চার... চার... দুই।

ঋতুপর্ণা সরকার

চার।

আমাপা মানুষ হয়ে ছুটে চলা
দিশাহীন পায়ে পায়ে
নিশানাতে পরমায়ু বাঁধা
ঠোঁটে ঝোলে খড়কুটো
মুহূর্ত লোভ জাগায়।
নুয়ে নুয়ে চলা নয়
আলজিভ কেটে নিলেও
আজ্ঞাচোখে নির্মম নির্দেশে উঁচু মাথা।
ঘাতকের গতি আজ আমার ছায়ায়
তীর বেগে ছুটে মরি মাঠের মাঝে
চকচকে ঘষে মেজে আমি ফেরিওয়ালা।


চার।

থেমে যাও। থেমে থাক।
প্রাচীরে আমার ঘর।
সত্য চিনিও না আজ।
আকাঙ্খার শেষ হিসেব আমার থাকে।
ধেয়ে আসা লোভী জীবন
বুঝে নিই একক মেপে।
দেওয়ালে টাঙানো থাক পেছনো মুহূর্ত।
দুহাতে আগলে রেখেও বক্ষ পেতে দিই
অবসাদে যন্ত্রণায় প্রতিপক্ষ জীবন
বেড়ে চলে সময়ের গভীর ক্ষত
ক্ষত ভুলে কালো মুখে ভাসানের মন্ত্র
ভাসানে ভাঙ্গিনি ঘট,
পেশিতে খোদাই তেজ
দু হাত বাড়িয়ে আজ আমিই স্টপার।


দুই।

রোদ আছে এখনও
বোকামির রেশ নিয়ে
সবাইকে ছেড়ে আমি ছুটছি
কত শ্বাস মরে গেল,
কত ঘাম...
দৌড় কি শেষ হয় আগুনে?
কত কাল বসা হয়নি পা মুড়ে তারার আলোয়
সঠিক মাপ নিয়ে পায়চারি জীবনের।
বিন্দু মেপে ছুঁয়ে দেখা
এক দান হয়ে যাক চাঁদমারি জীবনে
নিশানা অভেদ্য নয়
দধীচির হাড়ে আজ যুবকগড়ন
স্থবিরতা পিছে থাক
অস্থির সংযমী কত শত দৌড়
জীবন পোষে না স্থির
আমার শরীরে জ্বালে আগুনের স্রোত
বেহিসেবী জীবন হয়ে তীর ছুড়ি আমি স্ট্রাইকার।