কবিতা

মেঘ অদিতি

বাইসন
উন্মাদ মনে দিনরাত ক্রিসক্রস খেলে পেন্সিল
চঞ্চল চোখে ঘোরঘোর খানখান ছেঁড়ে রাত্তির

অস্থির ডাকে তক্ষক বৃক্ষের শাখে বিভ্রম
লন্ঠন নিভে ভণ্ডুল রক্তের মাঝে হিসহিস

গনগন আঁচে তন্দুর ভরপুর মাতে জল্লাদ
ইনসান না কি শয়তান দাঁত নখ মেলে ধরছিস

ঝিল্লির মাঝে ছানবিন বাইসন করে উল্লাস
চিৎকার করে সব্বাই নিজ্‌ঝুম শুধু ঈশ্বর



নির্মম
রাত্রির চোখ ঠার হৃদয়ে আলো নেই এই তো নির্মম সময় তোর
বাসস্টপ ময়দান যেখানে পাবি তুই হানবি বারবার আঘাত খুব
বিদ্রূপ বারবার আগুনে পুড়ে খাক হলকা লাগবেই লাগুক আঁচ
নশ্বর পদ্মের পুরোটা খাবি তুই জিহ্বা জঙ্ঘার শতেক ঝাঁঝ

হাড়গোড় চুরমার করে দে প্রতিবার ধড়টা কাটলেই খতম খেল
জিভ তোর লকলক ছিঁড়ে নে ফোটা ফুল জখমি রাতটাও চুলায় যাক
মাংসের স্বাদ খুব যোনিতে মেরে কোপ হাসবি হার্মাদ জিঘাংসায়
কার বুক কার মুখ জরায়ু ছিঁড়ে কার ধ্বংস করছিস জীবন আজ

খুব জোর শীৎকার ধারালো ছুরিটায় বন্ধ্যা মন তোর ছোবল দিস
লাল চোখ লম্পট ছায়াতে রয়েছিস পাত্র উপচায় পাপের বিষ
ছোপছোপ রক্তের লেগেছে প্রাণে টান জাগছে ধুকপুক খতম কর
তুই কার সন্তান কে দিল অধিকার খুবলে নিচ্ছিস শরীর কার

অস্থির বন্দর ছাড়িয়ে যতদূর দৃষ্টি যায় খুব আঁধারকাল
দৃশ্যের ইঙ্গিত হেনেছে নখে শান মুখটা পাণ্ডুর ব্যথায় ভার
কোন এক দন্তুর শরীরে হেনে তির হাসছে খলবল অনর্গল
অদ্ভুত দিন হায় ঝরিয়ে হাহাকার কাঁপছে ভিত আর বুকের ঘর