কবিতা

সুমী সিকানদার

মার্জিন
ফিরে যাবার রঙ দেখা হয়নি তাড়াহুড়ায়
ফ্লাইট ধরার পর জানালায় ঘনিষ্ট রোদ,
ভাসে হাওয়াই মিঠাই।

ফিরে যাবার রঙ ফিকে হয় , গ্রে মার্জিনে ,
ভাঁজ করা হলুদাভ কোণ
সুর না করা লিরিক ,
ছিঁটেফোটা সুরের মাইগ্রেশনে ছটফট করে।

ফিরে যেতে হবে আসসালাতু খাইরুল মিনান নাউম
হারানো গেল যৌথ ভোর ,
পাতারভেলার আওয়াজ ।

আজ ফিরে যাবার রঙ দেখে নাও
ক্রমশ: মিলিয়ে যাবার তুলিময় পথ এখন ফিনিশিং টাচে।
ফিরে যাবার সাথে , ফিরে না তাকানোর অনেক মিল আছে।
তাকালেই এরা ম্লান ,
আলোহীন
এরা ভ্রম
এরা ঘাপ্টি মেরে থাকা পাটিগণিত ।

ব্রেইলে আঙ্গুল রেখে সকাল ফিরে গেছে
চোখ থেকে ফিরে গেছে কোলাহল ।
মন মুছে গেল কী অনায়াসে ,
অথচ কী আয়োজনই না ছিলো প্রেক্ষাগৃহ পূর্ণ করতে !

তোমাকে, থেকে থেকে মনে পড়ছে, ক্যারামেল পপকর্ন।।


মিসকল
খটখটে বিপথগামী ম্যপেল পাতাটা যখন
ময়লাপানিতে টুপ করে পড়ে ভিজে যাচ্ছিল ,
ঠিক তখনই উড়তে শুরু করলাম পরবর্তী জীবনে
লাইসেন্স নবায়্নের সুযোগ ফসকে গেলো এ যাত্রা।

বৃষ্টি ছপছপ , ছপছপ,
ছ্যাদলা পড়া বারান্দা সমেত পিছলে পড়া স্পঞ্জ
ঘানিতেলে চিনেবাদাম, ঝাঁজমাখা মুড়ি।

একরোখা নেভিব্লু , জিগজ্যাগ,
জায়গায় জায়গায় খাবলা করে রিপুস্টিচ।

অল্প করে তাপ এলো, পুরোটা শীতল হবার আগে।
বেশ তকতকে করে মিটে গেছে
বিধর্মী আত্মীয়তাটুকু।

এবড়ো থেবড়ো পাথরের পথ , আবছা আলো, চিকন গলি ,
টুংটাং সাইকেল, চিনতে পারো?
এটাই চেইন পড়া ডেড এন্ড ,

তোমার পালস রেটটা ইরেগুলার , কেন জানি কল যাচ্ছে না।