে... ওহে সবুজ... কোথায় তুমি... তোমারই তো কাব্যি করা সাজে এ সময়ে ...
বাসরের আসরে উল্লাসিত মধ্যযাম ...
ঘুরিয়া ফিরিয়া বাল্যবন্ধুর নাম... আহা নাচো ... নাচো ...
উফফফ ... বিরক্তিকর... ছিঁড়ে যাচ্ছে সবুজ ... পুড়ে যাচ্ছে সবুজের গা সকালের নরম রোদে ... সশ্রম কারাদন্ড তার অবৈধর কাছে। এখনো নিঃস্ব সকালের গায়ে শুধু হলুদ লেগে আছে । কোথাও সবুজ নেই... আর নেই পদবির দাবী... কিংবা কাঁচা আমের ডাক – “আয় খাবি ?”... ওই খাবিটুকুই সবুজের অন্তিম আহার... বাকি সবুজটুকু হলুদ হয়ে গেলে কিইই বা থাকে আর? আর কীইইই বা পদবী মানায় ? পদবীর হাবুডুবু খাটে এভাবেই চরিত্র নাম পাল্টায় ...
একা সবুজ গুটিপোকা হয়ে যায় নিজস্ব ডালে। শিকড়ের খাঁজে খন্দরে কিছু ঘুমন্ত অর্বুদ ...কিছু সবুজের নিটোল... কিছু নিভৃত সামগ্রী - অবসরে মহড়া শেখায়। কী ভাবে ঘনিষ্ঠকে মহল চেনাতে হয় নিজের... কি ভাবে সবুজের শুধু অভিযান নয় অভিসারও থাকে... বিদ্রোহ নয় বিগ্রহও থাকে ... শুধু কাব্য নয় নাব্যতাও থাকে । গভীর থেকে উঠে এলে খনিজ প্রাণ... পাতায়, পত্ররন্ধ্রে জায়মান পৃথিবীর স্নায়ু । তবু সবুজকে দিলে না কিছুই, নিজেই বদলে নিলে নিজস্ব পদবীর আয়ু। সবুজতো সবুজেই স্থির ও স্থবির, ওকে গাছ নামে ডাকো... ভালোবাসো খুব ... খুব বেশী হলে সখের আদরলতা। কোন কান্না নেই ভেবে ছায়া জুড়ে মেখে নিলে বাষ্পমোচনের শীতলতা ... তবুও দ্যাখো - সবুজের কোনো রাগ নেই কিঞ্চিত অনুরাগ আছে ... অভিযোগ নেই অভিমান টইটুম্বুর আছে... হয়ত আশ্বাস নেই পুরোনো নিঃশ্বাস আছে... নিঃশ্বাসে-প্রশ্বাসে নিজস্ব বিশ্বাস আছে ।... হ্যাঁ সবুজ বিশ্বাস।
নিশ্চিত পদবী তার ... আসলে সবুজ, চিরকালই বিশ্বাস ... সবুজ, বিশ্বাস ছাড়া আর কিছু হতেই পারে না ... আর বিশ্বাসেই তো ...