স্মৃতি একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র

অর্জুন বন্দ্যোপাধ্যায় ও নীলাব্জ চক্রবর্তী

এই লেখাটার সবটা আমাদের দু’জনের। সম্পূর্ণ পাঠবস্তু একটাই অখণ্ড টেক্সট। কাজটা শেষ হওয়ার পর কবিতার অংশে কতটুকু কার গদ্যের অংশে কতটুকু কার আমরা নিজেরাই এখন আর জানিনা। ক্রমাগত ইটারেশন আর ওভারল্যাপ। এই তো প্রক্রিয়া ছিল আমাদের। এর বেশী আর কিই বা বলবো... বাকিটা যা বলার লেখাটা নিজেই বলুক এবার...



স্মৃতি একটি সার্বভৌম রাষ্ট্র

[N.B. তুমি এই ফাইলের মধ্যেই লিখো না। এখান থেকে কপি ক’রে নিজের মেশিনে নতুন ওয়ার্ড ফাইল খুলে তাতে কাজ ক’রে সেই ফাইলটা আমায় পাঠিও। আমিও একইভাবে তোমার ফাইল থেকে কপি ক’রে নিজের মেশিনে নতুন ওয়ার্ড ফাইল খুলে তাতে কাজ করব। অর্থাৎ প্রতিটি ১টি ফাইলে একবারই কাজ হবে। একজনই তাতে কাজ করবে। তোমার মাইক্রোসফট অফিসের ভার্সানের সাথে আমার মেশিনের অফিস-ভার্সান মিলছে না। ফলে, তোমার ফাইলের মধ্যে আমি কাজ ক’রে প্রথমে বোকা হয়ে গেছি। সব শব্দ/পাংকচুয়েশন scattered হয়ে যাচ্ছে। নতুন ক’রে আবার টাইপ করতে হল আলাদা ফাইল খুলে। যেভাবে বললাম সেভাবে করলে ফাইল কোরাপ্ট করবে না।]

আচ্ছা, আপনি কি লক্ষ করেছেন, কানের ভেতর কটন বাড নিয়ে খুব আস্তে ঘোরালে ভয়াবহ আগুন জ্বলার শব্দ শোনা যায়?

ক্রমে লেখাটির কাছে এসে

জানি না, শব্দ ব্রহ্ম কিনা জানি না। কিন্তু, শব্দ, নির্লজ্জ। প্রার্থনা, ঠাকুর, যেন শব্দের মতোই নির্লজ্জ হই গো যেন হই। ‘ক্রমে’ শব্দটি শুনিলে, যাবৎদিন আমার কমলকুমার মজুমদারবাবু স্মরণে আসিবেক তাবৎদিন এই শব্দটির উপর একটি হাই-টেনশন তার টাঙাইয়া দিলাম। অদ্য হইতে ক্রমে শব্দটির উপর তারে বসিয়া প্রাচীন ঝুলন্ত উদ্যানের স্মৃতিচারণ নিষিদ্ধ হইল। (এইখানে উল্লেখ থাকে, কমলবাবু যে আমাদিগের সহিত ডাহা মিথ্যাচার করিয়াছেন তাহা আমরা বুঝিতে পারিয়াছি। আলো ক্রমে আসিতেছে, লেখা ছিল বটে। অথচ, আলো কিন্তু ক্রমে আসে নাই।)

আলো ফিরিয়ে দিচ্ছে যৌনগাছ
যখন প্রতিটা দিনের সাথে
লেগে যাচ্ছে
আরেকটা চ্যাপ্টা দিন
অথচ রাত মানে
যেভাবে দীর্ঘ হয় বরফের রুটি ফুলে ওঠা
ফারের কলার জুড়ে ঝরে যায় খুব ঋতুলোভ
এবং প্রতিটি মৃত খরগোশের আত্মা
এইভাবে
ভাষা তো আসলে একটা আয়না
যেভাবে আয়না আসলে অনেকগুলো ভাষা
দাগের পর দাগ পড়বে
আর এই বাক্যটার পরে
খুব লিখতে ইচ্ছে করবে সার্ফ এক্সেলের কথা
এবং লিখবও
ভেবে দ্যাখো দেওয়াল ঠেলে যা বেরিয়ে আসবে
তাকেই স্মৃতি বলে ডাকবে কেন
শর্ত দাও
‘উই প্রোপোজ টু হ্যাভ দ্য ফিউনার‌্যাল টুমরো মর্নিং। দ্যাট উইল এনাবল্‌ ইউ টু স্পেন্ড দ্য নাইট বিসাইড ইওর মাদার্স কফিন, অ্যাজ নো ডাউট ইউ উড উইশ টু ডু।’ *

