কলকাতা ক ও আখতারি বাঈয়ের শেষ গজল

প্রদীপ চক্রবর্তী


ভাঙা পিউকাঁহার পাশ দিয়ে মানিনী মারিয়ানা
নীল ভোরের প্রণালী ফিঙে
জোছন মেটানো খোরাক
টিনড্রাম নদীর পিন পয়োধর
শরীরী শ্বাসরোধকারী এক রন্ধন
কলের গানে এলোমেলো রাস্তার নাম
ছোট্ট ঢেঁকুরতোলা ভ্রু
যুগল শাটলকক ঝিলিক দিলো চিতাবাঘের ডোরায়


জলেডোবা মানুষের জল
তেলের শিশিতে পানীয় -চশমা
লংকার ডিবেয় লঙইলাচি রাখা পান
হলুদের টোটায় হলুদ
পড়ছে নাকি খলিল জিব্রান...!


দুই)

অন্ধকার খোলে বনগন্ধ
নিরক্ষীয় গ্রীষ্মের বনান্ত গ্রামোফোন
হলকা স্যাডিজমের হাওয়ায়

কুড়ানি
কুকুর

সে মিশে আছে
তার অলীক জুড়ে
পাখিদের কার্ডিয়োগ্রাফে আঁকা লিপলাইনার
ঠোঁট থমকে কয়েকটি ক্রিয়ায়
কে জানতো তার ছায়াতলা আনতে
ঘরের পান্তা ফুরবে...

তিন)

সাতটা কারুকাজমাখা পক্ষীরাজ
ঊনপঞ্চাশ এক ফুসফুস দানা বাটছে

যেদিন বিষাদ ভেঙে বৃষ্টি এল
রাস্তাবাতির পর
হুটারবাতি জ্বেলে
এমন ট্রপিক্যাল রংবাজি
একজন আখতারির চেয়েও
লুনাটিক খুনির পসার বেশী ?

রেঞ্জারের দগ্ধ জীপ
পাগমার্ক
কার্তুজ
ভলিউমে থাকা আলোবোবা হাশিস
জাল খুনির পাহারায়
অমীমাংসিত
মেগাফোন কোম্পানির বাইজী
না বনরক্ষী শমশীর..?