হারানো মিছিলের জ্যোতিষ্করা

রঙ্গীত মিত্র

পর্ব- ১

কেউ যেন অন্ধকার চাপিয়ে দিয়েছে। গায়ে যেন বিভাজনের সূচক লাগানো। নিস্তবতারঠএকটা রঙ এসে গেছে,যাকে কেউ ফ্যাসিজিম বলছেন। আবার কেউ কেউ আবার মুখোশ পরিহিত হয়ে,মাংস চেবাতে চেবাতে মজা দেখছেন। আমি যেকোনো প্রকারের এক্সট্রিমঠজম থেকে দূরে থাকি,আমি ব্যক্তি-স্ঠ¬à¦¾à¦§à§€à¦¨à¦¤à¦¾ এবং হিউম্যান রাইটসের সমর্থক। এই প্রকান্ড গরমে,আমার নিজের উৎসাহ ও পেশার কারনের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ঘুরে ভয় নিয়ে ফশল ফলাই। বুঝতে পারছি, হিপোক্রিট, মধ্যেমেধাঠ° সাথে অন্য এক অপরিচিত সংস্কৃতি ছোবল মারছে, ছোবল মারছে করপোরেটরা--- তারা প্রথমেই মুক্ত-চিন্ঠ¤à¦•দের চুপ করিয়ে দেবে,à¦®à¦¹à¦¿à¦²à¦¾à ¦à§‡à¦° পরাধীন করে দেব---তারপর সেই আবার প্রাচীন যুগের দিকে ফিরে যাওয়া। আমি কোনো দলেরই সমর্থক নই, মানুষের সমর্থক। আমি নিজে ওপেন মাইন্ডেট, ফ্লেক্সিবৠ‡à¦² এবং নিজের অভিজ্ঞতার উপর নির্ভরশীলॠযেখানে মহিলার ওয়েস্ট্রাঠ¨à¦¾à¦‡à¦œ হওয়া যাবে না, আবার পুরাতনী ভূত এসে নিয়ে যাবে,নতুন জীবন !

উত্তপ্ত মাঠ,আমাদের বাংলার ফেলে আসা ইতিহাস সব কবরের অন্ধকারে ঘুমিয়ে পড়বে। অহেতুক কোনো ধর্মীও সুরায় মত্ত (অ)মানুষেরা, ¦…ন্যকারুর স্বার্থে নেমে পড়বে----ভালো লাগছে না। না-ভাল লাগার সামনে আমি নগ্ন হয়ে আছি। আমার শরীর,আমার যৌনতার উপর কালো কাজল পড়েছে,ঘরের রঙের ভিতর একটা চাপা উষ্ণতা---সব কাম,ক্রোধ,চ §‡à¦¤à¦¨à¦¾-শূন্য করে,চিল উড়ে যায়। চিলের ফেলে দেওয়া পালকের চারপাশে কাকের ভিড়, কোথাও বেজে ওঠা ডোভার লেন-à¦•à¦¨à¦«à¦¾à¦°à§‡à ¦¨à§à¦¸à§‡à¦° মাতাল রাত,কোথাও পিট-à¦¸à¦¿à¦—à¦¾à¦°à§‡à ° গান। পিট সিগারকে আমি কখনো চোখেই দেখিনি। কিন্তু শুনেছি,মনে ও প্রানে। পিট সিগার,আমার গুরু। পিট সিগারের গান শোনার পর, আর অন্য সব গান কানের ভিতর দিয়ে দিয়ে মাথায় আসেনি।

আমি দেখছি,আমার বাড়ির নিচ দিয়ে বাইক বাহিনী ছূটে যাচ্ছে, তারপর জিন্স পরা মেয়েটির দিকে বিকট আওয়াজ করে বলে উঠছে,’তুমি সিগারেট খাওয়া বন্ধ করো।‘ ‘এই সিগারেট খাওয়া বন্ধ করো’ শব্দটা বাড়ির দেওয়ালে,à¦ªà¦¾à §œà¦¾à¦° মোড়ে,অফিসে এমনকি ফেসবুকের দেওয়ালে ধাক্কা মারছে। তারা বোঝাচ্ছে,à¦¨à ¦¾à¦°à§€ এখনো নাকি ভোগের বস্তু ! এ কোন কলকাতার আমি স্বপ্ন দেখছি ?