‘দ্য সেনসেশন অফ সামওয়ান পোস্টেড অ্যাট মাই ব্যাক মেড মি আনকমফোর্টেবল। দ্য সান ওয়াজ গেটিং লো অ্যান্ড দ্য হোল রুম ওয়াজ ফ্লাডেড উইথ আ প্লেজেন্ট, মেলো লাইট। টু হর্নেটস্‌ওয়্যার বাজ়িং ওভারহেড এগেইন্সট দ্য স্কাইলাইট। আই ওয়াজ সো স্লিপি আই কুড হার্ডলি কীপ মাই আইজ ওপেন।’ *

বরং এখানে স্লো মোশান
বরং এখানে আস্তিন বদল হবে
জাহাজ যখন ডুববে, ইঁদুর খবর পাবে সবার আগে। আর পাবে স্যাপ্রোফাইট ছত্রাক। যারা মৃত জৈবের থেকে বাঁচার উপকরণ পাবে। মৃত্যুর আগে প্রাণিদেহ থেকে নিঃসৃত ফেরোমোন টের পেয়ে তারা একে একে জড়ো হবে, মৃতপ্রায় প্রাণিটির পাশে, বসে থাকবে। অপেক্ষায়।

আমরা জানি, না জানলেও জেনে নিচ্ছি, একটা ঋ-ফলা (ফোল্ডিং চাকু বা লাঙলের ফলা), একটা রেফ বা/ও হসন্ত (কৃপাণ বা ভোজালি), একটা আ-কার (লাঠি), একটা এ-কার (কাস্তে), একটা ও-কার (কাস্তে-হাতুড়ি) একটা ঊ-কার (খড়্গ) এক-একটা অস্ত্র হতে পারে। একটা র-এর বা/ও ড়-এর বা/ও ঢ়-এর কিম্বা অনুস্বার বা/ও বিসর্গ বা/ও চন্দ্রবিন্দুর ফুটকি হতে পারে কাশ্মীরি যুবকের করতলস্থ পাথর। একটা ৎ-ও হতে পারেন বাসুকী। একটা ৈ-কার বা ৌ-কারের উড়ন্ত সর্বনাশ হতে পারে নিশান। তাহলে এ অবস্থায় আমার কী করণীয়? একটা মানুষকে যদি একটা ঘরে বন্ধ রাখা হয়, এবং সেখানে কোনও দরজা না থাকে বেরুবার, তাকে যদি দু’বেলা খেতে দেয়া হয় এবং ওই ঘরে যদি তার আত্মহত্যা করার কোনও উপায় ও উপাদান না থাকে, সে কী করবে? আমার ধারণা, সে লিখবে। দেয়ালে নখের আঁচড় দিয়ে হলেও, লিখবে। সে লেখায় উপরে বর্ণিত অস্ত্রগুলো থাকবে না এমত নিশ্চয়তা বাঙলা ভাষা আপনাকে দিচ্ছে না।


আপনার ঘুম বেশ গাঢ় হবে
(এই লাইনটা নিয়ে একটা র‌্যাপ সঙ্গীত হতে পারে)

কাঠবাদাম
এতে প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম থাকে। যা শরীরের পেশিগুলোকে রিল্যাক্স করে। আর থাকে প্রোটীন। যা ঘুমের মধ্যে শরীরের গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

লেটুস পাতার রস
এর মধ্যে থাকা ল্যাক্টুক্যারিয়াম যৌগটি আমাদের শরীরের অতিরিক্ত স্ট্রেস কমিয়ে শরীর জুড়ে আনে ঘুমের অনুভূতি।

উষ্ণ দুধ
দুধের অ্যামাইনো অ্যাসিড ট্রিপ্টোফ্যান ভেঙে গিয়ে সেরাটোনিনে পরিণত হয়। সেরাটোনিন আমাদের মস্তিষ্কের একটা নিউরোট্রান্সমিটার। যা মনকে শান্ত রাখে।

ওয়ালনাট, চিজ আর চেরি
এগুলো খেলে শরীরে মেলাটোনিন হরমোনের পরিমাণ বাড়ে। যা ঘুম নিয়ন্ত্রণ করে।

কলা
প্রচুর ম্যাগনেসিয়াম আর পটাশিয়াম থাকে। যা শরীরের পেশিগুলোকে রিল্যাক্স করে (আগেই বলা হয়েছে)।

মধু
মধুর শর্করা শরীরের ইনসুলিনের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। ইনসুলিন ট্রিপ্টোফ্যান হরমোনের কার্যকারিতা বাড়ায়। ট্রিপ্টোফ্যান ভেঙে গিয়ে সেরাটোনিনে পরিণত হয়। যা মনকে শান্ত রাখে। (ইহাও আগে বলা হইয়াছে)।

