তিনটি কবিতা

শৌভিক দত্ত

কোজাগরী

ওপার ভাঙছে
এপার পরানো পায়ের কোজাগরী
নাম ফুটলে
উপচানো ঢেউয়ের আদল
পুজোর সমান্তরাল এই পাশাপাশি
পাপ খুলছে
প্রাচীন এক জানালার সম্ভাবনা
মৃদু জাগিয়ে জন্মদিন এলো
এলো ব্যাক্তিগত পোশাক ও অভিনয়
সহজ ভাসতে ভাসতে
রাতগুলো এলোমেলো হয়
মানচিত্রে দৈব ঢুকে পড়ে ...।


ফুলশয্যা


ঘরোয়া সেতুবন্দী হয়ে উঠেছে
আমি শহর হয়ে উঠিনি ততোটা
অবিশ্বাস ছাপতে ছাপতে
ঘাম খুলছি দুহাতে
অথচ
মন্ত্রকে একদিন
মন্থর হেঁটে যেতে দেখেছিলাম
নুড়িবেলায়
দেয়ালে
পুজোর মাংসে অক্ষর ভরতে দেখেছিলাম
আর সকাল হয়ে আসা বাসনকোশনের অনিবার্য
দাঁত ও নখের ধূধূ
ছানা থেকে
ধাতুখোদাই এই দরজায়
তুমি গড়িয়ে দিলে ফুলশয্যা
ঋতুরাও অল্প উশকে এলো ...।


টারম্যাক

প্রিয় সংখ্যার কাছে
আগুন ফেলে আসার মতো উদোম
ইচ্ছের বাইরে
কোনও টারম্যাক বসে নেই
যে লুফে নেবে
এই যৌনতা ও শালসেগুন
পোশাক ছেড়ে
ধর্ম পোষা হচ্ছে প্রতিদিন
ঘুমের বাইরে রাখা তামাক
এই পুষ্টিকর বাজারে
ওঠার ইচ্ছেগুলো সামলে রাখছে
সামলে রাখছে না হয়ে ওঠা ছবিগুলো
শিকারী রান্নারা
আদরপ্রিয়তা ছেড়ে গেছে
তোমার মেহগনি
বাজেয়াপ্ত করছে তোমাকে ...।।