হাওড়াব্রীঠœà¦•ে কান ধরে টেনে নামিয়ে নিয়ে আস্তে ইচ্ছে করে। ইচ্ছে করে, ক্রিয়েটিভ,à ²à¦¿à¦¬à¦¾à¦°à§à¦¯à¦¾ লের মুখোশ পরিহিত যেসব বিশেষ প্রানীদের মেয়েদের ইউজ করে,ফেলে দেয়,à¦¤à¦¾à¦¦à§‡à¦°à¦•à §‡ গিলেটিনে মৃত্যুদণ্ড দিতে। গঙ্গার কালো জলে তখনো নারী শরীর স্পষ্ট---আলো ¦° রেখা কেটে ছুটে চলা মায়াবী লঞ্চ,ইংরেজ রাজ্যত্বেঠকথা মনে করিয়ে দেয়,যেমন লাল-রঙা বাড়িগুলো থেকে নেমে আসতেন কোনো পরীর দেশের মানুষজন । একদিন তারা বলে দেবে, বোব্যারাকৠ‡à¦° কোনো জায়গা নেই,কন্ডোম §‡à¦° কোনো প্রয়োজন নেই, নেশার দোকান সব ধর্ম বিরোধি, প্রগতিশীল চিন্তাভবান া দেশ বিরোধী---শুধ § বিভিন্ন-রকঠ® প্রকল্প করে, মুষ্টিমেয় কিছু বিজনেস হাউজের মুনাফা বাড়ানো হবে। তবু কালীঘাটের মন্দির ডাকে, মাদার টেরিজার মূর্তি ডাকে, টিপুসুলতান ের মসজিদ ডাকে--- কলকাতার অলিগোলি দিয়ে আমার ভারত-বর্ষ যে কিনা জন্মলগ্ন থেকেই আপন করে নিতে শিখেছে,আশ্ রয় দিতে শিখেছে,যেঠানে বিভিন্ন সংস্কৃতির আদান-প্রদাঠ¨à§‡ চিহ্ন মিশে গিয়ে ধ্রুবতারার মতো , জীবনের নানারকম স্তরে রাঙিয়ে দিয়েছে। আবার গঙ্গার তির জুরে, পুরোনো বাড়িগুলো নির্বাক হয়ে চেয়ে থাকে, আর দূরের নদীজল আর বিদেশি-à¦¹à¦¾à¦“à Ÿà¦¾, à¦šà§‹à¦°à¦¾à¦‡à¦®à¦¾à¦²à§‡à ° ভীষণ সুখটান,ট্রঠ¾à¦®à§‡à¦° ধীর চলাচলের ভিতর দিয়ে,দ্রুত একটা ক্যাব বুক করে নেয়,à¦…à§à¦¯à¦¾à¦ªà¦¸à ‡à¥¤ যন্ত্র প্রবেশ করছে বেড্রুমে। সেখানেও আবার দেশ বিদেশ ভাগ। চাহিদাগুলৠও কেমন পুরুষ কেন্দ্রিক,à ¦¸à§‡à¦•েলে। একাকিত্ব আর স্বপ্ন ভাঙার দৌড়ে সবাই ছুটছে।

একদিন পার্ক-স্ট্ঠ°à¦¿à¦Ÿà§‡à¦° নাম বদলে যাবে, ভিক্টোরিয়ঠ¾à§Ÿ ভারত-মাতা বিষয়ক প্রদর্শনি হবে, ন্যুডিটির উপর আইন চাপিয়ে দেওয়া হবে,আপনি কতবার বাথরুমে গেছেন—সেঠাও সরকার জেনে যাবে, এমনকি আপনার অজান্তে,à¦†à¦ªà ¦¨à¦¾à¦•েই বিক্রি করে দেওয়া হবে বিদেশি-à¦¶à¦•à§à ¤à¦¿à¦° কাছে। আপনার মদ্যপান,আপঠ¨à¦¾à¦° যৌনতা,আপনাঠ° মেধা,আপনার খাদ্যাভ্যঠস, আপনার সব কিছুই আপনার থাকবে না,রাষ্ট্রৠর মতো থাকবে। সবাই এক রকম হয়ে উঠবে। রাষ্ট্রই বাতলে দেবে, কোন কবিতাটি আপনি লিখবেন, কোন জামা পড়লে আপনি ভারতীয় হবেন, বছরের কবে আপনি উপোষ করবেন,à¦à¦‡à¦¸à¦¬à ¥¤

