আলোর ইন্দ্রিয়

দেবাঞ্জন দাস

১.
নিজের কাছে একান্ত
হতে হতে
আকাশকে পোষ মানাই

এত বছর পরে গলিটা আমাকে
আর চিনতে পারছে না
আমার জামা কেন সবুজ হল না
এ’কথা আজ নিষ্প্রয়োজন

কেবল সন্ধ্যার জন্য খোলা হয়েছে গেট
আমি বকলেসটা আঁটতে আঁটতে বলছি
নতুন অর্থনীতি বোঝার এই শেষ সুযোগ
প্রতারণার মত সহজ হও...

সন্ধ্যার ওপারে খোঁটায় বাঁধা মাংস ডাকছে
চল, হাঁটি, আলো দেখাই ইন্দ্রিয়কে...

২.
ঘর থেকে দিগন্তকে মুছে দেওয়ার
যখন প্রয়োজন হল
শরবতি লেবুগুলোকে পৃথিবী বরাবর
গড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল

গড়ানো আলোয় আমি
সন্তাই-মন্তাই থেকে বিলাবল—অজস্র মুখ দেখি
অক্লেশে তারা গড়ায়,
বেঁচে থাকে অকপটে

ক্লেদ ও আতিশয্য ছেড়ে একটা খিদে-পাওয়া
রঙ লাগছে দিগন্তে
পাতায় পাতায় ভাঙ্গছে ঘরবাড়ি
সেই ছবি আঁকার কেউ নেই
কেবল অর্ধেক হাসির তাচ্ছিল্য লেগে আছে শরবতিতে

৩.
মৃত আলোকে অভ্রদানায় দেখি
দ্রুত বিছানা পার হয়ে যাচ্ছে সকাল
আর সকল দ্রুততা শেষে
কেবলই জ্বলে উঠছে অভ্রদানা

ওড়াকে হালকা কর
ক্লান্তির পালক
বিশুদ্ধ শ্রমকে
এঁকে দাও ঐ দানার সাথে
লিভো সলবুটামোল এক শ্বাসের মিথ হয়ে থেকে যায়
গোলাপি বেলুনগুলো শ্বাস নিচ্ছে, ছাড়ছে...

এই দৃশ্যকে সাজাতে চাইছে কেউ
ধপধপে বিছানার পাশে ভায়োলেট ফুল
কেবল অভ্রদানায় বৃষ্টি আসে না
ওদের জীবনে শুধু অভ্রদানা আসে...