কবিতাগুচ্ছ

স্বপন রায়

আমাদের গ্যাং, আমাদের উদাসীন মল্ট

আর মোজার কথা ভাবিনা
জুতো অভ্যস্ত এখন
পায়ে থাকে, চকচক করে
অর্থনীতির কিছুটা মাড়িয়ে চলে যায়
মোজার দিনগুলো
তেড়ে ভেজা, ফুটবলের ছায়ায় ঘুমনো
এখন পা লাইন চেনে
মোজাকে সুরক্ষার ক্লাস নাইনে ছেড়ে দেয়
জুতো আমার
তো জুতো আমাদের, আমরা হাঁটছি, বাগানে রচনা ফেলে দিয়ে
চেরি-ব্লজম ইত্যাদি
মোজার পালিশ নেই, সব মনে রাখাই একটা পালিশ, লিখেছিলাম
এত নিরীহ যে কেউ আমায় হুমকি দেয়নি
কপালে পিস্তল চেপে ধরেনি
জুতো জানে, কখনো মশ কখনো কিচ, জানে যে
মোজা আর ফিরবে না
গন্ধ নিয়ে আর কোনও সমস্যাও নেই ইদানিং


পল এলুয়ের, যদি…

পল এলুয়ের, যদি.. স্বপন রায়

পা রাখার, হাতে নেয়ার, সব জায়গাই দুনিয়াকে আর কমলা থাকতে দিলনা
আমি দেখি খুলে যাচ্ছে

ফ্রিকা
য়া
এশি
পরো
উই
অনেকটা গালাকে পটাবার আগে যে সব ভণিতা ছিল দালির

পরে সবই একেকটা জানলাখোলার শব্দ হয়ে যায়, দেখে দেখে বড় হয় গালাকে জানলা দিয়ে যারা
আমি তাদের কাছে থাকি, সবই যেমন করে খায়, শোয়, করে, গালার দিব্য শরীরে হাটকানো ব্রাশ, দালিকে
আমি দিয়েছিলাম।
পল এলুয়ের। আমি। আমাদের সমুদ্রে গাঁ গঞ্জ থেকে রুটির গন্ধ আসে, মেয়েরা সাঁতারে নামার আগে কাল রাতে ঘটে যাওয়া খুন, প্রেম, সঙ্গম নিয়ে আর ভাবেনা। প্রায় একই এখন সব। সমুদ্রে নুন আছে, আর এটাই জরুরী। তারা স্নানের পরেও নোনতা থেকে যাবে। দ্রাম দ্রাম খুলে যাবে সব দরজা। গালা জানলায় এসেছে, দালির অপ্রকাশিত হরফে, ব্রাশ ট্রাশ নয়, পুরো চটকে, দলাইমলাই করে দালি আঙুলে এনেছে ঈশারাগভীর গালাকে। গালা দেখছে। না বুঝেই এই

ফ্রিকা
য়া
এশি
পরো
উই
ভেঙে পড়া। আমেরিকার উত্থান। চীনের বিপ্লব। ভারতের গণতন্ত্র। দালির এই কাজ গুলো আমি দেখেই গালাকে ডেকে নিই। আমি পল এলুয়ের। গালার প্রেমিক। গালার প্রথম স্বামী। গালা, এখন ক্লান্ত, ও জানলার ভাষায় দরজা খোলার আওয়াজ রাখছে এখন। আমি আর ও, এবার ঘুমবো। দালি এসব জানে। দালি এর ভেতরেই ছেতরে দেবে ওর বিখ্যাত ঘড়িটাকে...