ত্বকীয় তদন্তের বাইরে...

তানিয়া চক্রবর্তী


পুরোনো বাড়ি প্রায় ভাঙ্গাচোরা, এপাশে ওপাশে বটের আগামবার্তার শরীর... শরীররাও স্বাধীন --- পাশ দিয়ে হেঁটে যায় গল্পবিশ্বাসী কিশোরী --- ঘুরতে গেছে বাবা –মা –এর সঙ্গে --- প্রাক্তন ও বর্তমান শরীররাই অস্তিত্ব --- গ্রাহ্য অস্তিত্বের বাইরের রা চেনা নয়---শৈশব এটা মানে , ঝাঁ ঝাঁ দুপুর আর অবিশুদ্ধ দেয়াল আর তার ধারের কাকের বিশ্রী কাকুতি! শৈশব ঢোকে --- একটা রঙের খাতায় দেখার মতো দরজা, শৈশব খুলে ঢোকে --- চেয়ারের পিঠ দেখিয়ে কে যেন বসে আছে --- আর সে নেই নিমেষে, পলকে একটা দমকা হাওয়া গা কাঁপিয়ে দেয় ---শৈশব ছুটে পালায়--- জ্বর আসে
মারণ --- খাঁ খাঁ জীবনরা এভাবে কি কিছু চিহ্ন দেখিয়ে দেয়--- নাও হারিয়ে গেছি খুঁজে বার করো, যা তুমি অনুভব করবে কিন্তু মূর্ত করতে পারবে না --- একটা প্রহেলিকায় গান্ডেপিন্ডে দোল দিচ্ছি আমরা ,
এইসব ঘটনার উদ্দেশ্য ও বিধেয় নাই বা বিচার করলাম --- দ্বিধাই তো সিদ্ধান্তকে উজ্জীবিত করে
শরীরের ওপর দিয়ে সর সর করে সরে যাচ্ছে অক্ষরেখা --- লক্ষণরেখা মানি যতদূর ততদূর অবধি ধাত্র দেখা যায় --- সরের গায়ে মশা/মাছির পা আটকে যায় --- নিরুদ্দিষ্ট সান্দ্রতার প্রতি অবনমন---ওসব টেরও পায় না
“মাটি ছেড়ে দ্যাখো
পর্যাপ্তরা নিবিড় মায়া”
একটা ঢিল ছুঁড়ছে প্রেমিক প্রেমিকার নির্দিষ্ট কুঠুরির বারান্দায় --- ঢিল ছুঁড়ছে পুরুষ প্রকৃতির হাওয়ায় --- অথচ গন্তব্য বলে যেখানে কিছুই নেই সেখানে উৎসই তো বিয়োগ --- প্রাপ্তির ঠিক কিনারায় কোনো ইন্দ্রিয় তার সর্বোচ্চকে খুঁজতেই পারেনা --- শীর্ষবেদনা না শিরশিরানি --- একটা মরীচিকার সামনে এসে তৃষ্ণার্ত প্রতিসরণ মনে রাখে না --- প্রিজমে আমরা সাদা রং – এর ফাঁকি খুঁজে পাওয়ার আগে গায়ে স্পর্শের বাতিক জাগে আর স্পর্শ শেষ হলে সে যে নিশির মতো মাঝরাতে এসে দরজার ছিটকিনি খুলে দেয় --- বিষাক্ত ঘুম থেকে উঠে মন ভাবে ওটা সাতটা রঙ নাকি কেবল সাদাই ছিল , ওটা কি ডাক ছিল , কিসের ডাক --- রাত তিনটে প্রতিদিন যদি ঘুম ভেঙ্গে যায় , ঘন্টাটা তখনই বাজে --- বাগানবিলাস গাছ যেটাকে সকালে মনে হত সুন্দর- রাতে মনে হয় সুন্দরের ভয়!
