ক্রিকেট অনুষঙ্গে

পিয়াস মজিদ

ক্রিকেট অনুষঙ্গে

আর ১টা উইকেট পড়ল।
আরে আরে-চার, ছক্কা হই হই,
বল দৌড়াইয়া গেল কই?
ফ্ল্যাশ-মবের সমসাময়িক মচ্ছবে
কারা যেন স্লোগান দেয়-
‘বিজয়ী হয়েই ফিরব। নইলে ফিরবই না।’
তার মানে বিজিতের জন্যে
কোনো জায়গা খালি নেই!
আমি তবে কোথা যাই?
আমি; যে এমন বিজিতশ্রেষ্ঠ...

কুয়াশা ক্যাফে

বিথারে বিথারে
ব্যথা থাকে ভূগর্ভলীন
তাই পৃথিবী এমন
টিলাপাহাড়ের সানুদেশ।
হিমরঙ রেস্তোরাঁয়
আধোঘুম কফি খাই,
মূল্য শোধ করতে দেখি
আমার টাকাপয়সা
তামাদি এখানে ;
কুয়াশাই এই রাত্রির
সার্বভৌম মানদণ্ড।
আমার এই দশা দেখে
তুমি হেসে গড়িয়ে পড়ো ;
অতঃপর পাতালে-শীর্ষে
হাসি আর হিমে
বিষপাত্র শূন্য করে
আমরা সবাই মধুপুরের রাস্তা খুঁজি।
শেষরাত্রির আবছায়া-রক্ত পড়ে
আমাদের মিলিত যাত্রাপথে।
জীবনের এই ক্যাফের
তবে কেন আমিই বিল দেব একা!

সুরচ্ছিন্ন

সন্ধ্যায় নিহিত সংগীত ছুটেছে,
রঙমহলের মরচে পড়া কার্নিশে
ত্রিশঙ্কুর ঝকমকি সুর।
রাতের কৃষ্ণ-ঘনতায়
দানা বাঁধা আলো তুমি,
অহিংসার ছুঁড়ে দেয়া
তীরস্রোতে
ময়ূরের দেহ হয়ে ভাসো;
নষ্টনির্ঝরে আমার
মৃত্যুকাহিনির জোয়ার।
তবু ধলপহরের
ঋজু রক্তপাতেই
সব অস্থায়ী-অন্তরা- সঞ্চারী-আভোগ।
এখানে, মৃত্যুসভায় ফেলে যাওয়া
সুরের নগ্ন শ্বাস...