দুঃসময়ের পদ্য

গৌতম চৌধুরী

১.
ভেঙেও পড়েনি মন্দির
কেঁপেও ওঠেনি দেবতা
না হোক গে ভরা যুবতী
আমরা বানিয়ে নেব তা

আরে এ যে কচি বাচ্চা!
বাচ্চা ব'লে কি নারী না?
খোল্‌ চের্‌ উরুসন্ধি
দেশদ্রোহীদের পরিণাম
যা বিধেয়, তোরা কর তা-ই
কর দল বেঁধে, দিনভর
দিন এসেছে না – আচ্ছা?
এভাবেই তাকে চিনব

তারপর মাথা থেঁতলে
ফেলে দেব দূরে, জঙ্গল
আমাদের আছে কর্তা
আমাদের আছে সঙ্ঘ

হা হা, ভাঙবে না মন্দির
হা হা, কাঁপবে না দেবতা


২.
ভারি বিপদ। বলেন কী!
কেন, নিজে কি বোঝেন না?
যেদিকে চান – জোর ঝরে
যেন অগ্নিভ ঝরনা

উৎপ্রেক্ষা? বারেব্বা!
আড়াল বিনা কি সুন্দর
বচন হয়? মানছি তা।
হিংস্র খলই পিশুন তো?

ব্যাপার বেশ গোলমেলে
ধোঁয়ায় ঢাকে ঊর্বিপথ
বাক্‌জালের ধুমধামে
মোদ্দা বাত – খুব বিপদ

সহজ ক’রে কন সেটা
সারল্যই মৈরেয়
তার নেশায় হাত মুঠো
লক্ষ একা তৈরি হয়

হৃদয়গুলি প্রান্তরে
শিশিরভেজা পালংশাক
ওড়ো নিশান সশস্ত্র :
গীতবিতান, লালন শা