জিনিয়া আর রামপদ

রাজর্ষি চট্টোপাধ্যায়

অথবা, রামপদ আর জিনিয়া। এই দুইয়ে নিয়ে ধন্ধ আর দ্বন্দ্ব বেঁধেছে। আমি নির্দায় তবু দুর্ভোগ আমার। আমি কলিং বেল শুনে উঠে পড়ি আর ভাবি জিনিয়া। নিশ্চিত জিনিয়া। খুলে দেখি রামপদ মুর্ত্তিমান। আমার বিস্ময়ঘোর কাটার আগেই রামপদ বলে, সকালে ট্যাংরা আর পার্শে ছিল মাস্টারদা। তিনশর বেশী। তা তুমি তিনশর দামই দাও।
আমি একা আর আমার বাড়ীর টেবিলে শোভিত বোতল ও গ্লাসও একা দেখে রামপদ ঢুকে পড়ে। বসে যায়। আমি রামপদকে টাকা আর সেঁকা পাপড় আর কী কী যেন এগিয়ে দিই। রামপদ রাম সহ্য করতে পারে না। বলে, ওই বোতলটা নেই!
একদিন নিশ্চিত রামপদ ভেবে দরজা খুললাম। দেখি জিনিয়া। একটা ডেনিম ব্লু আর হোয়াইট পুল ওভার। কায়দার লকস টুপিটা খুলতেই বেড়িয়ে পড়ল। ব্যস্ত সমস্ত হয়ে ঘরে ঢুকতে ঢুকতে বলল, শ্যামবাজারে ওল্ড মঙ্ক পাওয়া যাচ্ছিল, দুটো ফাইল তুলে নিয়েছি। তারপর খরগোশের মতো, মতো কেন? খরগোশের নাল তুলেই বলল, আজ আবার মাছ রান্না করেছ! বলেই, ওর ব্যাগ থেকে ডিও বার করে রুম ফ্রেশন করতে শুরু করল।
মেছুনীর ফুলের গন্ধ ভাল না লাগার মতো ভাল আগেই লিখেছিলাম। এখন একটা ফুলওয়ালীর মাছের গন্ধ ভাল না লাগার মতো ভালোর কথা লিখলাম।