চার অধ্যায়

রিমি দে

অন্ধকার
বট গাছের মত করে একটি ছায়া আঁকলাম।তারপর শীতল বাতাস ছড়িয়ে
বেশ কিছুটা দীর্ঘ নিশ্বাস স্প্রে করলাম।বটগাছটি কেটে ফেলার পর ছবিটি ডিজিট্যালে রূপান্তরিত হল।লাব-ডুব শব্দটি সাপোর্ট করল।বটের ঝুরির এফেক্ট নদীতে মিলিয়ে গেল।
হাহাকার
হাঁটতে হাঁটতে মাথাটা ঝিমঝিম। ঘাড় ঘোরান হল। একটি ঘুঙ্গুরের শব্দ।আলতা হীন পায়ের পাতা।আর কিছু দেখা গেল না।আর কিছু শোনা গেলনা।ঝিমঝিম
বমি হয়ে উঠে আসল।
কলহ
শিকড়টি উপড়ে ফেলার পর নসু খাতা ছুঁড়ে মারল। বালা হাতা ছুঁড়ে মারল
পাল্টা।নসু- বালার কিছুই হল না। ব্যালকনি ও টেরাস হল। পাখি ও মুসান্ডা।
পিঁপড়ের ডিম। বাদামি শিকড়ের শরীরে ।
প্রান্তর
রুমুর সঙ্গে রুমুর আজ আর কোন সমস্যা নেই । নিজেই নিজের হাত পা ও গাল টেপে।আদর হয়। চাদর ও চেয়ার হয়।কিচেন বাগান ।রুমু দুলতে