মর্মস্পর্শী চিঠি

কচি রেজা


তুমি যা বলার বলে ফেলেছ , প্রতিদিন বলো ,আমিও জানি
পৃথিবী শুদ্ধ হবেনা কোনোদিন
আজ শীত কম বলে কিছু অসফল মানুষ হেঁটে বেড়াচ্ছে রাস্তায়
আমি শঙ্কিত , কারন গত দুদিন ভালো কেটেছে এমন
তোমার অমনোযোগে কোনো প্রান্তরে বাসা বাঁধা হলোনা আমার
মৃত গাংশালিকের পালকে ভরে গেল অসার জীবন

আমিও জানিনা, পৌষের বিকেল থেকে কেন এই বিমর্ষ চিঠি
আমি কুড়োচ্ছি যখন আর ব্যথিত হবেনা তুমি আমিও নির্মিত হইনি
ব্যথার জন্য তবু এই মর্মস্পর্শী চিঠি নিয়ে বৃষ্টির মধ্যে আমি বেরিয়ে পড়ি



উভলিঙ্গ পোকা

গত শতকের কুরুক্ষেত্রে
নিহত ঘোড়া গুলোকে শহীদ বলেনা কেউ

বিখ্যাত কফির দোকানের এত কাছে
তবু ঘ্রাণ কে মুছলো ?
কোনো কাঠবেড়ালি তো নাচায়নি লেজ
টিসুর চাপ নাকি তোমার ঠোট

এক জন্ম শূন্য শিকের অনেক উপরে নদী
এখন পুড়ি , পুড়ে পুড়ে দগ্ধ সময়ের নাম রেখেছি সন্তাপ
.
যেদিন কোমায় অচেতন থাকে অন্তর্জাল
সেদিন কি তুমি চুরি করে নাও আমার চোখ

ষাঁড়ের লড়াইয়ে একগুচ্ছ নান্দনিক অনুবাদ রেখে
মারা গেল আইসড নদী
স্মার্টলি ফিরে এসে আমি শুরু করি দ্বিতীয় কাব্যগ্রন্থ

.তোমাকে চুম্বন করে যে জীবানু করেছি পান
তুমি তার রাখোনি সন্ধান

সাদা ইউনিফর্ম পরে তুমি আমার কাছে আসো
কিছু উৎপন্ন ডিম রেখেছি হারমোনিয়ামের রিডে
পরীক্ষা করে দেখ , কেন আমার চোখে উভলিঙ্গ পোকা

একসঙ্গে নেচে জোড়া লেগে গেছে কবুতর
কাঁটাচামচে বৈশিষ্ট্য কেটে খাচ্ছে ঘনিষ্ঠতা
পাতলা কাচের শব্দে জোড়া লেগে যাচ্ছে ঠোঁট