চাঁদ - রেস্তোরাঁ

অরুণাভ রাহারায়

১৪ সেপ্টেম্বর

কতদিন থেমে ছিল আমাদের এই দেখাটুকু!
আর কত দূরে গেলে চাঁদে ওঠা যায়?

আগে তো দাঁড়াই গিয়ে ছাদে!

যে-কোনও তারাকে ছুঁয়ে দু'জনেই বলি:
কাল থেকে রোজ যেন দেখা হয়ে যায়...


নিঃশব্দ প্রেমিকা


তোমার উপেক্ষা-রং উড়ন্ত গোধূলি...
চাঁদের অপর পিঠে মুখ ঢেকে আছে।

ঘুমন্ত চোখের পাতা বুজে-আসা-নদী।
শহুরে নদীর জলে আলো ধুয়ে যায়...

অফিসের গেটে এসে মুহূর্তে দাঁড়াও--
তখন শরীর দিয়ে বিদ্যুৎ গড়ায়...


হাতছাড়া


তুমি তো নীরব ছিলে, আগ্রহীও ছিলে!
আমিও বলিনি কিছু বহুদিন হল...
এবার তবে কি কথা পুনরায় শুরু করা যায়?

দেখা তো দূরের কথা
কতদিন লিখতে বলোনি বলো তো! অথচ
তোমার কথায় ভর দিয়ে যাওয়া যেত
সিমলা-মানালি...
সেখানে পাহাড় ছিল, গান ছিল আরও

'কি কবি কেমন আছো?'
ছক ভেঙে একবার বলতেই তো পারো!


চাঁদ-রেস্তোরাঁ

চলো, এক বসন্ত থেকে
আরেক বসন্তে যাই

দেখা হোক আমাদের।
তোমার গানের গলা কথা দিয়ে শুনি...
শুনি, ভাল আছে কিনা বাবার শরীর!

চলো,
এক বসন্ত থেকে আরেক বসন্তে যাই...

আমরা দু'জনে ডুবে ডুবে জল খাই...

চাঁদের ভেতরে বসে মুখোমুখি কথা বলে যাই...