কবিতাগুচ্ছ

বেবী সাউ

b]তৃতীয় নয়ন[/b]

চোখ আঁকো। সাদা। অ্যাপ্রণে জড়ানো দেহ

শ্বাপদ শঙ্কুল।
নিষিদ্ধ রাতের লোভে জেগে থাকে কুকুরের দল

পায়চারি করে। দেখে নিভে গেছে বাতি। আলো।

ফেরে একা। শরীরে জড়ানো তার মৃতদেহ

উঁবু হয়। শীতকাল আসে।



মহাভারত

এভাবে ফুরায় শব্দ। এভাবে প্রতিটি হত্যা; যেন গল্পকথা;
রহস্য আখ্যান

ততক্ষণে ঘুরে গেছে শহরের ঘড়ি।
কাঁটা নেই তার। মোড় নেই।
অথচ রক্তাক্ত।

শুনশান হেঁটে যাওয়া আছে

যেভাবে ডিসেম্বরের রাত হেঁটেছিল জেরুজালেমের পরিত্যক্ত পথে...

সামান্য দেশেই আজ সেই ছায়া বয়ে আনে
উপোসী শকুন


সেলাই

এভাবে ফেরানো যায় কথা?
মেয়েলি সুরের ধাঁচ। বহুকাল গত।

অপেক্ষাও মৃত প্রায়। ছুঁয়েও দেখেনি কোনও অভাগী অক্ষর

এই ঝুলকালিময়; এ সহজ সরলতা
মৃতের ত্যাগের কথা
বলে দেবে সুইসাইড নোটস্!



অসুখ

জিভের আড়ালে বিষ। ক্ষত। বমি।

লালাথুতু নিয়ে হেঁটে যায় গ্রাম্য এ জীবন। মায়া।

আঁচলে লুকানো তার বাসি ভাত। সামান্য লবণ।
পোড়া দেশভাগ কাঁদে।
ভাগ হয় নদী। আর জল। আর ফুল-পাখি

হাততালি দেয় মৃত মানুষের দল...
জোরে আরও জোরে। ধ্বনি নেই। ছায়াটিও মৃত।