“যতই তুমি ছোঁও
ছোঁয়া একটা যতি
রেপ্লিকার বাইরে কেবল
বিয়োগ বিয়োগ খেলা”
গোঁজামিল খুঁজতে খুঁজতে জঙ্গলের কেন্দ্রে এসে বসবে সদ্য জোড়া জীবন – একটা রহস্য উন্মোচিত হওয়ার আগেই অন্য মাত্রায় দেখা মেয়েলি শব্দ --- অথচ চিহ্নহীন শব্দ আভরণের জন্য হিমসিম খাবে পুরোটা প্রাণ
তৃণ শরীর --- মৃত অ্যাভিস
ওখানে থাকে না লসিকারস
ভুগছে চামড়া বৃন্তের দায়ে

যেটুকু পালকে ঢাকা
ওখানে গুপ-চুপ গুপ-চুপ ভোগ
কাটা কাটা ডালিম ব্যথা
চারিদিকে সেমি সেমি কোলন
#
রিক্ত হলে রক্ত নেয় জন্মনাশা পাখনা
পরিণতিহীন পরিণতরাই বার্তা
বোতলবন্দি ঐতিহাসিক ---ঘরের মধ্যে ঘুঘু
অস্ট্রেলিয়ার বিখ্যাত কুখ্যাত কুইনসল্যান্ডে যে অস্তিত্বগুলো দেখা দিয়ে ভিড়ের মধ্যে হারিয়ে যায় , এর কাছাকাছি একটি জলাশয় আছে যা ছেলেদের জন্য CURSED(অভিশপ্ত) সব ছেলেরা এখানে নিরুদ্দেশ হয়ে যায়... এই যে কার্স(curse), হেক্স (HEX),স্পেল (SPELL) --- এর আগমন পেনসিলভ্যানিয়ার ডাচ থেকে ...ডাকিনীবিদ্যা কেন এত জনপ্রিয় এইসব জায়গায়, নিশ্চয় কিছু অসাধ্য সাধন হয় কিন্তু আমরা বিচারে যাব না, আচ্ছন্ন করতে পারে যে তাকে বিচার না করাই ভালো! ইনক্যান্টেশনস (ডাকিনী মন্ত্র) –এর মাধ্যমে এরা নিরুদ্দিষ্ট আত্মাকে শক্তিশালী করে পুতুলে প্রবেশ করায় ... রানিক অক্ষরের মাধ্যমে (RUNIC ALPHABET) এই কাজ হয়ে থাকে... এইরকমই এক প্রকারভেদ হল শবসাধনা --- নিরুদ্দেশ কে উদ্দেশ্য করা (NACROMANCER) --- হোমারের ওডিসিতে এর উল্লেখ আছে, ষোড়শ শতাব্দীতে অত্যাচারিত আফ্রিকান ক্রীতদাসরা ভুডু র প্রচলন করে, এক ধরনের পুরোহিতশ্রেণী তৈরী হয় তারা আত্মা আর মানুষের সংযোগ ঘটায় , এদের বলা হয় লেগবা, যা এখনো তীব্রভাবে প্রচলিত, হেইতি দ্বীপের উপখন্ড এই চর্চার আখড়া, হাভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের জনৈক অধ্যাপকের মত অনুযায়ী এটি চূড়ান্ত ভয়ের সৃষ্টি করেছিল মানুষের মধ্যে , ওয়েস্ট আফ্রিকায় এর ই পরিবর্তিত প্রথা হিসেবে জোম্বির আগমন হয়, এই প্রথার স্রস্টারা হলেন “ BOKOR” । বলা হয় “ ZOMBIES HAVE NO WILL THEIR OWN” এরা বোতলবন্দি আত্মার মতো সংরক্ষিত হয়, এইধরনের আত্মা ইমপ্লান্ট করা মৃতদেহকে নুন খাওয়ালেই নাকি তারা দুর্বল হয়, নির্দিষ্ট সময় পরে নাকি ঈশ্বর এই আত্মাকে ফিরিয়ে নেন, তাই এদের অস্তিত্ব খুব কম, ডারউইনের বিবর্তনবাদ পড়ার আগে যেমন আপনাকে দশজন বিজ্ঞানীর মত পড়তে হয়, সে যতই গাঁজাখুরি মনে হোক , আপনাকে পড়তে হয় পচা ইঁদুর থেকে নাকি মানুষ সৃষ্টি, সেরকম এগুলোও না হয় ভাবলাম, তার মধ্যে এগুলো চাক্ষুষ প্রমাণ পেয়েছে , বিজ্ঞান তাই একে প্যারাসাইকোলোজি দিয়ে ব্যাখ্যা করে, কিন্তু এইসব ঝেড়ে ফেলতে পারেনি, এরপর আসা যাক