মুখরলাল

সব্যসাচী হাজরা


খুশালির মা আছাড় খায় , হাতড়ে আনে জলসেচ লম্বা লম্বা গানের আগে আগে। শীতের শুরুতেই খুশালির লনে খরবায়ু গাছ খোলাম করে কুচি করে কফি কোকো কাজু... এই তো কফিন খোলা আম নয়। এখন সকাল। রুবেনলাল আমোদ ফেরাচ্ছে আলগোছে আলগায়। আলোয় আলোয় খুশালির বুক খোলাখুলি দাঁড়ায় পানীয় ভেষজে। সবকটা তিসি দু একজন রেড়ী তেলবীজে দোল খাবে বলে...
মৌখিকলাল তারানা শুনতে পায়। যে গানে ত্বরণ নেই সে গানেই খুশালির মা ধান হতে থাকে ... খাম্বাজের জল কাহারবার বায়ু খুশালির পলি কালো রোদ রোদ... অনেক সরোদ খোলে তা্লে মহাকাশ। এখন মুখরলাল , দিলখুশ বাগান , খুশালির মাকে খুঁজছে রেকর্ডে...


ডায়াল সাহেব
হিলহিলানো ভালোবাসে হিক্কা রোডের কেউ কেউ। হুল থেকে কাকু কাকীমা স্বপ্নে দেখে... অসত্য রায় বিলকুল পুড়ছে ছায়াপথে। ওর ভাল্লুক জ্বরে গোগোল আর মহাপৃথিবীর গুলগুল ডাক। চামে কাটা মজুমদার , তাঁর পাশে যম , তাঁর পকেটে দুই-সূর্যের টর্চ , ফুরোচ্ছেই না।
এদিকে ডায়াল সাহেব গাইতে থাকেন “পুরানো সেই...” দু-পায়ে টাওরের জুতো , রোমিং-এর মোজা।
যদিও হিল্কা হুয়া ভালোবাসে হুক্কা রোডের কেউ কেউ। মহানদীর রান্নায় হইচই ঢেলে এই প্রথম হজম হল। ক্যাথোড রায় আলোর পথে হামাগুড়ি দিলে বোবা-কালার শব্দ চুরি যায় অথবা মজুমদারের হাসি চামে কাটে মহাবিশ্বের গুলগুলায়...