আরণ্যক / কিছুটা হিজিবিজি উপপাদ্য

রাহুল গাঙ্গুলী


- ভোর ৫-৪৭_____

টিপটিপ বৃষ্টি পড়ছে অনেকক্ষন ধরে।বাসি বৃষ্টি চিরকালই নতুন ~ কেবল © ঘরটা পুরনো।অনেকক্ষন ধরেই একটা ফুল ফোটা, যেনো ঔরস সিক্ত সোঁদা মাটিটুকু।চাপ বাড়লে ~ মাটির ঘনত্ব বাড়ে।অতএব ছোট্টছোট্ট ব্যারোমিটারের পারদ © ঘন শরীরকথা।জলজ সময়টার টিউন্।বিছানায় ঢুকে পড়ছে নদী, ঢুলছে সর্বনাশ।রোদপালশী / রোদপালসী / রোদপালষী ~ টুকটুকে গাল © তোমাট একটা নাম অন্তত দিলাম ______
:
:
- সকাল ৮-৫৬____

এইসময়টায় ~ শব্দকুচিগুলো যখন পোড়ে, মনে হয় ভাষাটাই অন্তঃসত্ত্বা।বাদানুব াদ চলে © প্রসব © জলছবি © ছায়া।ভিতরেভিতরে জমতে থাকে ভেজা আগুনে জারিত বারুদ।ভিতু হতে থাকি ক্রমশ।ক্রমশ গড়তে শুরু করি বাষ্পীয় ব্যারিকেড।আলজিভের ডগায় নুন {৩য় অথবা ২য় শ্রেণীর)।বার্তা আসে লেনিনগ্রাদ জন্মাচ্ছে ~ কাশ্মীরি ভূমিকন্যার নিষিদ্ধ গর্ভে © নিষিক্ত অতল ______
:
:
- দুপুর ১২-২২______

দীর্ঘতম সময় ধরে জাগিয়ে তুলছি অদ্ভুতুড়ে রোমান্টিকতা।আস্তেআস্ তে নিস্তেজ শহরটার ঘুম ভাঙছে যেনো।খোলা শরীরের আদিমতম উল্লাস © ঢেউ © ঝড় © ছিন্নভিন্ন মানববোমার পার্টিকেলস্।ক্রমশ ধুতরো হয়ে উঠছে শহরের একাংশ।নদীনালা = মন্দারমনী = পর্ণটিউব্ = টিটোয়েন্টি = টিটেনাস্।মায়কোভস্কি, তলস্তয় আর বুনুয়েল ~
১( ফ্যাক্টর X : ভাষা তোমার স্বাধিনতা কয় প্রকার? হেইডা কত্তা।আসমান নীল।বেহেশতেও মাইয়াটারে????
২ ( ফ্যাক্টর Y : ভাষা তুমি কয় প্রকার ও কি কি?
মাট্টিটুকুর লইগ্যে বাবু নাচন দিলি।দিল্লী কইলেক্ মিছ্যামিছি লড়াইছিল্লি কেনে।ভোটবাবুটা?????
৩( ফ্যাক্টর Z : ভাষা তুমি নির্বোধ / মূক / বধির নহে কেনো?
হরুহরু।ডাঙোডাঙো।কুর্ চন্ডি।মুই শাওছি

এভাবেই শুরু আসমুদ্র হিমাচল © ভারতবর্ষ _____
:
:
- বিকেল ৪-২৯____

রক্তচাপ বাড়ছে।এই মুহূর্ত © মুহূর্ত ~ ঘিলুর আলোড়ন প্রবল।আবেদনে সাড়া দিয়ে ~ ম্যাজিক লন্ঠন।সূর্যাস্ত ইমাজিনেশন্ © ফুসফুসের বিকেন্দ্রীকরণে আওয়াজ তোলপাড়।শরীর পঞ্চভুতে মেশামিশি করে।মৃত আবহাওয়ার জীবন্ত গুহাছবি।
মাটি = বাদামী বোঁটার হল্লাবোল
জল = শুধুই ক্ষরন।ক্ষরিতো জৈব আকরিক
হাওয়া = শূন্যজনিতো প্রকাশ } ব্যস্ততা
আগুন = রোশনাইতে পোড়া দিন।অপেক্ষায় রাত
আকাশ = ৪র্থ রোবাইয়ৎ।জ্যোৎস্নাজড় ুল
এগুলো সবই পিকাসো থেকে রামকিঙ্কর বেইজ্।অন্ততপক্ষে রাষ্ট্রপতিভবন শল্যচক্রের অভিসারে ______
:
:
- সন্ধে ৬-৫৯_____

আপাতত ~ আপাতদৃষ্টিতে ঢলোঢলো চাঁদের সোহাগ।ব্যতিক্রমী মধুচক্রে দেখি উপবাসী আলেয়া, কিভাবে বানাচ্ছে সন্ধর্বের যতুগৃহ।হাঁ ডমরুর ব্যবচ্ছেদ : অবশেষে চরম © চরম © অবশিষ্ট গোলাপি বর্ণের ছাই।ঋকবেদ্ শুরু হলো পিছনে।আগাপাছতলায় সুন্দরীর চাকচাক্ মধু © গুটিপোকা © বর্ণান্ধ বেসামাল রজক্।সব উড়ুক © তোমাকে লেখা চিঠ © সীমান্ত © চার্জড্ আণবিক শিরা-উপশিরা ________
:
:
- রাত ১১-৫৮______

প্রতিদিন ~ এই মুহূর্তটাতেই শুরু হয় ডিঙিনৌকার খেলা, যেখানে মাল্লা অথবা মাঝি নিরাকার এবং শূন্যের মাঝামাঝি।দৈনিক শূন্যস্থান © সময়মতো আঠালো © ঘনিষ্ঠ আলোর খনি।খুঁড়ছি আগামী পঞ্চাশ বছর পরের সভ্যতা।ধস নামছে, তবুও খুঁড়ছি।হয়তো এভাবেই কখনো আলোর চেয়েও হালকা জলস্রোত।স্তম্ভের কাছে গিয়ে দাঁড়াই।রিতীমতো পোর্সেলিনের বিষক্ষয়ে সাপের ছোবল চুষে নিয়ে বাঁচার ক্ষমতা।যোগসূত্রে যুক্ত হচ্ছে ঋতু © ঋতুস্বাদ © ঋতুরস © ঋতুস্রাব।স্নানবিদের বলেন লড়াকু রাতের দিব্যি ~ যথেচ্ছ সহবাসের মহুল।বাতাসে গন্ধ ভাসছে পাকা মহুয়াফলের © ইচ্ছেমৃত্যু © অঘোরী চতুষ্কোণ © অঘোষিত ফলন মালিকানা _______


শব্দরূপ : রাহুল