জিনের কথায় , তরঙ্গধর্ম এর ব্যাখ্যা দিয়ে বলেছে অবশ্যাই গ্যারান্টিসহকারে নয় ... ফ্রিকোয়েন্সি ম্যাচ না করলে নাকি এরা আবিভূর্ত হন আধিভৌতিক দুর্যোগের দিনে তারপর কিছু ক্ষতি বাতলে দিয়ে নিরুদ্দেশ হয়ে যান, “হুমায়ূন আহমেদ” এর “ম্যাজিক মুনশি” তে কিছু প্রক্রিয়া বলে দেওয়া হয়েছে --- যার মাধ্যমে নিরুদ্দেশকে উদ্দেশ্য করাই যেতে পারে ---মুশকিল হচ্ছে যেখানেই এরা ফলপ্রসূ হয়েছে প্যারাসাইকোলজি একে হ্যালুসিনেশন বলে দিয়েছে --- যদিও ম্যাজিক মুনশি তে উপায় বলে তারা নিষেধাজ্ঞাও দেওয়া রয়েছে। সাইকিক পাওয়ার দিয়ে এক অসাধ্য সাধন করেছিলেন এক বিদেশী মহিলা আলেকজান্দ্রা ডেভিড নীল , যিনি আঠারো বছর বয়স থেকেই এই উদ্দেশ্য কে ফলপ্রসূ করতে আগ্রহী হন --- তিব্বতে এসে এই বলে তিনি বানান এক প্রাণবত্তা টুলপা(TULPA//তিব্বতীয় ভূত)--- এ এমন এক ধরণের আত্মিক শক্তি যাকে অবলম্বন করে গ্রাহ্য দেহ, বলা হয় এরা ধীরে ধীরে নিজস্ব শক্তি সম্পর্কে সচেতন হয় যেমন আর কি রোবোটিক্স ল –এর অ্যাবনর্ম্যালিটি হলে হয় ! পরে এটি নিজস্ব বলে বলীয়ান হলে ভূত জাতীয় লামাটিকে তিনি ধবংস করে দেন --- “STATUE OF DORJE SHUGDEN” -- এরকম ঘটনার সাক্ষ্য বহন করে ।
আসলে বাস্তবটাই উদ্দেশ্যবিহীন একটা রেচনলীলা ---আগে জল পরে ঘাম --- পরে বাষ্প আবার জল।চূড়ান্ত একটা শব্দের প্রহেলিকা, সিদ্ধান্ত একটা ধাঁধাঁ --- “চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত” একটা গন্তব্যহীন জোড়! দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা এই তিনটি মাত্রার বাইরে কিছু মাত্রা আছে, ESP (EXTRASENSORY PERCEPTION) ---যার ভেতরে ছায়া-প্রচ্ছায়া ইতি-উতি খেলছে, গঠনের বাইরের গঠন,আণুবীক্ষনীক গঠন, দৃশ্যের বাইরের দৃষ্টি এরাই গন্তব্যহীনের গন্তব্য
নিরুদ্দিষ্ট সেইসব অস্তিত্বদের এই নিষিদ্ধনামচা , সাইকোকাইনেসিস অনুযায়ী তরঙ্গমাফিক আমরা এগোচ্ছি, এই প্রভাব অনুযায়ী ভৌতিক-আধিভৌতিক অস্তিত্ব আছে , যা হ্যালুসিনেট করি তা যদি প্রমাণযোগ্য নাও হয় তবেই কি তা বিশ্বাসযোগ্য নয়! কারণ অনেক প্রমাণিত বস্তু বা বিষয় তার ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে পারেনি বা তার ব্যাতিক্রমও আছে , মিথ বা মিথ্যার মোড়কে যদি কিছু সত্যি থেকে থাকে... যেমন বিভিন্ন স্বপ্ন বিশ্লেষণ বা সাইকিক ড্রিমকে মনোবিদ্যা তার দৃষ্টান্ত অনুযায়ী ব্যাখ্যা করে , যেমন বিমূর্তদের প্রভাবকে বা অনুভব কে অধ্যাস বা ইলিউশন বলে আবার স্পেকট্রোফিলিক অস্তিত্ব --- ভৌতিক যৌন সম্পর্ককে স্লিপ অ্যাপনিয়া ইত্যাদি প্যারানর্ম্যাল আলোচনা দিয়ে বিচার করা হয়, কিন্তু যদি এর বাইরে ভাবি সেই অনুযায়ী আমেরিকার “THE WHALEY HOUSE”,ইংল্যান্ডের “THE