সোজা বুনছো মা

বারীন ঘোষাল

আসলে আমরা চোখে চোখে চাইনি বহুদিন
কবে যেন লটকে গেছি তুমিও তো উলটো পিকচারে
রেটিনায় রে-টানা দিয়ে নোনা জলে তাপে
সোজানো স্বভাবের মাকে জানি যেন


আকাশের ফ্ল্যাট ছেড়ে স্থির একটা অনেকের পাখি
তার ভাসস্থান
অলীক স্তম্ভের ছাদ
প্যারাফেট
আলে কায়দায় যেমন ঢেউ দিয়ে যায় আগুনপাখির ছায়া
বর্ণাবর্নি থাকবে আবার গোপন গেরিলারাও থাকবে অপড়ন্ত হয়ে
টপকে যবার ভান
ধা নীর সেই চিন্তু চিন্তু স্প্রিংগীত
ঠিকরে ছুটে শব্দানুদের স্ফুঃ আর ৯ ৯ ঙ্গ ঙ্গ
এই তো বাত্তি আকাশ
পুরবায়ুতে পূর্বায়ু মেশা এই পঞ্চভূতম সবাই দেখলো
আমাকে শেখালো এইটুকু গৃহিপনানো


শেয়ার ঢেউ শোয়ার ঢেউ কাঁপিয়ে দিচ্ছে সবাইকে
কামিনী কাঞ্চনের কথা হল বুঝি
আমি বলছি পায়ে পায়ে অজন্তা পাহাড়ের কথা
মাগুহায় মায়ের পোজে দাঁড়িয়ে
পায়ের নিচে চাঁদের কথা মাটির কথা
কোথা না কোথায় খ্যালে বায়ুরা
গুহার ভেতরে কোন আলো এসে বর্ষ খুলে দিলো
বন্ধু তোমার সামনে আজিকা বরষ মেলানো ভাপে মা-মা


চারপাশে থাম ধরে আছে উলট-পুরাণ ফ্রেস্কো আর
একটু অবহেলে
অবলোকিতের বায়ুবনে
ঝড়প্রশমে ঋতুবন্ধে
গর্ভয়ে জনম জনম করছে বায়ুবনিতা
বনিতার রামধূন
ধূনটি সদ্য আঁকা গড়ায় ওড়ে
আঁতঘরে গুহাদোরে আপদ বালাই সারি নোটেশনে
বেরিয়ে আসি আমি


যদি অতিসুর বলে কিছু থাকে
যদি যুদ্ধের সিনেমায় কখনো ঘুমিয়ে পড়ি
আর লড়াই করি পদ্মপাণির গোটা মুখোশ নিয়ে
সোজা হয়েই দেখি না হোক পিনহোলে গলে যাওয়া অজন্তামাকে
ভেঁপুগড়া যৌন ধারাপাত আর সিড়ির মধ্যে বাছাই
একঘর উলটো আর এক ঘর সোজা
এত সোজা বোনা
কার মন তোমার সোয়েটারে


বুনছে তেরেনুম সুর আর ওপিঠের সপনা ধানরুই
আবার স্বপন বলে ডাকে কে
এসব এদিককার কথা এজীবনের
একটা নাহয় জাতকের গল্প
যেখানে আমি পথ হাঁটি পথও হাঁটে আমাকে
এই দোটানায় আমি আর নড়তে পারি না
এই ওয়ক থুঃ মারি মারি
সাগর বাহানা
ভেসে যাই


জল বোট ম্যান্ডোলিন মায়ের ত্রুবাদুর
এদের দেশীয় করে দাও ঠাকুর
আলো নয় অন্ধকারটা আমাদের করে দাও
আমাদের ওরিজিনাল
যাতে অজন্তাকে সমতলে দেখতে পাই ইলোরাকে মায়ের মধ্যে মা হয়ে
যাতে মহানির্বানকে শিশে আমাদের ঘরের ছেলেকেই
বুদ্ধ বলতে পারি
শিল্পথে মরজনমের সঙ্গে কোলা
কুলিনা করেও উৎ ফুৎ সে


এটুকুই আমাদের শব্ধান অমিয় শব্দরুনু
বেজে চলেছে ধীরপাগলের জাতকে
মণিপদ্মে
অজন্তা পাহাড়ের নিরুপমায়
এ তো মনগুহায় ফসল হয়ে হেন মাঠে মরে
তাদের কালারে


চলো আঁকি এসব ছেড়ে
পাথর গুঁড়ো পাতা নিংড়ে ফীলে তুলি দিয়ে মায়ের ফটোটা
হাস্য মাঝারের ফটোর দাদখানি পাহাড় চড়া হল
সেই গন্ধদ্রব্যে সারি সারি স্তনরেখ আর খরেনস্ত গুহা
ঘাম আর বিয়ার বিশ্রাম
ঝরাপাতায় অশ্রুর উলটোরথে পাগুণে পাগুণে
এখানে অশ্রু কোত্থেকে এল সত্যি জানি না
এই মা মা শব্দগুণ
এই ধ্বনিগুণ


বারে বারে ধ্বনিটি দুবারে দুর্বার হয়ে যায়
এই মজা এই কষ্ট মোজা পরেছে জুতো
কুয়াশাটি ঠিক জোলো কুয়াশাখানা নয়
ধ্বনির সঙ্গে চলে যায় সব
শব না মা বায়বীতারা বুকে ধরা পড়ে
চোখ থাকলে তো