তিনটি কবিতা

শৌভিক দে সরকার

ছিট মশালডাঙ্গঠ¾
ক্রমশ একটি মাঠ, প্রান্তর হয়ে ওঠে
ক্রমশ একটি চরাচর, জানালার দীর্ঘসূত্ঠ°à¦¤à¦¾ ডিঙ্গিয়ে
খুলে দেখায় চৈত্রসংক্ঠ°à¦®à¦£à§‡à¦° প্রকৃত দৃশ্যগুলি!
হাওয়ার অশন কেঁপে ওঠে
লিফলেট, গতিবিরুদ্ঠহাওয়ার ডানা কেঁপে ওঠে
সংকেত, সাঁকো, তাপপ্রবণ একটি মৌজার সাকিন!

à¦…à¦§à¦¿à¦—à§à¦°à¦¹à¦£à§‡à ° পর সংক্রমণের চিহ্নগুলি
আর মনে রাখিনা আমরা
অর্ধেক দুপুরের সবুজ আর মোবিলের পোড়া দাগের
ওপর এসে বসে অতর্কিত লোকশ্রুতি!


বক্সা ফিডার রোড
মনে করো এটুকুই সাক্ষ্য প্রমানের অতীত
কালো পিচের ওপর গুঁড়িয়ে যাচ্ছে শামুক
মুখ কালো করে বসে আছে দুপুরের পাহাড়
মেঘ জমছে কোথাও
হাড়মাস গিলে ফেলা অতর্কিত মেঘ
টায়ারের দাগের ওপর ঝুঁকে আছে দুপুরের বাহুল্য

শহর থেকে মড়া টেনে আনছে রাবণ,
বাসি রক্তের দাগ ভ্যানের ওপর থেকে
মুছে নিতে নিতে গান গাইছে দশ মাথার রাবণ,
‘শমন দমন রাবণ রাজা
রাবণ দমন রাম…’

বিজন বাড়ি
সামান্য রক্তমাংস হোক
সামান্য শোকানল

সামান্য অন্ধত্ব খসে পড়ুক মেঘবর্ণ পাথর থেকে
নীচু হয়ে থাকা অক্ষর, প্রলাপ ও স্বেদ
নিষ্ক্রিয় পথনির্দেশঠগুলির ওপর থেকে
উঠে যাক বর্ষাপ্রকঠ্পের শ্যাওলা
যৌথ দাগের ওপর বসে থাকুক
অতর্কিত প্রজাপতি
কলরব

বশ্যতার মাঝামাঝি পড়ে থাকা দরজার উল্টো দিকে
ঝরে পড়ুক বিন্দু, বিসর্গ
পৃষ্ঠার অধিকার
গর্হিত হাওয়ার ওপর ঝুলে থাকুক
অনুপ্রবেশৠ‡à¦° দিন ও তারিখ