বনের ভবিষ্যৎ

হামিম কামাল








ওপরে আকাশটা থমথমে হয়ে আছে। এমন অবস্থায় যেসমস্ত আদিম ভূতে এই শরীরটা গড়া তারা সাড়া দিতে থাকে। বলে, আছি তোমার খাঁচার ভেতর আছি। মুক্তি দিতে চাও? যদি চাও তো আজই উপযুক্ত সময়।
নিচে ট্যাক্সিটা খুব ঝাঁকুনি খাচ্ছে। ভেতরে তোলতাল হতে হতে বললাম,‘ এ রাস্তা যেন না শেষ হয় প্রভু!’
পার্লিয়া বলল, আমিও মনে মনে তাই ভাবছিলাম জানো? যদিও এমন রাস্তা আর অন্য কোথাও সহ্য করব না আমি।
কেন এখানে আমরা এমন খারাপ রাস্তাও আর না ফুরোক বলে প্রার্থনা করছি? কারণ আমরা যাচ্ছি একটা সাঁওতাল পাড়ার ভেতর দিয়ে। দু পাশে ছবির মতো গ্রাম। মাটির দেয়াল শনের কুঁড়ে, ধান আর ভুট্টার ক্ষেত, একটু দূরে দূরে ছিটাবন। থেকে থেকেই আমাদের ট্যাক্সি থমকে দাঁড়াচ্ছে শুকরের পালের সামনে। শ্যামবরণ সাঁওতাল তরুণি ওদের তাড়িয়ে রাস্তা পার করে দিয়ে ফিরে আমাদের দেখার চেষ্টা করছে।
কিন্তু আমি তাকে দেখতে যেতেই যেন আকাশ থেকে অসম্মতি। মেঘ গুড় গুড়!
বললাম, ‘আচ্ছা, আমরা বনে ঢুকব কেমন করে বল তো?’
‘বাইরে অপেক্ষা করব বৃষ্টি থামা পর্যন্ত’
‘কিন্তু ততক্ষণে যে বেলা নাই হয়ে যাবে।’
আমরা পথ দিতে দেরি করিনি। কিন্তু পথ খুঁজে পেতে দেরি করে ফেলেছি। সিংড়ার এ বনের সন্ধান আমাদের সহজে দিতে পারেনি কেউ। বাংলার মানুষকে যে বাইরের মানুষের চোখে নিজেদের চিনতে হয়েছে তা তো এমনি এমনি নয়।
হঠাৎ বাতাস ধরে আসতে থাকল। বুঝলাম আর বেশি সময় বাকি নেই ঝড়ের। ঠিক সেই মুহূর্তে দূরে বনের রেখা দেখা গেল।
আমরা একটা সেতু পেরোলাম। তখনও জানি না সেতুর নিচের ওই মরা নদীটাই পুনর্ভবা। মানচিত্রে দেখে আর নামের সঙ্গে মানানসই কল্পনা মিশিয়ে আরো বড়, শান্ত, গভীর পুনর্ভবা দেখব ভেবেছিলাম।
বনের রেখাটা কয়েকবার করে হারিয়ে গেল। সেখানে পৌঁছুতে আরো দুটো গ্রাম পেরোতে হলো আমাদের। এরপর একসময় চারপাশটা ফাঁকা হয়ে এলো।
রাস্তায় বিছানো ইট। ঝাঁকুনি এখানে কম। তবে কাঁপুনিটা বেশি। একটা বড় সাইনবোর্ড দেখতে পেলাম সরকারের টাঙিয়ে দেওয়া। হ্যাঁ আমরা দেশের বৃহত্তম প্রাকৃতিক শালবন সিংড়ার চৌকাঠে পা রাখতে চলেছি।
ট্যাক্সির ভাড়া মিটিয়ে নামলাম। কোথাও আর কোনো দর্শনার্থী নেই। কোনো ট্রিপের আশা নেই বুঝতে পেরে ঝড় নাকের ডগায় নিয়ে ট্যাক্সিওয়ালা আর দাঁড়াল না।
বনের আবহ শুরু। বাতাস শীতল হয়ে এসেছে। দূরে দূরে সবুজ অন্ধকার। এখানে ওখানে গুল্ম আর বৃক্ষে ছাওয়া।
