আবহমান

ফেরদৌস নাহার

আবহমান

অসুস্থতা আবহমান ট্রেনের নাম
যেতে হয় না, ডেকে নেয়
ডেকেছিল। তারপর ডেজার্ট
কী মিষ্টি, অপূর্ব দৃশ্য স্বাদ

খুব মনে পড়ে হার্বসের মেলা
ভোর বেলা চমকে উঠে
বারবার নদীতে খেলা
এগুলো এগুতে থাকে, তাতে কী
ঘুমের ভেতর একটুকরো ঝড়
সুমিষ্ট ঘনঘোর, প্রবল আলিঙ্গন


রসুইঘরে

একটা নিঃসঙ্গ বাতাস
আমার খেলায় এসে যোগ দিলো
জানতাম না তার নাম ধরিত্রী
অন্ধকার সে এখন ঘুম ভেঙে জাগে

চমৎকার রন্ধন শিল্পের শিল্পী হতে চেয়ে
বাজার থেকে কিনে আনি যাবতীয় আনাজ
অথচ সবকিছু নষ্ট হয়ে যায়
অখাদ্য স্বাদ দিয়ে দাঁড়িয়ে থাকি রসুইঘরে
নিঃসঙ্গ বাতাস ভেংচি কাটে


ধর্মগান

বন্দিরা জেগেছে। এবার আমার ঘুমের পালা
বুঝতে চেয়ে অবুঝ আয়নায় প্রতিদিন ধর্মগান
মাতাল অভিঘাতে বারবার করে যাচ্ছে বে-গান
তুমি তার মানে
মনে নেই কবে জাগরণে শিথিল ঘুমিয়ে গেলে
রাত জাগা মানে, বন্দিত্ব মানে না
তারও চাই দূরের আকাশে আগুন লাগানো পাখি
সীমান্ত সাঁকো পারে লণ্ঠনের ডাক
যাও যাও
অপেক্ষার উপেক্ষা দাগ দেয় পুরানো পাতায়
বন্দি ঘুম শেষ হলে এসব বড়ো অর্থহীন লাগে