রান্ লোলা রান্

জয়শীলা গুহ বাগচী

ঝুঁকে এল কোমর আরও আরও । টান্ টান্ ইহকাল । ঝন্ ঝন্ করে বেজে উঠল
সংযম । ফলা ছিটকে গেল ট্র্যাক বরাবর । ঘাস গন্ধ মেখে নিচ্ছে ঘাম । কেশর উড়ছে । সহস্র মুখ রুমাল থেকে রুমালি ওড়াউড়ির মাঝে ছড়িয়ে দিচ্ছে শ্বাসের মত
কিছু চিৎকার । শ্বাস আরও শ্বাস । আরও কত পা উঠছে পড়ছে । সমবেত কম্পনে
শিউরে উঠল সময় । পুরনো পাড়ার বাড়ি গুলো আরও কুঁজো হয়ে দ । পিছলে যাওয়া রোদের পিছু পিছু আরও দুটো গল্প পেড়িয়ে গেল কিশোরী নদী । চেনা লাইন সত্ত্বেও । বাজারের কাদায় কি ভাইরাস ছিল ? মাড়োয়ারী পাড়ায় দেওয়ালীর রাতের উলুধ্বনি ।
তারপর অপলক ঘর । এইখান থেকে চিঁহি শুরু হয় উচ্চতায় । এক মেঘ থেকে আর এক মেঘে পা রেখে অ্যালিস মার্কা লাফ । এক পায়ে ভিক্টোরিয়ার আলসে ডানা জড়িয়ে গেলে অন্য পায়ে কুইনের পান্না বসান লন্ খুলে যায় । ঠিক পরেই টাওয়ারের আলোর ফুলকি দিয়ে তালনবমী সারতে সারতে পরের লাফটা সমুদ্র পেরিয়ে যায় মায়ায় । উল্কিকে বাজার মনে হলে উল্কিও এক ঝটকায় ইনকা বন্দর হয়ে ওঠে । এই বন্দরে সব লেনদেন হয় না । এবার সোজাসাপ্টা উড়ান । গা গল্প খুলতে খুলতে মুক্ত বিচ্ছেদ যেন লিট্ল স্টার । অন্ধকারের মাঝে এক অপার্থিব গোলক দেখা যায় যার গা জুড়ে কাচা কাঁথার গন্ধ । ভারশূন্য হয়ে ওঠে স্মৃতি । হালকা আরও হালকার মাঝে বাথরুম পেতে থাকে ...


- ম্যাম ও ম্যাম হিসি কোব্ব ....

- এখন ! তাহলে কিন্তু আবার প্রথম থেকে ....