সামনেই একটা শকুন সংরক্ষণাগার। বিরাট খাঁচা। এমন খাঁচা শুধু চিড়িয়াখানাতেই দেখা যায়। আহত শকুনদের এখানে রাখা হয়, পরিচর্যা করা হয়। দেখে মনটা অনেক বড় হয়ে গেল।
খাঁচার কাছে একটি মেয়ে চায়ের সরঞ্জামাদি নিয়ে বসে আছে।
পার্লিয়াকে বললাম, ‘চা খাবে নাকি।’
‘দ্রুত এক কাপ খেয়ে চলো ভেতরে কতটা যাওয়া যায় দেখি।’
কথা শুনে কাঠের পিঁড়ির ওপর বসে থাকা মেয়েটি চোখ তুলে তাকাল। বাঙালি।
‘বনের ভিতরে যাওয়ার চিন্তা থাকলে বাদ দেন। ঝড়ের বাইরেও বিপদ আছে। সেইটাই হইলো বড় বিপদ। আপনেরা অবশ্যি বড় মানুষ। বিপদ নাও হইতে পারে।’
আমি বললাম, ‘কে বলেছে আমরা বড় মানুষ?’
‘আমরা বুঝি বড় মানুষ আমি চিনি না?’
আমি একটা দীর্ঘশ্বাস ফেললাম। পার্লিয়া হাসছে। চা নিতে নিতে বললাম, ‘নিশ্চয়ই চেনেন। বনের বড় বিপদটা কী বলেন তো?’
‘বুঝেন না? সঙ্গে বুবুরে নিয়া আসছেন, বুঝেন না? ফিরা যাইতে পারেন কিনা একবার ঢুকলে দেখেন।’
‘সর্বনাশ। ডাকাত?’
মেয়েটি উত্তর না দিয়ে অপরিষ্কার কাপ ধোওয়ায় মনোযোগী হলো।
তাজা পাতা আর আদার ঝাঁঝ মিলে চা’টা দারুণ।


ভয়ে ভয়ে বনের কিনারে এসে দাঁড়ালাম। পূর্ব থেকে পশ্চিম দিগন্তজোড়া বন।
বন কোথাও এগিয়ে এসেছে কোথাও ঘাসের বন বা ধানের ক্ষেত তাকে পেছনে ঠেলেছে। বনের শুরু থেকেই বিরাট, আদিম সব শাল। আকাশ ঘন অন্ধকার। বনের ভেতর সে অন্ধকার আরো গাঢ়।
সিংড়া বনের উইয়ের ঢিবি বিখ্যাত। কিনার ধরে হাঁটতে হাঁটতেই দেখতে পেলাম প্রায় ফুট দশেক উঁচু তামা রঙে মাটির ঢিবি। উইয়ের এতো বড় ঢিবি আর কোথাও দেখিনি।
বনজীবী মানুষ বোধয় ডাকাতের ভয়মুক্ত অনেকটাই। কারণ অনেক ক্ষেত্রেই এরা তথ্যদাতা। হয়ত তেমনই এক ভয়মুক্ত বৃদ্ধ হঠাৎ উদয় হলো।
আমাদের আগাগোড়া দেখে নিলো আগে। তারপর মেঘের মতো মুখ কালো করে কাস্তে নেড়ে বলল, ‘ভিতরে যাইবেন না খবরদার। পারলে এইখান থেইকাই বিদায় হন। থাকাটা নিরাপদ না।’
‘আপনি চিন্তা করবেন না। আমরা ভেতরে যাব না,’ আমি বললাম, ‘আর মেঘও করেছে আকাশে।’ আকাশের দিকে তাকালাম।
লোকটা তাকাল না। সে তাকিয়ে আছে পার্লিয়ার হাতের দিকে। সেখানে ওর কালোরঙা কমপ্যাক্ট ক্যামেরাটা ধরা। বৃদ্ধ একবার একবার ওটা দেখে তো আরেকবার পার্লিয়াকে দেখে।
দেখে ও বলল, ‘আমরা এমনিতেও বেশিক্ষণ থাকব না চাচা। চলে যাব। আর ভেতরে যাব না, ঠিকাছে। অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। আপনি এই গ্রামেই থাকেন? কী নাম এ গ্রামের?’
