ছিটকিনি

বিজয় দে

সেই একটা সময় ছিল, যখন ছিটকিনিকে অনেকে প্রেমপত্র লিখত।
সে একটা সময়, যখন ছিটকিনিকেও অনেকে প্রেমপত্র লিখত। এখন
আর সেদিন নেই। চিঠি লেখারও কেউ নেই। ছিটকিনির অবশ্য এসবে
কিছু যায়-আসে না। আগেও না, পরেও না। কেউ কিছু বলল, যথারীতি
সে নির্বিকার, এখনও চোখটা আলত করে ওপরে তোলে, তারপর
ধীরে ধীরে মুখটা নামিয়ে নেয়। খেলা শেষ। সে হয়তো বলতে চায়,
‘তোমরা তোমাদের মতো থাকো, আমি ঠিক আমার মতো, এর মধ্যে
প্রেমের কথা আসছে কি করে?...’ হয়তো এরকম একটা ভাবনা তার আছে,
কিন্তু এটি একটি সম্পূর্ণ ধারণা মাত্র। আমি একটু অন্যরকম ভাবছি, আচ্ছা,
এত কিছু থাকতে, ছিটকিনিকে প্রেমপত্র... ভাবতেই পারি না, আর এই ইতিহাসও
আমি জানি না। একটা রূপকথায় পড়েছিলাম, একজন কাঠুরিয়া, কি একটা
কারণে, ক্রোধে অন্ধ হয়ে, একটা গোটা ছিটকিনি চিবিয়ে খেয়ে ফেলেছিল।
তারপর থেকে তার সমস্ত বিবাহ নাকি বন্ধ...। তবে এটুকু জানা যায়

রাত বারোটার পরের শরীর, হে কামনাবাসনা, যেন ছিটকিনি-হারা কুটির