উদাসীন মল্ট

স্বপন রায়

৯.


দিঘিটা মজে যাচ্ছে, চোখ হয়নি শেষ পর্যন্ত। দীঘল, এবার কি করবে? বেড়াতে বেড়াতে শাল্মলীকেও বলি তুলোর খবর কী? বস্তা কিছু বলেছে? এই রেখাটা বাজার হয়ে যায়। চাহিদা আমার, সেও অটোরিক্সাবাহিত যোগাড়ে। বিন্দুতে তুমি জলের পাস্টটাইম, দিঘি হবে হবে, চোখে আয়তাকার রাখছ। আমি মেনে নেই। সীমান্তে রক্ত গড়ায়, তুলো ভালবাসার কথা বলে, মুছতে মুছতে। চোখ দিঘি হলেই কি সেই সারসটা মাছ তুলবে, একেকটা স্ট্রোক, একেকটা মাছ। মীণাক্ষি তবু দিঘির জলেই বিনা পাওয়ারের চশমা বানালো। ভালবাসল জল ঢালার শব্দে, মাছ ওঠাবার মুহুর্তে বা সেই চঞ্চলতাকে যা পাথর ফেললেই দিঘিতে হয়, কাজল ফেললে চোখে


১০.


এও জানা কথা যে বাঁ দিকের রাস্তায় অদ্ভুত আছে। সেই রাস্তার ছিপছিপে ছায়া আর ছায়ামি। শিকড়ে ওষুধের গল্প। রেলিং আছে, হেলান দেয়ার অপেক্ষা আছে। সব মিলিয়ে আবার একটা ছিপছিপে ফিসফাস। আমি ভয় না পেলেও, এক ইঞ্চি মত ছায়াদুরদুর দেখে অবাক। এও হয়, রঙের ব্যাপারটা এত সহজ এখানে। চোখের রঙ। মুখের, গ্রীবার রঙ। পোষাকের রঙ। না-পোষাকেরও। বুকটুকও আছে। কোথাও শব্দ নেই। কেই কিছু বলছে না। কিন্তু রঙ এভাবেই দুরদুরকে শুমশুম করল। দেখলাম হাসছে। মুখ কোথায়? অদ্ভুত!

আমি ভয় পাচ্ছি। ভাল লাগার ভয়। বাইকের চাকা নেই। তবু যাচ্ছি। লাইসেন্স নেই, দেখে ফেলল কেউ। ভয়ে আমার হাড়ের ভেতর হিম, হিম নয়, কে যেন আসতে চাইছে। কে যেন বলছে, আর কি হবে, নিশ্বাসটা এখানেই ফেলে দাও

দিয়েছিলাম, বাঁ দিকের রাস্তাটা ফিরিয়ে দিল, অদ্ভুত...