অবান্তর প্রশ্নের উত্তর না দিয়ে বৃদ্ধ ঘুরে ঘাস এড়িয়ে হাঁটতে শুরু করল। আমি বনের একটু ভেতরে ধারে মাটিতে আচমকা শুয়ে পড়লাম। কোথাও গেলে এমনি করে শুয়ে পড়া আমার অভ্যেস।
পার্লিয়া আঁৎকে উঠে বলল, ‘পাগল হলে নাকি! বনের আরো কত পোকামাকড় থাকতে পারে।’
বললাম, ‘তা পারে।’
‘তাহলে ওঠো।’
‘এই তো উঠছি। আহ, নির্জন শালবন। কতদিন চেয়েছি এমন একটা জায়গায় তোমাকে নিয়ে আসব।’
মেঘ গুড়গুড় করে উঠল। পার্লিয়া ক্যামেরাটা নিয়ে বনের বাইরের দিকে এগোতে এগোতে বলল, ‘শিগগির উঠে বসো।’
ও ঘুরে ঘুরে ছবি তুলতে থাকল –
ক্রমশ কালো হয়ে আসা বনের গভীর।
উইয়ের ঢিবি।
দূরে গাঁয়ের ছিটাবন।
শিমুল গাছের সারি।
শূন্য ধানক্ষেত। ঘাসের বন।
আমি উঠে বসেছি। বনের এবড়োথেবড়ো মাটিতে কতক্ষণই বা আর শুয়ে থাকা যায়। আর কেমন একটা আতঙ্কও বোধ হচ্ছিল। মনে হচ্ছিল একটা ভালুক বুঝি এই ছুটে এলো। বনের কিনারে যদিও কিছু আসবে না, কিন্তু শোওয়ার ভঙ্গিটা বড় অরক্ষিত।
ঘামতে শুরু করেছি। বসা থেকে উঠে দাঁড়ালাম। পূর্ব তাকিয়ে পার্লিয়াকে ছাড়িয়ে গজ বিশেক দূরে বনের মাটি থেকে একটু নিচু শুয়ে আছে উত্তর দক্ষিণ এক জলধারা। এই জলধারার পাশ ঘেঁষেই হেঁটে বনের কাছে আসা।
আচ্ছা এই ধারাই কি নর্ত নদী?
অসম্ভব না। ধারাটা আরো পূর্বদিকে গিয়ে হঠাৎ দক্ষিণে হারিয়ে গেছে বনের ভেতর। হতে পারে সামনের বর্ষায় সেই প্রশস্ত ধারাটা হয়ে উঠবে।
বনের ভেতর নদী, শোঁ শোঁ জলস্রোত। একটা ভালুক এসে মুখ ডুবিয়ে জল খাচ্ছে। পেছনে অস্ত যাচ্ছে সূর্য। দুপাশে ঘন বন। পাহাড়প্রমাণ শাল, আর অন্যান্য গাছ। নদীর স্রোতে সূর্য গলে আসা অদ্ভুত সোনালী রঙ। আমরা লুকিয়ে আছি কোথাও...
