বিষাদ এভিনিউ

সুবর্ণা গোস্বামী

মৃত‍্যুর ফেরিওয়ালা গাইছে-"মরণ রে তুহু মম শ্যাম সমান ---"তোমার ওখানে কী দীপাবলী রাত? হয়তো হবে।কী ভীষণ মনে পড়া নিয়ে নামতা পড়ছে পাড়া। পাতার তাথৈ নিয়ে ফুলও অনেকটা বৃষ্টি নেচে নিলো। কিন্তু আসল কথাটা তাহলে ওই। প্রাচীরটা কখনও ফুরোবে না আর তার গায়ে তো দরজাও নেই।মন নেই ধারাপাতে। টুপটাপ অংক খেলায় কতদিন বুঁদ হয়ে আছি। আর হাহাকার! তোমাকে ছোঁয়ার পর আদিগন্ত আমার সূর্য হয়ে আছে। বোবা পাখির কন্ঠে জমা গান হয়ে আছে। তোমার ওখানে বলো, মধ্যরাত কতটা নেমেছে? হাঁটুজল নাকি মৃত্যু অবধি ডুবে? আমার রাতের ভেতরে খুব তুমি খুনসুটি ভরে আছে।আমি তাই যখনই কেঁদেছি মৃত্যুও ফিরে গেছে।

উদিত হয়েছে বিষাদ এভিনিউ । আমি নেমে আসবার পরেই সে উধাও হবে।তারপর দুজন আমরা ডুবে যাবো পানশালায় । মদিরায় রাখব মধু মধুতে রাখব আত্নক্ষরণ।নিভে যাবো পুনরায় জ্বলে উঠবো নিজেরই শরীরে, ততক্ষণ যতক্ষণ না শহরের সমস্ত পৌণঃপুনিক নাভীমূল ভেদ করে ওঠে।
মেলাতে বসিনি শব ও শৈশব। ভয় নেই কোন তাসের দাসে, ভয় নেই অশ্বমেধের ঘোড়ায়।নপুংশক অশ্রুসমগ্র মিলেয়েছে ফোঁটায় ফোঁটায়।নেই করুণাও, যাবে যাও। সিঁড়ি যাবতীয় নেমেছে নিরব আবর্তে।
সুতরাং যখনই হেসেছি ঘুড়ি সব ঈর্ষায় বিবর্ণ কেটেছে।