এতক্ষণে আপনি নিশ্চয়ই ঘুমিয়ে পড়েছেন।
শুভরাত্রি।


ওহ্‌স্বপ্ন ওহ্‌দৃশ্য



ছবিতে, বাইরে হুড়ুদ্দাম শিল পড়ছে। ঝুমিয়ে বৃষ্টি। বেশ, বেশ রাত। জানলা খোলা, দরজার নীচে চৌকাঠের ফাঁক দিয়ে ঘরের ভেতর ঢুকছে শিল, বৃষ্টির ছাট, যথা, 3, 3; 0, 4; 4, 0; 1, 1; 2, 2; অর্ধ-উলঙ্গ এক লোক শুয়ে আছে, মেঝেতে (1), শুধু জামাটুকু পরা। প্যান্ট নেই। আলো জ্বলছে না। একটা মেয়ে, পূর্ণত গোল ও মসৃণ ফর্সা পাছা বের ক’রে উলটো দিকে ফিরে শুয়ে (C), আর একটা হরিণ, বৃষ্টিতে গায়ের লোম ভিজে শালিকের মতো, অন্ধকারে, মেয়েটার পাশে, এদিকে—মানে, আমাদের দিকে মুখ ক’রে (D); দাঁড়িয়ে। শার্সিতে শিল এসে লাগছে ক্রমাগত, তাতে নাগাড়ে এমন খড়্‌ড়্‌ড়্‌ড়্‌ড়্‌আওয়া জ হচ্ছে, মনে হচ্ছে মেশিন চলছে কোনও। একটা টেবিল ক্লকের (O) অ্যালার্ম বাজছে ঘরে, কোথাও। তখুনি একটা শেয়ালের বাচ্চা অন্ধকারে এ-ঘর থেকে দৌড়ে ও-ঘরে চলে যায় (2)। foggy bar দেখুন।
স্মৃতির ভেতর খাঁজে খাঁজে, বেদানার দানার মতো পাশে পাশে মুখোমুখি পিঠোপিঠি যেভাবে ঘটনা দৃশ্য এগুলো ঠাসা থাকে, যাকে একলপ্তে স্মৃতি বলি, আমাদের মনে হয়, এগুলোর অবস্থান আর সংযোগগুলোকে যদি একটা ম্যাপের মতো এঁকে ফেলা যায় তাহলে একটা শহরের ম্যাপ উঠে আসবে। সে শহর আধুনিক না প্রাচীন, নব্য কম্যিউন না বিলুপ্ত জানি না। ফলে The message is ready to be sent with the following file or link attachments:



AB-NC Joint 29-08-16


Note: To protect against computer viruses, e-mail programs may prevent
sending or receiving certain types of file attachments. Check your e-mail
security settings to determine how attachments are handled.


--
This message has been scanned for viruses and dangerous content by DCPL Mail Scanner (smtp5p) and is believed to be clean.

