যারা মেঘ সেজে ভেসে যাবে কখনো

অতনু বন্দ্যোপাধ্যায়

দুহাত বাড়াতেই ছোঁয়া যাচ্ছে বৃষ্টি। টিনের চাল থেকে নেমে আসছে সমস্ত বনাঞ্চল। আর স্বপ্নের পিরিওড গুলি আমাকে জড়িয়ে নিলো পেছন থেকে।রাস্তায় তার পিছল নেমে এলে এই মেঘলা এই অবান্তর সকালের মহেন্দ্ররা চুপচাপ তাদের প্যাভেলিয়নে বসে আছে অন্যমনস্কভাবে।

ঋতু

আরো খানিকটা আমার কাছে সরে আসতেই পাতারা কেমন হঠাৎ নতুন সবুজ নিয়ে, মহিনের একটা ঘোড়া নিয়ে রোড স্টেশনের ছাদনা তলায়। প্রভুদার চায়ের দোকানে অপেক্ষা করবে বলে কথা দিয়েছিল। তাতেও কি আমাদের এই ছুঁয়ে দেখাকে কেউ থামাতে পেরেছে?

প্রভু ভক্ত আকাশ আজ আমারি সেবাব্রতি। ব্ল্যাকবেরির ওয়ালপেপারে রাখা সেই দৃশ্যটার কাছাকাছি আসতেই খুলে যাচ্ছে মাইল-বক্স। ইন-বক্সকে গুঁজে দিলাম কাফ্লিংএ। আর মিডিয়া প্লেয়ার থেকে যখন ঋতুকে বর্ডারের আকাশগুলো দেখাচ্ছিলাম। যখন ওর লেখনিগুলো ডিভাইস ছেড়ে দাঁড়িয়ে পড়েছিল রাস্তায়...

আমাদের নোটেশনে তারপর রাত্রিরাই ছিল।ছিল মোবাইল থেকে অনবরত বাড়ির সাথে কথা বলার এইযে উৎসবের নানা রকম মেজাজ।তাকে চাইলেও ধরে রাখতে ইচ্ছে করে না চোখের ইশারায়।আজ সারাদিন আমাদের কোন কাজ নেই মদ্যপান ছাড়া। ঘুরে বেড়ানো ছাড়া।মাইগ্রেশন শুরু হয়ে গেল।তিনজনের একটা ভারতীয় ট্রেকার টিম এইমাত্র চলে গেল দেশের অন্যতম সেরা গ্রাম মারতোলির দিকে।আমাদের এখানে বসেছিল কিছুক্ষণ।ওরা বাঙালি। তোমার গন্ধ চেনে হয়তো আমারি মত।

ঋতু

এই অসামান্য বৃষ্টিদিন এই একরোখা রাস্তার বনেট খুলে, ধোয়ার অ্যাপ্রোন খুলে বোতলের হাসি থেকে যে ফোকাস তৈরি হচ্ছে তার কাছাকাছি কিছু বাতিলেরাও দেখ সুখগাঁথা নিয়ে গৃহীত হেলানের দিকে সরে যাচ্ছে পায়ের সংযোগে। চোখের ধাধানো আর তুমি অনন্ত হয়ে ডুবে আছ আমার আঙুলের নিশপিশে...আমার আপাদমস্তক বালির প্রান্তরে।

মোজা খুলতে খুলতে এখনো মনে পড়ে তোমার হাতের কথা। তোমার হাসির আওয়াজ।স্নানের আগে ও পরে বিন্দু বিন্দু রুচি আর গুটিয়ে রাখা বাগানের ফুলগুলো ঠিক ফিরে আসে হারানো স্টিকার নিয়ে উধাও বাক্যালাপ নিয়ে।

এটা আর কিছুই নয় একটা কৌতুকনক্সা ছাড়া। আজ বাজারে গিয়েছিলাম।নিসর্গ ঘরণীরা মদের ছায়াপথে সাজিয়ে রেখেছিল ছুটির সড়ক।ব্যবধানের এইযে সংলাপ আমি চুল্লির ফিস ফিস থেকে পৌঁছে দিতে চাইছি তোমার পরিযায়ি সাদায় সেখানে সর্বনাশ কবে উঁকি দেবে............ ঋতু?

কবে পাহাড়ে উঠতে উঠতে আমি ঠিক জেনে যাব ফেরানো হারমোনিয়াম আবার বেজে উঠছে ঘুমের ভেতর। তোমার অসংখ্য মাইলের ভেতর।কপালের ঘাম শুকোতে চাইছে না। পেন্সিলের পিঠ থেকে ঘটে যাচ্ছে এই বহতা। এই ছাপায় ছাপায় যে ঘৃণার আনন্দ আজ নৌকো নামিয়েছে তাদের শপিংমলে অভ্যস্ত হচ্ছে নেশাদের কৈফিয়ত।মিসিং চোঁয়ানো।

পাশের উষ্ণতা ওনান-ইন্ডিয়ায় পাঠাচ্ছি পুরোনো চাঁদ সমেত। রিস্তে ছাড়া। এখন এগিয়ে যাচ্ছি মিলামের আরো আরো নির্বাসনের দিকে। অজানা দুলুনি খেলছে লজ্জার হামাগুড়ি।চেনা আঙুলগুলো আর চিনতে পারছিনা কিছতেই।শুধু কোলনে মাইন বসিয়ে দিতে এসেছে তিব্বতিমেয়ে। আমাকে নিয়েই এই গালিচা ল্যান্ডস্কেপ। অবাধ অসামান্য আর তোমার পোস্ট অফিসে প্রতিদিন দেখ আবার বৃষ্টি সমাচার...
চারহাত বাড়ালেই ছুঁয়ে যাচ্ছে অন্তরা আর্কাইভ থেকে নামিয়ে আনা হাইওয়ের পেজমার্কগুলি
নিরিবিলি কালপুরুষ সেখানে স্যাঁতসেতে সংকেত নিয়ে শান্তিজল ছেঁটাচ্ছে আবার অপরাধের ট্রেন নিয়ে। খুলে রাখা কুর্তি নিয়ে।