এ হয়ত কল্পনার সেই নদী।
হঠাৎ পার্লিয়া দৌড়ে আসতে থাকল আমার কাছে। ক্যামেরায় একটা কিছু দেখাতে চায়।
এসে ক্যামেরাটা সামনে এগিয়ে দিলো। তাকিয়ে দেখি পর্দায় একটা সঙ্গম দৃশ্য, দুটো প্রজাপতির। আমি অবাক হয়ে সেই দৃশ্যের দিকে তাকিয়ে থাকলাম।
বন হলো প্রাণির সঙ্গমপ্রচুরতার আদিম লীলাক্ষেত্র। এই যে বৃক্ষ আর পশুপাখির এই জৌলুস, এ তো ওই ইন্দ্রিয়প্রণোদনার ফসল। বন হচ্ছে প্রকৃতির ঘূর্ণায়মান চাকার জীবন্ত প্রমাণ আর এই প্রজাপতি দুটোর জীবন, তাদের উত্তরপ্রজন্মের জীবন- এসবের ওপর নির্ভর করছে এই বনের ভবিষ্যৎ, প্রকারান্তরে মানুষের ভবিষ্যৎ।
আমি ছবিটার রূপ আর রূপের ছবিটা থেকে চোখ ফেরাতে পারছিলাম না। পার্লিয়াকে বললাম, ‘কোথাও ওরা? কোথায় পেলে?’
পার্লিয়া আমাকে হাত ধরে নিয়ে গেলো। বনের যে উত্তরপ্রান্তে আমরা আছি সেখান থেকে মাটি ক্রমশ নিচু হয়ে এসেছে। ঢাল ধরে আড়াআড়ি কিছুদূর আরো পূর্ব দিকে হেঁটে আমরা একটা জয়গায় পৌঁছুলাম যেখানে হাঁটুসমান উঁচু সবুজ ঘাস।
ওর দেখাদেখি আমি হাঁটু গেঁড়ে বসে ঘাঁড় গুঁজে সামনে তাকালাম। ঘাসের সূক্ষ্ম ডগা নাকে খোঁচা দিচ্ছে। একটা মেটেল আর ঘেসো ঘ্রাণের মিলিত সংক্রমণে মন অবশ হয়ে যেতে থাকল।
‘কোথায় ওরা?’
দেখতে পেলাম। দুটো প্রজাপতি। কালোর ভেতর উজ্জ্বল রঙের ছোঁয়া। খুব ফুটেছে। উৎরে ওঠা একটা ঝোপের ডাল আঁকড়ে স্থির। আমি মোহিত হয়ে গেলাম। হঠাৎ মনে হলো, এ ওদের সঙ্গোপন বোঝাপড়া। বেশিক্ষণ চোখ রাখা অন্যায়।
আমি উঠে দাঁড়ালাম। পার্লিয়াও।
আকাশ আরো আরো কালো হয়ে উঠেছে। দূরে বনের গাছেরা মাথা নাড়ছে। বাতাস চলে আসছে। বললাম, ‘এদের এভাবে অরক্ষিত রেখে যাব?’
পার্লিয়া বলল, ‘তুমি যখন আসোনি ওরা আরো সুরক্ষিত ছিল।’
‘তা ঠিক।’
পার্লিয়া ক্যামেরাটা প্যাক করতে করতে বলল, ‘চলো। আকাশের অবস্থা বেশি খারাপ। কতক্ষণ থেকে থম মেরে আছে খেয়াল আছে? একটা কোথাও এখনই না দাঁড়ালে বোকামি হবে।’
আমরা ফিরে যেতে শুরু করলাম। আবার সেই সরু জলস্রোতের পাশ ধরে হাঁটা। দূরে এর ওপর দিয়েই একটা সেতু গেছে।
কয়েকটা গাঁয়ের ছেলেমেয়ে আমাদের খুব আগ্রহ নিয়ে দেখছে, একে অপরকে দেখাচ্ছে। দ্রুত পা চালালাম। আর বাতাস শুরু হলো।


এই বাতাসের বন্যতা যে না দেখেছে সেও তার দূরবর্তী পূর্বপুরুষ বা পূর্বনারীর জিনে বয়ে এনেছে। এ ভীতিকর। একইসঙ্গে মনতিরতির আবেগঘন।
বাতাসে শিমুল গাছের তুলার মঞ্জুরি ফেটে বাতাসে তুমুল তুলো উড়তে শুরু করল। অকল্পনীয় দৃশ্য।
ছেলেমেয়েদের সেকী হৈ চৈ! এতোক্ষণে লক্ষ করলাম ওদের প্রত্যেকের হাতেই একটা করে থলে। ওরা জানত!
