ফাটাফাটি

সৌগত বালী


ফাটা জেনেছিল এভাবে দৈনন্দিন হস্তমৈথুন করলে একদিন সুতো শেষ হয়ে যাবে তখন শুধু হাওয়া বেরুবে ।সেক্স করতে করতেই দেখতে পাবে পেট ফুলে উঠছে বৌ এর আর এয়ার টাইট চামড়ার লাঠিটি বের করে আনলেই বৌএর পেট ফুস করে কমে যাবে।ওটা দিয়ে বাসের টায়ারে পাম্প দিবি ভালো ব্যবসা চেষ্টা করে দেখতে পারিস।
ফাটা চেষ্টা করে দেখেছিল ব্যবসাটা জমে উঠেছে অথচ রাতে বাড়ি ফিরে রিল রিল সুতো খেতে থাকে সে আর ভাবতে থাকে তার ভাইদের রিলে অনেক অনেক সুতো।

নিরবিচ্ছিন্ন রাতে ঘুড়ি বেড়ে দেখেছিল সীমা বারবার হাই ভোল্টেজ এ জড়িয়ে যাচ্ছে।সীমা সিমের গুণাগুণ জানতে রোজরোজ সিমের তরকারি করে । ইউরিক এসিড বাড়ছে পায়ের পাতা ফুলে যায়।

অবশেষে সীমা বেরিয়ে পড়েছিল কেননা বার বার শাঁখা ভেঙে যাওয়া সাঙ্কেতিক লক্ষণ যুক্ত রাস্তায় । ডান চোখ নাচে ।।। কালো বিড়ালে পথ কাটে।।। সীমা ভয় পায় ।প্রবল ভয়।।
আর মাঝরাতে বাড়ী ফিরে দেখে সে সীমাহীন বাড়িটি ।।। ফাটা ভেবে থাকে হয়তো ভাইয়েদের রিলে অনেক অনেক সুতো সে বাঙ্ক চেক করে দেখে তার জমানো সুতোরা নেই ।।।অতএব বহুমাস চলতে থাকে খোঁজা ।।। ফাটা একদিন কলকাতায় টায়ারে পাম্প দিতে গিয়ে দেখেছিল এক পরম পুরুষ ব্রিজেদের থামে থামে বেঁধে দিচ্ছে বিপদ তারিণীর ধাগা ।।। এ শহরটা একটা বেলুন শালা পাম্প দিয়ে দিয়ে ফেঁপে উঠছে ।।।ফাটা ভাবে এই পরম পুরুষটিকে ধরা যাক ।।। অবশেষে দুরন্ত মেঝেময় চলে থাকে মন্ত্রপূত বাটিটি তারপর উড়তে উড়তে একটা গাঁইয়া উঠোনে সেখানে থিকথিক লোক ।।। মারণ উচাটন ওঝা সুখ্নো লঙ্কা পুড়ছে ঝাঝালো ।।।পরম পুরুষটি বলেন আসলে কিছু নয় এটা একটা হিপ্নাগগিক স্টেট ।।। যেটা ঘুষে গেছে সেটার নাম ভারতবর্ষ ।।।

ফাটা জনতো না সীমার পা ভারি হতে হতে ডেলিভারি রুমে চলে গেছে কখন ।।। ফাটা লেবার রুমে চিৎকার শুনে দেখে সুতোয় জড়ানো বাচ্চাটা একটা রেশম কীট গরম জলে পড়লেই অজস্র সুতোয় পাকানো মেডিক্যাল কলেজ প্রায়শই পুড়ছে।।। আরও মাঝরাতে ফাটা পাছায় চোখ রেখে দেখে বৃহদান্ত্রে একটা পলিপ পায়খানা আটকে গেছে ।।। বদহজম পেঠ ফুলে ফুলে পাহাড়।
ফাটা অনেক রাতে ছাদে উঠে দেখে একটা ফানুস সে আর পা মাটি ছাড়াচ্ছে ।।।ফাটা উল্লসিত । ফাটা জেনে গেল ওড়ার বিজ্ঞান রহস্যটি কেননা এমনি করেই একদিন সে শিখেছিল টায়ারে হাওয়া কীভাবে ভরা যায় ।।।