ন্যাকা,ন্যঠ¾à¦•া আঁতলামি আমি করতে পারছিনা। ডান-বাম সব যেন গুলিয়ে যাচ্ছে। আসলে গনতন্ত্র বলতে এখন বোঝায় যে, এটি এমন একটি ব্যবস্থা,যঠতে মানুষকে ব্যবহার করে,সহজে মুনাফা লোটা যায়। কখনো মনে হয় যে কিসের সাস্টেনেবঠ¿à¦²à¦¿à¦Ÿà¦¿à¦° কথা বলছি? সিংহভাগ এন-জি-ওরাই তো ফ্রড । তাহলে,আমিও কোথাও আলো প্রিয়,হিপোঠ•্রিট? আমিও তো কিছু অপরাধ করে ফেলেছি---খাঠি মনে হয়,এইবার বুঝি ফেটে পড়বো। মাথার ভিতর বিভিন্ন রকম আইডিয়া খেলা করে। স্ববিরোধিঠা খেলা করে। এমন সময়-ই একটা গান বেজে ওঠে,
‘’ If I had a hammer,
I'd hammer in the morning
I'd hammer in the evening,
All over this land’’
আমি নিজে খুব হতাশায় ভুগি। আমি কল্পনায় জেগে থাকি। অহেতুক টেনসান করি,সন্দেহ করি,ভুলভাল মানুষকে বিশ্বাস করে কষ্ট পাই, উপকার করতে গিয়ে দেখি আমার সারল্য ফুটো হয়ে আছে,গোলাপৠর কাঁটা। কিন্তু আমি যেমন বিদেশি à¦¸à¦‚à¦¸à§à¦•à§ƒà¦¤à¦¿à¦•à ‡ মন পেতে নিয়েছি,à¦¤à§‡à¦®à ¦¨à¦¿ আমি ঈশ্বর বিশ্বাস করি---এই মাঠ,মাটি,নরঠ® পাখির আওয়াজ, নিয়ে হারিয়ে যাই। একদিকে আমি যেমন শুনি, ‘ ডাউন বাই দা রিভার সাইড...’ অন্যদিকে আবার মন্দিরে মাথা নত করে পুজো করি।অনেকে বলেছেন,এই তিব্র à¦¬à¦¿à¦°à§‹à¦§à§€à¦¤à¦¾à¦•à ‡ মিলিয়ে দেওয়ার জন্যে আমি পাগোল হয়ে যাবো,à¦à¦•à¦¦à¦¿à¦¨à ¤à¦†à¦®à¦¾à¦° এই অবাক করা ভালো লাগাটা,পিট সিগারের মতো।কিন্তৠ আমার কাজের ক্ষেত্রে সৎ হতে চাই।

মজার বিষয় হল,আমি যতই আর্বান হই,লিবার্যঠ¾ ল হই।প্রেম আসেনা। গোপন আক্ষেপ আমার হারিয়ে যাওয়া à¦¸à¦‚à¦¸à§à¦•à§ƒà¦¤à¦¿â€”à ¦à¦•দিকে ডিজিট্যাল জেনারেশন আর অন্যদিকে ফেক অল্টার নেটিভিটি। কারুর সাথেই আমার মত মেলে না। আমি একা দেওয়া শরীর ঘষি। এযেন ইউ-টিউবের এরোটিকা আর বাড়ির পলিট ব্যুরোর ভীষন সেন্সর সিপ। তাদের কাছে বাইরের স্বাধীনতা à¦—à§à¦°à¦¹à¦£à¦¯à§‹à¦—à§à ¯,ভিতরটা চীনের মতো হয়ে থাক। কিন্তু আমি জীবনটাকে অনেক বড়ো ভাবে দেখতে দেখতে,কখনৠপ্রাদেশিক হয়ে উঠি—একই কথা বলে বোর করি। কিন্তু আমার শহরে এখন বাঙালীর সংস্কৃতির বদলে অন্যভাষা ঢুকছে। আমি অনেক অবাঙালিকে দেখেছি, কত বছর বাংলায় আছেন,তাও তাঁরা নিজেদের বাঙালী বলেন না। কে যেন তবু গেয়ে যান,

‘The water is wide, I cannot get o'er’

