বেদনা ও মাধবী মুকুট

জুনান নাশিত

বেদনা

ওরা হেঁটে যায় যে যার বেদনা নিয়ে!

আড়ালে দাঁড়িয়ে কাক ডানা ছড়ায়
খুঁটে খায় ওই দূর ছায়ার আকাশ
এ দৃশ্য দেখে দেখে বড়ো হয়েছে যে শিশুটি
সেও জানে
খননে ইচ্ছের ঢেউ তলিয়ে গেলেও বেদনা ভেসে থাকে
নিশ্চুপ শ্যাওলা তলে
বিল, খাল, নদী তেপান্তর পেরিয়েও
কার্ণিশ ছুঁয়ে ছুঁয়ে বেদনা লটকে থাকে
সুতো ছেঁড়া ঘুড়ির ফ্রেমে।

জমে জমে বেদনাও ধারালো ক্রুশ, বিষাক্ত বিষ
ঈগল স্বভাবে রক্তাক্ত করে সাজানো সমুদ্র ঘোর

খিড়কি দরোজা খুলে দাও -
তাকে রেখে আসি শুন্য ইমারতে কিংবা পানাম নগরে।


মাধবী মুকুট

ডুবন্ত সূর্যের কাঁধে অচেনা নদীর স্রোত!!

আমার দু’চোখে দিগন্ত উৎসব
দৃষ্টির তালুতে রক্তবর্ণ ঘোর
আমি দাঁড়ালাম তোমার নিঃসঙ্গ তর্জনীর কাছে
স্বাদ গন্ধহীন সময়ের মতো নিঃশব্দে
তুমি ক্লান্ত জলাশয়ে মেলে দিলে বিভীষিকা রাত
ভেজা ভেজা দীর্ঘশ্বাসে জুড়ে দিলে অতিবৃষ্টির ধার।

আমি ঠায় দাঁড়িয়ে তোমার তর্জনীর কাছে
কাছাকাছি, তবু দুজনের মাঝে গ্রহান্তরের ঢেউ

গভীর ঘন রাতে
তুমি তর্জনী ঢেকে দিলে মাধবী মুকুটে।