WINDSORE CASTLE” কলকাতার ন্যাশন্যাল লাইব্রেরি, পুরোনো রেডিয়ো অফিস... ইত্যাদিতে দেখতে পাওয়া সেই অস্তিত্ব যারা সময়ের অন্তরে নিরুদ্দেশ হয়ে যায় তাদের প্রতি সযত্নশীল হয়ে বর্তমানে যেসব ক্যামেরা আবিষ্কৃত হয়েছে তাতে গ্রেন টেস্ট করে অতি বায়বীয় নিরুদ্দিষ্টদের জানার চেষ্টা চলছে... ভেবে দেখাই যেতে পারে এই যে আমরা কল্পনা করি তার উপাদানগুলো কিন্তু বাস্তব ই হয় , শুধু কাঠামোটা অভ্যস্ত জগতের নয় বলে তাকে কাল্পনিক বলি আমরা।
বহুদিন আগে গল্পের ছলচাতুরি দিয়েই ভাবি, তবু ভাবি, “সাইরেনাম স্কোপুলি” দ্বীপে শোনা গেছিল অদ্ভুত এক বাজনার সুর, সেই দ্বীপের পাশ দিয়ে যাত্রাকালে কিছু নাবিক এই সুর শুনে আচ্ছন্ন হলে অর্ধনারীর শরীর ও অর্ধপক্ষীর শরীর নিয়ে গঠিত এক গাঠনিক বৈশিষ্ট্যের অধিকারিণীরা এদের শেষ করে ছিন্নভিন্ন দেহ আশেপাশে ফেলে রাখত, তারপর নিরুদ্দেশ হয়ে যেত , গল্পে অবশ্য এর কূলকিনারা করা হয়েছে এক নাবিকের মাধ্যমে , শোনা যায় এখান থেকেই নাকি “সাইরেন” শব্দটির সৃষ্টি!
আসলে নিরুদ্দেশের কোনো সীমানা নেই--- এটা সার্বিক, যেখানেই প্রক্রিয়াকরণ রয়েছে সেখানেই নিরুদ্দেশ হবে সব --- একটা জীবন , একটা প্রাণ যা কেবল রূপান্তর হচ্ছে তার তাদের প্রাক্তনকে নিরুদ্দেশ করেই এগিয়ে আসছে ---একটা ফুল থেকে ফল,বীজ থেকে গাছ, ভ্রূণ থেকে উঠে আসা আস্ত জীবন---শুঁয়োপোকা থেকে প্রজাপতি, কোথায় হচ্ছে নির্মোচন---বোঝার আগেই যে ধারাবাহিক রূপ গুলো সোজা হয়ে দাঁড়াচ্ছে --- তারাই সবাই তো নিরুদ্দেশের শিষ্য
এমন কিছু রয়েছে যেগুলোর জন্য প্রশাসন, বিজ্ঞান সবাই নাস্তানাবুদ হয়ে গ্যাছে কিন্তু কোনো ব্যাখ্যায় দিতে সম্মত হয় নি। লন্ডনের হোয়াইটচ্যাপেলে মধ্যরাত্রে ঘুরে বেড়ানো বিশাল চাদর ও টুপির ব্যবহারিক গুনে যারা তাকে গলির মধ্যেই উদ্ভূত হতে দেখত , গলিতেই হারিয়ে যেতে--- গলির মুখে পড়ে থাকত নারকীয় ভাবে খুন করা দেহ --- খুনের পারম্পর্য যাই হোক, কূলকিনারা হয় নি এসব ঘটনার , দিল্লীর মাংকিম্যান, মুম্বইতে হওয়া স্টোনম্যানের ঘটনা --- শুধু নির্দোষ হত্যালীলা তারপর ধীরে ধীরে বিনা ব্যাখ্যায় তাদের হারিয়ে যাওয়া, হাওয়াই দ্বীপের কাইউয় পয়েন্ট যেখানে দেখা যেত মৎস্যকন্যাদের , প্রমাণ না থাকায় গল্প হয়ে যায় , ১৯৯৮ –এর এপ্রিল মাস লেইকার এবং আর বেশকিছু নাবিক সেইদিকেই যাত্রা করেন চাক্ষুষ লেইকার দ্যাখেন এক নগ্ন এবং অপূর্ব মুখাবয়বের একটি প্রাণী যার কোমর থেকে সাইক্লয়েড আঁশের মতো অংশ দ্বারা আবৃত এবং লম্বা লেজ এবং তীব্র সাঁতারের গতি তার, দেখা দিয়েই নিরুদ্দেশ হয়ে যায় এটি , পরে আবার ফিরে আসলে সৌভাগ্যবশত তিনি প্রচুর ছবি তোলেন জলের ভিতরে যা প্রায় বিখ্যাত কিছু ফটোগ্রাফিক ল্যাবে বারবার