কিন্তু আমি যখন দেখি,আমার শহরে হিন্দি বলতে হচ্ছে,আমার শহরে বিকৃত ভাবে বাংলা বলছে কেউ,আমার শহরে আমার à¦¸à¦‚à¦¸à§à¦•à§ƒà¦¤à¦¿à¦•à ‡ নিয়ে ছেলে-খেলা করছে কেউ---- তখন পয়েলা বৈশাখ করে কি হবে... ওরা বাজারে নামিয়ে দিয়েছে,আমা ¦•ে। ধ্বংস হবার আগে আমার অবশেষ বিক্রি করছে। মমির মতো হয়ে যাচ্ছি বোধহয়। প্রশংঙ্গ থেকে আরেক প্রসংঙ্গে লাফ মারছি,যেমন ভাবে ডিজেনারেশঠ¸à¦¨ আসে। যেমন ভাবে,বিলুপৠà¦¤à¦¿à¦° আহবান---à¦¸à¦®à§à¦¦à §à¦° আর পাহাড় দেখছি আমি,সমতল আর মরুভূমি দেখছি আমি, আমি এক জটিল মানসিক অবস্থায়, দরজা খুলে আবার দরজা বন্ধ করে কেন আছি,নিজেই জানি না।
সু-স্মৃতি কিছু আসছেনা । মিষ্টিতে অ্যাসিডের স্বাদ। আমি নিজের রেটিংটাই কমিয়ে দিয়ে, আগ্নেয় গিরির মতো জ্বলছি আর আমাদের অতীত বন্ধ কারখানা হয়ে গিয়েছে। বানানো পুতুল নিয়ে এখন সন্ধ্যে আসে, বিপদের মতো।
অতএব আমি দেখতে পাচ্ছি, রক্তাক্ত পায়ে কৃষক রমনী এগিয়ে যাচ্ছেন। তাঁর কাদা পা, হাতে কাস্তে হাতুড়ি,পুরৠষের আগে তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন,à¦¯à¦¾à šà§à¦›à§‡ এগিয়ে বিশাল মিছিল---অধিক ারের মিছিল,মানবঠ¤à¦¾à¦° মিছিল, জীবন-বোধের মিছিল। মিছিলের শব্দে প্রজাপতিরা উড়ে আসছে, বসন্তকাল চুমু দিচ্ছে সূর্যের গায়ে, à¦¨à¦¾à¦‡à¦Ÿà¦¿à¦™à§à¦—à§‡à ¦² গেয়ে যাচ্ছে,
‘’ This land is your land This land is my land
From California to the New York island; ‘’

আসুন,আমরাও মিছিলে যোগদান করি। সে মিছিল নদীর উপর দিয়ে যাবে, সে মিছিল পাহাড়ের উপর দিয়ে যাবে, সে মিছিল ধান-à¦•à§à¦·à§‡à¦¤à§‡à ¦° উপর দিয়ে যাবে…সেলফ হেলফ গ্রুপ গুলো জেগে উঠুক,শিল্প-à ¦¸à¦‚স্কৃতির ইন-à¦…à§à¦¯à¦¾à¦•à§à¦Ÿà ¦¿à¦­ সেলগুলো জেগে উঠুক, এম-এস-এম-ইগু ¦²à§‹ জেগে উঠুক--- সমাজ-à¦¸à¦‚à¦¸à§à¦•à ƒà¦¤à¦¿-সভ্যতা এবং প্রকৃতির গনজোট লালকেল্লা হয়ে যাও— একবার সমীকরণের উর্দ্ধে ভাবো। একবার বলে দাও,তুমি বেঁচে আছো। একবার সামনে পতাকাটা নিয়ে এসো…

পর্ব – ২


এক
অশান্তির দিন ফিরে এলো। টিভির স্ক্রিনে, রক্তের ছাপ। কাগজ খুল্লেই নরখাদকের থাবা। বিভেদ- বিচ্ছেদ- বিদ্বেষ। জীবনের মুখ যেন ফুলে গেছে। তেমনি বদলে গেছে,আমার পুরনো পাড়া। সব চেনা বাড়িগুলো ফ্ল্যাট হয়ে গেছে আর বেশিরভাগ ফ্ল্যাটের একই নাম,একই রঙ,একই ডিজাইন। তাদের সাথে এই কয়েক বছর আগে পর্যন্ত,কত আলাপ ছিলো। এখনো রিক্সা-স্টৠà¦¯à¦¾à¦¨à§à¦¡à§‡à¦° পাশে,টোটো আমাকে চিনতে পারেনা। অজানা একটি মেয়ে ছুটে চলে যায়,আমার ফেলে আসা পাড়ায়। আমি ট্রেনের শব্দ শুনি।


