আমার মৌসিকীরা

শৌভিক দত্ত



এক
ঘর বেড়িয়ে এলো
আড়ি গোছানো ফেনায়
টাটকা খুচরোর ছেলেবেলা
ভাবতেই
ভি—এ চোখ
ট্যাটুউড়ান
ওঠানামাও অনেক
লালচে ফিরছে দরজায়
সান্ধ্যঝুলে আটকে রাখা শীত
আমাকে পরাও
নকলের আবার একটানা ...

দুই
কাচাবারে ঐ যে বাদামী রোদ্দুর
ঝুমকো থেকে তলবোঝাই চাঁদের জোনাকি
বউনি পড়ে যাচ্ছে শাপলায়
কুলকুচির বাইরে
তার ঘুমন্ত বোতাম
তুমি ঝাউবনে ঠোঁট রেখেছিলে
এ পর্য্যন্ত গড়িয়ে যায়
সাদা সম্পর্কেরা
মৌসিকীর আগে এই খসড়াফেরত
জল পেষাই হচ্ছে কোথাও
রুমাল জমছে নূপুরের বৈঠকে
জমছে বৃষ্টি ফোটানো ছম ...।