এইভাবে জ্যান্ত একটা শহরের মতোই আমাদের মাথার ভেতরেও যে শহরটার কথা বলছি সেখানেও প্রতিদিন ঘর উঠছে, রাস্তা তৈরি হচ্ছে, লোক হাঁটছে... উচ্ছেদ? উচ্ছেদও হচ্ছে? স্মৃতির ভেতরেও আছে স্মৃতিরক্ষা কমিটি, স্মৃতি অধিগ্রহণ বিরোধী সংগ্রাম, স্মৃতি উচ্ছেদ বিরোধী কমিটি? একটা আইল্যান্ড থেকে আরেকটা আইল্যান্ড, একটা পয়েন্ট থেকে আরও একটা পয়েন্ট, সেখান থেকে আরও চারটে পয়েন্ট খুলেছে, আরও ছ’টা রাস্তা বেরিয়ে গেছে সেখান দিয়ে। অনেকগুলো দেশলাই বাক্স পাশাপাশি রেখে দিলে যেমন একটা স্কোয়্যার স্কোয়্যার সরণি তৈরি হবে। ...স্মৃতির ভেতরে যে রাস্তাটা দিয়ে রোজ হেঁটে হেঁটে আমরা আমাদের কাছে এসে পৌঁছই, তার উলটো দিক থেকে হঠাৎ একদিন হেঁটে এলে চিনতে পারব আমাকে? বিশাল মাপের একটা বিজ্ঞাপনী হোর্ডিং বড়োরাস্তার ঠিক পাশে অনেকটা আকাশ আর অনেকটা সন্ধ্যা আটকে ফিক্সড হয়ে আছে... টুথব্রাশ বা পেস্ট বা মাউথওয়াশ – কিছু একটার বিজ্ঞাপন... একটা মেয়ের শুধু হাসিমুখের অংশটুকুর ছবি... গালের একটু, ঠোঁট, দাঁত, জিভের একটু... খুব সুন্দরী বোধহয় মেয়েটা... তাকিয়ে থাকতে থাকতে তখন রাস্তায় টানা অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা যায়... শরীরে আরাম লাগে... বড়ো হয় শরীর... ধীরে ধীরে মনে হতে থাকে গ’লে যাচ্ছি ওই ঠোঁটের ভেতর... জিভের ভেতর... চোখ বুজে আসে গরম ভালোলাগায়... ওহ... কিছু পরে ঝকঝকে ধারালো দাঁতগুলো চোখে পড়ে... বড্ড ধারালো মনে হয় দাঁতগুলো শক্ত শক্ত আলোর ভেতর... সাদারঙের ভয় লাগে কেমন... প্রচণ্ড জোরে কামড় খাওয়ার ভয় লাগে... খসে যাওয়ার ভয়... শীতলতা আসে... ভয়... ফিয়ার অফ ক্যাস্ট্রেশন... ভয় চেপে ধরে... অথচ চোখ সরানো যায় না ওই হোর্ডিংটা থেকে... এক পা এক পা ক’রে পিছতে পিছতে একসময় টেনে দৌড়... দৌড়তে দৌড়তে দেখি পাড়ায়, মোড়ের মাথায় একটা কুয়ো। সোনালি রঙ করা গ্রিল দিয়ে ঘিরে রেখেছে। পাড়ার মাথায় এর’ম একটা কুয়ো! কে খুঁড়েছিল। কবে। কেনই বা। এরকম জায়গায় কেন। কে জানে। কাকে জিগ্যেস করলে এই কুয়োটার ইতিহাস জানা যাবে, এরকম বয়স্ক কোনও মানুষের মুখ ভাবি। যাদের মুখ মনে আসে, তারা এখন আর কেউই বেঁচে আছে বলে মনে হয় না। তাহলে কার কাছে জানা যাবে এই কুয়োটার ইতিহাস। সোনালি গ্রিল টপকে কুয়োর জলে উঁকি দিয়ে দেখি একটা মেয়ের শুধু হাসিমুখের অংশটুকুর ছবি... গালের একটু, ঠোঁট, দাঁত, জিভের একটু... খুব সুন্দরী বোধহয় মেয়েটা... তাকিয়ে থাকতে থাকতে তখন কুয়োর ধারে টানা অনেকক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা যায়... শরীরে আরাম লাগে... বড়ো হয় শরীর... ... প্রচণ্ড জোরে কামড় খাওয়ার ভয় লাগে... খসে যাওয়ার ভয়... শীতলতা আসে... ভয়... ফিয়ার অফ ক্যাস্ট্রেশন... ভয় চেপে ধরে... অথচ চোখ সরানো যায় না... এক পা এক পা ক’রে পিছতে পিছতে একসময় টেনে দৌড়... এই পুরো ঘটনাটাই দেখা যাচ্ছে বড়োরাস্তার ঠিক পাশে ওই বিজ্ঞাপনী হোর্ডিংয়ে, সেই যার পাশে অনেকটা আকাশ আর অনেকটা সন্ধ্যা আটকে ফিক্সড হয়ে আছে...।
ছবি (পেইন্টিং), ড্রইং, ফোটোগ্রাফ—এগুলোর একটা কনসেপচুয়াল বাইপোলারিটি, একধরনের ডবল রিয়ালিটি থাকেই। একটা ছবি মূলত একটা ফ্ল্যাট কাগজ বা স্ক্রিনে একরকমের একটা প্যাটার্ন। মজা হল, অ্যাট দ্য সেম টাইম দে আর এন্টায়ারলি ডিফারেন্ট অবজেক্টস্‌টু দ্য আই; দে আর সীন বোথ অ্যাজ দেমসেলভস্‌অ্যান্ড অ্যাজ সাম আদার থিং। পেপার বা ক্যানভাস বা স্ক্রিনের ছবিটার থেকে সেটা সম্পূর্ণই আলাদা। তাহলে কি ওই বিজ্ঞাপনে সত্যিই আমাকে দৌড়তে দেখা যাচ্ছে নাকি আমি সেটা ভেবে নিচ্ছি? বিজ্ঞাপনটা আসলে কোথায়?

আবার
স্তনের
কথায়
বড়ো বড়ো
বিকেল হচ্ছে
অথচ বাক্সের ভেতর
একেকটা
রেখে দেওয়া দিন
হুবহু আরেকটা
যেকোনো দিনের মতোই
নীল দেখতে দেখতে
গোলাপী ভাবে
তোমাকে অনেকদিন
আমি আয়না লিখেছি
অনেক দিন
ভাবি সিনট্যাক্সের প্রেমে পড়ছি
ভাবি সিনট্যাক্সকে বিয়ে করবো...


...............................
তারকা (*) চিহ্নিত পঙক্তি দুটি আলব্যের কাম্যুর ‘দ্য স্ট্রেঞ্জার’ থেকে ওঁর অনুমতি ব্যতিরেকে নেওয়া।