নিরীক্ষণ করা হয় এবং আসল ছবি বলে বিবেচিত হয়..., তাহলে বাস্তবিক কথা থেকেই তার হারানো, তারপর অনভ্যাস ,তার আরো পরে এই বাস্তবরাই কি কথার ব্যবহারের আড়ালে রূপকথা বা নিরুদ্দেশের পথে হারিয়ে যায়! এখন কাইউয় পয়েন্টে গেলেই আপনি এদের নাও দ্যাখতে পারেন! কিন্তু ছবিগুলো তো এই নিরুদ্দেশের প্রতি আগ্রহ বাড়িয়ে দিল! ইউ এফ ও নিয়েই ছড়িয়ে আছে অজস্র কথা, এর ভগ্নাবশেষে পাওয়া গেছিল ভিন্ন দেখতে মানুষের রক্তাক্ত দেহ।।প্রথমে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রশাসন , ইন্টেলিজেন্স গোয়েন্দা বিভাগ, এরোনটিক্যাল সেন্টার সকলেই সরব হন এর বিশেষ আশ্চর্য সব বিষয় নিয়ে পরে সময়মতো এরা নিজেরাই অসমাপ্ত তথ্য দিয়ে চুপ করে যান ... প্রশ্ন হচ্ছে কেন! মার্কিন প্রেসিডেন্ট কেনেডির মৃত্যুর সঙ্গেও জড়িয়ে আছে নিরুদ্দেশ বার্তা যা “বাবুশকা লেডি” র বিভ্রাট নিয়ে আছন্ন, বিষয়টি পরিষ্কার নয়। “বারমুডা ট্রায়াঙ্গেল”--- সকলেই প্রায় পরিচিত এই নিরুদ্দেশের রাজখাজানায়।--- কত জাহাজ, কত প্লেন যে হারিয়ে গ্যাছে এই অভিশপ্ত জায়গায় যার না কোনো ধ্বংসাবশেষ , চিহ্ন অবধি পাওয়া যায়নি , সবচেয়ে অদ্ভূত ঘটনা একসঙ্গে অনেক অ্যাভেঞ্জার প্লেন এখানে নিরুদ্দেশ হইয়ে যায়, যেখানে গঠন অনুযায়ী এরা সমুদ্রের জলে পড়ার পরেও অনেকক্ষণ ভেসে থাকার ক্ষমতা রাখে সেখানে এতগুলো প্লেন একসঙ্গে নিরুদ্দেশ হওয়ার পরেও তদন্ত করে খোঁজ নিয়ে কিছুমাত্র হদিশ মেলে না এদের, উত্তর অ্যাটলান্টিক –এর জায়গাটি সম্পর্কে অনেকে অনেক ব্যাখ্যা দিয়েছেন --- আপাত দৃষ্টিতে তা সমাধান বলে মনেও হতে পারে কিন্তু সকলেই এই পথ এড়িয়ে চলে, ঘটে যাওয়া ঘটনার কোনো ব্যাখ্যা বা সুরাহা মেলে নি।বলা হয় সমস্ত অশরীরী অতিপ্রাকৃতকে বিজ্ঞানের কোয়ান্টাম মেকানিকস তত্ত্বই একদিন প্রমান করবে --
একটা ধারারেখ সময় ধরে চলছি --- মাটি আর ধুলো---প্রতিষ্ঠিত ও ঝুরঝুরে ---নশ্বর আর নশ্বরের প্রতি নির্ভর অবিনশ্বর --- এগুলো শব্দের বাইরে একটা ছক
যে ছকের মধ্যে পরিকল্পিত দান হঠাৎ অপ্রত্যাশিত হয়ে ভাগ্যের নাম নেয়---যা দেখছি যা দেখছি না--- সেখানেই চূড়ান্তকে ঠেলে বসানোর ক্ষমতা নিরুদ্দেশকে অস্বীকার করার একটা প্রবণতা কারণ এমন অনেক কিছুই আছে যার কাছে মানুষ নতিস্বীকার করে --- ভালবাসছি , অস্তিত্বের একটা জায়গা যখন শরীরকে গৌণ করে দেয় আর শুধু কোনো বায়বীয় সম্পৃক্তির জন্য আমরা জড়িয়ে ধরি--- সেখানে কি গ্রাহ্য থাকে ত্বক --- ত্বকীয় তদন্তের বাইরে বায়বীয় স্তর আছে --- হাওয়া (টের পাই কিন্তু সামনে বসিয়ে মূর্ত করে ধরতে পারিনা) এই নিরুদ্দেশের যে দেশে যে উদ্দেশ্যে একটা ব্যতিক্রম ঘূর্ণি হয়ে রয়েছে তাকে নাই বা ধরলাম শুধুই মানলাম...