যা বললে বিশদ খুলে যায়

উমাপদ কর


বিন্দু বিন্দু তুমি
ভেঙে
এই চোখ ফুটল, নয়ন আমার,
দেখি
ভাঙায় পূর্ণ তুমি



জ্বরে জলপটি পাল্টানো হাত
এখনও ধরে রেখেছে কেন্দ্র থেকে
বেরিয়ে আসা সুতোটি
আমি ঘুরছি


এত ফাঁক
একসময় ছিল না,
দূরত্বের ভয়েডে
হাজার মিশাইল কার্পেট বানায়
টের পাও, আমি না...



শ্মশানে উলঙ্গ বর্ণমালায় ঘি মাখাচ্ছিলাম
ধোঁয়া কবিতার নিরাকার দেখালো...





মেয়ে
কানের দুল
ঝুমকো
মা সম্ভাবনায় দুলছে



হাঁটতে পারছো না
ক্লান্তি ঠেলতে ঠেলতে সীমানা
গলার কফে জড়িয়ে দূর থেকে ডাক
চিনিয়ে দিচ্ছ জমি-জিরেত
মানুষের দো-নলা বন্দুক, নিন্দুকের ভালোবাসা


জলের বাটিকে মানচিত্র
কয়েক’শ মা
মাটি ঠান্ডা থেকে পাহাড় বন ঘুরে মরু ভাপ
আকাশ ধরে এক ব্র্যাকেটে
সবটা মা


খরিশ ফণা
বুকের ওপর
চুপ, মজাকি চলছে
চোখ-শাসানি, আগুন --
লেজ সরে যায় ...





বোবা কালা
অন্ধ ও মন্দ অতীত
রেতঃপাতে ঋতুশোক
আধোবোলে মা মা হামাগুড়ি দেবে

১০
ঘুমোচ্ছো না
দেখছো
কোটের বোতাম
যোনিপথটা খুঁজে পাচ্ছে কি না

১১
বিকট ও বিবসনা
আঁকছে নদীর তুলিতে
গাইছে গাছের গলায়
ঘন্টা বাঁধা ঘাটের পারানি নাচছে...

১২
ব্যথা
জরায়ু খুলছে
পুনঃপ্রবেশ


১৩
একটি রাস্তার নাম মা
বাঁকেনি শুধু, ভেঙেও গেছে...
খুঁজে নে হারামজাদা...