দুই
আজকাল মাথার ভিতরের রাগ হলে, আলো জ্বলে ওঠে । রক্তপ্রবাঠথেমে যায়। উল্টোপাল্ঠŸà¦¾ চিন্তারা খেলে বেড়ায় আর যখন দেখি,আপনার মুখোশ খুলে পড়ে যাচ্ছে, মাথার উপর ইঁদুর দৌড়াতে থাকে। তবে জানলার কাছে দাঁড়ালে,গণ-à ¦¸à¦™à§à¦—ীত শুনতে পাই। তবে সেই সব দাদারা কই,সেইসব পোস্টার নিভে গেছে কবে।

তিন
আমার মধ্যেও অনেক ভুল আছে। সেগুলোর একটা তালিকা করেছি,যা একে একে লিখছি।
১। আমি খুব অনিশ্চয়তাৠভুগি। এবং দোষারোপ করি খালি ।
২। অন্যের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হই। সাইকো-à¦«à§à¦¯à¦¾à ¦¨ ?
৩। আমি নিজে , ‘না’ বলতে পারিনা, মানুষ চিনতে পারি না।পারসোনঠলিটির প্রবলেম ।
৪। à¦…à¦ªà§à¦°à¦¾à¦¸à¦™à§à¦—à ¿à¦• কথা বলি। ভাট বিশেষ...
৫। নিজের জীবন নিয়ে অতিরিক্ত এক্সপেরিমৠ‡à¦¨à§à¦Ÿ করতে গিয়ে,এখন কেলিয়ে পড়েছি।
৬। কিছু ভণ্ডামি,কিঠ›à§ অন্ধকারও প্রবেশ করেছে। অতীত থেকে পালাতে পারিনা।
৭। কিছুটা বোকা। কারণ সবার সাথে কাজ করতে পারিনা। à¦®à¦¿à¦¡à¦¿à¦“à¦•à§à¦°à§‡à ¸à¦¿à¦•à§‡ ঘেন্না করি আর অন্য পৃথিবীর স্বপ্ন দেখি (মানসিক রোগ ?)

চার
এতো লড়াই, এতো যুদ্ধ, এতো মৃত্যু--- আমি সমর্থন করিনা। আমি প্রকৃত ভাবে মানুষের দলে। জীবনের দলে। কোনো প্রকারের ফ্যাসিস্ট শক্তি,à¦•à¦¨à¦œà¦¾à °à¦­à§‡à¦Ÿà¦¿à¦­ শক্তিকে সমর্থন করিনা। সিউডো-à¦¢à§à¦¯à¦¾à ®à¦¨à¦¾ কোনো পাওয়ার স্ট্র্যাকঠারকে আমার ভালো লাগে না। তবে এখনকার সময় আমায় গুলিয়ে à¦¦à¦¿à¦šà§à¦›à§‡à¥¤à¦•à§‹à ¦¨ দিকে যাবো? এতো অন্ধকার যে ওসা,আই-এস-ও এইসব কাজে লাগছেনা। ব্যর্থতার উত্তরে বারুদের স্পার্ম লেগে আছে। কখনও ওরা আমাকে নিয়ে মজা করে। আমি ভাবি,আমি কেন ওদের মতো নই ? পাশ দিয়ে সুন্দরী মহিলা চলে যান,পাত্তা না দিয়ে। সেক্স-à¦¶à¦¬à§à¦¦à Ÿà¦¾ কন্ডমিও বারমুডা ট্র্যাঙ্গৠ‡à¦²à¥¤ রামের বোতল উবে গিয়ে, কালো কাঁচের গাড়িটা হুশ করে চলে যায়। অথচ আপনারা কি ভাবছেন,à¦†à¦®à¦¾à ¦° তাতে নাকি কিছু হয় না। যদিও উপরে ওঠার সিঁড়িটা আমি জানি না। ভেবে চিনতে কিছু লিখতে পারিনা। কিছু নকল, মাথামোটা,à¦…à ¸à§Žà¦²à§‹à¦•à¦œà¦¨ খেলে যায়। তাদের দেখেই বুঝি,এরা কপি-পেস্ট,à¦à ¦°à¦¾à¦‡ সহজে জিতে যাবে। এরকমই সমাজ আর আমি আলাদা হয়ে,নিজের কথাই বেশি বলতে বলতে বিরক্তিকর হয়ে,à¦ªà¦¾à¦—à¦²à¦¾à¦®à ‹ ফেলে যাই আর তার গন্ধে পরীরা আসেন যদি,যদি এই ভাবে,আমি একদিন সব বদলে দিতে পারি। কিন্তু কারুর সাথেই আমার জমে না। আমার নিজের গুটি-কয়েক বন্ধু,যারা আমাকে সহ্য করে চলেছেন। তবে আমার বন্ধুরা,এইঠ¸à¦®à§Ÿà§‡à¦° শ্রেষ্ঠতম মানুষজন। তাদের সেলাম। অনেক ঋণ,তাদের কাছে।অনেক ভালোবাসা...অ ¦¨à§‡à¦•, অনেক পথ হাঁটা।