শিমুল তুলার তুষার ওই অরণ্য থেকে ফসলের মাঠ সব সাদা করে দিতে থাকল। আমাদের গায়ে মাথায় চুলে এসে আটকে থাকল সাদা মেঘের টুকরোর মতো। অবিকল যেন তুন্দ্রা অঞ্চলে চলে এসেছি।
‘পার্লিয়া, এমন দৃশ্য দেখবে কখনো ভেবেছ?’
ছেলেমেয়েরা ছুটি গেছে বনের দিকে, ছুটে যাচ্ছে ফসলের ক্ষেতে। ক্ষেত সাদা করে ক্রমশ বসে যেতে থাকা তুলোগুলো তুলে থলেতে ভরছে। কী উল্লাস! সেই বৃদ্ধকেও দেখলাম তুলা সংগ্রহে ছুটেছে।
পার্লিয়া বলল, ‘কল্পনাও করিনি। কী কাণ্ড!’
আমরা হাত পেতে শিমুল তুলোর তুষার ধরতে চেষ্টা করলাম। ছেলেমেয়েগুলো হাসতে থাকল। আমরাও।
সময়টা চিরদিন আমার মনে গাঁথা হয়ে থাকবে।
বহুক্ষণ থমকে থাকায় জড়ো হওয়া প্রবল বাতাসে মেঘের আস্ত ভারতবর্ষ দেখতে দেখতে দিগন্তে সরে যেতে থাকল। যে বৃষ্টি হব হব বলে সেই কয়েক ঘণ্টাধরে হুমকি দিয়ে যাচ্ছিল, তার দেখা আর পাওয়া গেল না।
আমরা গায়ে মাথায় তুলো নিয়ে পায়ে চলা পথ ধরে আবার শকুনের আশ্রমের দিকে হেঁটে আসতে থাকলাম। চা-ওয়ালী মেয়েটি আমাদের দেখে হাসল।
একটা রিকশা ভ্যান পাওয়া গেল। ওটা ভাড়া করে আমরা মেয়েটির বলে দেওয়া পথ ধরে এক বাজারের দিকে চলেছি। ভ্যানের পেছনে দুজন পা ঝুলিয়ে বসা। পথের দুপাশে ঘন বাঁশবন। মাটি খানিকটা লালচে বলে মনে হলো। রাস্তাটা ভাঙা। বেশ নাচতে নাচতে চলেছি।
পার্লিয়াকে বললাম, বৃষ্টি যে নামবে না ওই প্রজাপতি দুটো জানত, তাই না?
ও বলল, ‘অসম্ভব না।’
‘আর ঘাসের বনে, ওই ডাল আঁকড়ে ধরে ওরা নিশ্চয়ই নিরাপদেই ছিল, তাই না?’
পার্লিয়া শব্দ করে হাসল। ‘না থেকে উপায়?’
আমি রাস্তার দিকে তাকিয়ে বললাম, ‘বা উড়ে গেছে। অসুবিধে কী।’

-
ছবি ১ : শালরাজ্য
ছবি ২ : বনের ভবিষ্যৎ
ছবি ৩ : শিমুল তুষার
আলোকচিত্রী : জাহরা জাহান পার্লিয়া
স্থান : সিংড়ার বন, দিনাজপুর
মাধ্যম : নিকন কমপ্যাক্ট