মা

আকতার জাভেদ



বিষন্ন এক হাত,
ঝরে যাচ্ছে পৃথিবীর সব জলপ্রপাত-
মাগো ক্ষরণের প্রতিক্ষায় পারিনা কিছুই
অসহায় দৃষ্টিতে শুধু অসহায়ত্বের ক্রন্দন শুনি-
[হাবিজাবি, ১৭ মার্চ, ২০১৫]



কিছু বলিনি, শুধু অর্কিডের ফুল-
একটা ডুবুরী, এক আধটুকু হাতের কথা-
তুমি থাকতে চাওনি, ক্যাকটাসে কাটা বলে-
একটা আলোর অধীনে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকা-
বৃষ্টিপাত, সরে যাচ্ছে কফিন হয়ে,
তেমনও না-
তুমিও বলেছিলে, হঠাৎ বৃষ্টি নামবে-
ঋতুবদলের মতো করে বদলে যাবে
পরিচ্ছেদ, রংধনুর আড়ালে উপোসী প্রহর-
অথচ, বহুরূপী সেই কবিতায় আজ বিচ্ছিন্ন উপদ্বীপ
হরহামেশাই বাজছে বিদায়ের গ্রামোফোন-
[হাবিজাবি ২৯/০৪/২০১৫]




মনে পড়লো, একটা ফুলস্কেপ কাগজ উড়ে গ্যালে বসন্ত হয়-
বলেছিলেন আমাদের পূর্বসুরী- উনাদের সুপ্রাচীন গোত্রের কথা-
কৃষ্ণচূড়ার আবেশে এঁকে দিলে
দেয়ালে দেয়ালে মৃত্তিকা সৃজন- বলেছিলাম- গ্রীষ্ম কাল এমনি তো আসে নি-
তাপের পরশে ক্লান্তি, অতঃপর স্কন্ধের ঢাল বেয়ে নোনা জল-
মুছতে মুছতে শাড়ির আঁচল- বলেছিলেন,
এভাবেই কেটে যায় হরিৎ নগরীর সব কিছু,
মনে রেখো-
বাতাসে যতদিন উড়ে যাবে মৃদু মায়া
ততদিন বসন্তময় হবে আমাদের
উঁচু ছাদ;
আজ বুঝি, অনন্তক্ষণ ধরে বুঝি-
- বাঁশের বন্ধনে বেড়ে ওঠা মাচান বেশ ছায়াময়-

[হাবিজাবি, ০৬/০৫/২০১৫]