কবিতাগুচ্ছ

শৌভিক দত্ত

জলবাড়ী

রাস্তার খোলা নিয়ে ভাবতে হয়
ভাবতে হয় কুয়াশাপোঁতা দিনঢেউ
খরচ পরালে
বরফে ডোবা জলবাড়ী
আধুলী চালান হয় দেবদারুর
অপেরা বানানে
ঘুমভর্তি মৌমাছি আয়ত পায়
চকিত ছিটকে ওঠে
আর জবা
কুসুম ডাকের ভোরবেলা
তিলকষ্ট মুসু হয়ে ভাসে
হাসিদূরে সিঁদুর প্রমাণে ...।।

ঠিকানা

তুমি সাদা চেনাতে চাইলে
বন্দর খুলে দিই
খুলে দিই
দৌড়ে যাওয়া চোখের অসুখ
বাতিল ঘোড়ারা এগোয়
উঁচুনীচু জলের দিকে
সংখ্যাবাড়ীতে বৃষ্টি মিশেছে
অনায়াস টাঙ্গানো নৌকায়
আগুন সেলাই হয় নখ ও ডালিমের
টহলের আগে ও পরে
তদন্তের এপিঠ ওপিঠ
শস্য খুলে দেখি
বিষণ্ণ গুহার তীরে
অদ্ভুত ঠিকানা ফলে আছে ...

নদীসিঁড়ি

রেওয়াজ নামিয়ে
নদীসিঁড়ির কাছে যাওয়া
বর্ষা থেমে আসে শাড়ীতে
এসময় ঝড় নয়
ওঠানামা নয়
ভেঙ্গে পড়ছে মুদ্রাবয়ব
অনুমান ক্ষমতার দিকে
ভয় পোশাকের
জনগণমন বাজছে চৌরাস্তায়
আমরা ঢেউ শিখিনি
সৎকারও
আঙুল থেকে
কীরকম তুলে আনছি শৌখিন বহুতল
আর বন্ধুমাস
মুছে যাচ্ছে হাসপাতালের


লাগামের ঘরবাড়ী ঘিরে
ছায়াভীড়, সেতুর দুপাশেই
কিছু শূন্য বুনে তোলা ...।।