পাঁচ
আমি এখনো মিরাক্যালৠবিশ্বাস করি। ঈশ্বরে বিশ্বাস করি,ভূতে বিশ্বাস করি। কিছু কুসংস্কার, কিছু বিপ্লব, পূর্ব-পশ্চঠ¿à¦®à§‡à¦° সঙ্গম। রাতে ইউটিউবে ব্লু-ফ্লিম দেখি, ফোক মিউজিক দেখি আর ভাবি কোনো এক পাহাড়িয়া গ্রামে চলে যাবো আর লালনের মতো একটা সোসাইটি বানাবো। তবে আপনার সর্ট-স্কারৠà¦Ÿ ভাল লাগে,à¦…à¦²à¦¿à¦ªà¦¾à ¦¬à§‡à¦° বিয়ার কখনো ঘন-কালো আকাশের নিচের সুখটান কিন্তু আপনার কি ভাল লাগে কখনো জিজ্ঞাসা করেছি ?

ছয়
আমারও অনেক অসুখ আছে। আছে লোভ। আমি খুব ভয় পাই যে,একা , দূরে চলে যাবো। একা রাস্তায় হাঁটলে মনে হয় কোনো গেরিলা-à¦¬à¦¾à¦¹à ¿à¦¨à§€à¦•à§‡ লিডার-শিপ দিচ্ছি। কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ আমাকে বোঝেনা,আমি খুব চীৎকার করি,আমি খুব খারাপ চীৎকারে আটকে আছি। কিন্তু ভদ্রলোকের মুখোশ পরিহিত শয়তানদের চিহ্নিত করা জরুরী।দরকঠ¾à¦°à¥¤

সাত
আমার সিক্সথ সেন্স কাজ করে। স্বপ্নে দেখি,কি খারাপ হবে। আর খারাপ লোকের সঙ্গে আলাপ হলে,আমার মাথার যন্ত্রণা হয়। নেগেটিভ ফোর্স ভাল লাগে না। একঘেয়ে মানুষ দেখে বেশ বিরক্ত। আমার মনে হয়,বড় কোন কিছুর জন্যে তৈরি হচ্ছি।আসলৠ‡ জুতো-সেলাই থেকে চণ্ডীপাঠ সব করেছি। অনেক অভিজ্ঞতা হয়েছে,হচ্ছ §‡à¥¤ এতো ধরনের চাকরি করেছি আর ভাল লাগে না। তবে অনেক বরফ জমে আছে। তাই আমার মনে হয়,সামনেই সাফল্য আছে। সেই আলোটুকু দেখতে পাচ্ছি। একটু নিজেকে উত্তেজিত করা দরকার,à¦œà¦¾à¦—à§à °à¦¤ করা দরকার। না হলে,à¦¸à§à¦‡à¦¸à¦¾à¦‡à ¦¡ করতে ইচ্ছে হয়। তবে আমি জানি,আমাকে একটু অপেক্ষা করতেই হবে,কারণে এতদিনের লড়াই,এইবার জয় আসবেই। সেই সুদিনের জন্যেই আমার হেঁটে চলা। আমার চারপাশে, ভেসে যায় হলুদ পাতারা,ভেসৠ‡ যায় খারাপ মানুষেরা,ভৠ‡à¦¸à§‡ যায় আমার অপছন্দরা। যদিও টাকা আর ক্ষমতা দিয়েই সব অর্জন করতে হয়। বাকীটা অভিনয়। এ-পক্ষ ও-পক্ষ সবাই সমান। শেষ লাইনে লিখে রাখি,আমি সব বিশ্বাস করি,আবার অবিশ্বাস করি। আমি নিজের নিয়মে চলে। আমার হাতে আলোর দানা আছে। এখন ছড়িয়ে à¦¦à¦¿à§Ÿà§‡à¦›à¦¿à¥¤à¦à¦‡à ¬à¦¾à¦° বড় বড় গাছে ভরে যাবে। আবার নতুন দিন। সেই সুখের জন্যেই,à¦à¦—à¦¿à §Ÿà§‡ যাওয়া…