স্ক্রীনশট

ঈফতেখার ঈশপ



à¦¸à§à¦•à§à¦°à§€à¦¨à¦¶à ¦Ÿ

à¦¬à§‡à¦à¦šà§‡à¦›à¦¿à¦²à¦¾à ® à¦•à¦¿à¦‚à¦•à¦°à§à¦¤à¦¬à§à ¯à¦¬à¦¿à¦®à§‚à¦¢à¦¼ সময়ে; জন্মগত আনন্দ বলতে অশ্রুবিসরৠজন। এখনো রাতদুপুরে ফ্লাইওভার কাঁধে নগরীর বেদনাহত চেহারায় নিজেকে দেখি...

কিশোর-à¦®à§à¦¦à§à °à¦¾à¦° উল্টোপিঠ হাতড়ে পাই কিছু অপরিচিত নিঃশ্বাস।ঠলঝেইমার্স সিনড্রোমে ভুলে যাই 'কবে কার ওড়নায় ঢেকেছিলাম মুখ '।

ব্ল্যাক-à¦†à¦‰à ¦Ÿà§‡ ডুবে যৌবনা রাত দেখি,অন্ধক ¦¾à¦° মাখি ফটোশপে আর বিছানা-প্রঠšà§à¦›à¦¦à§‡ এঁকে দেই আগুনের স্কেচ।

এভাবেই যাপিত নাগরিক ওয়ালে আপলোড করি বেদনার স্ক্রীনশট..

দহন

আকাশের ঠিকানায় চিঠি লিখতে বলে রুদ্র'ও চলে গেল;তার সাথে কখনো বিড়ি ফুঁকি নি!তবে সিঙারা খাওয়ার খুব ইচ্ছে ছিলো;সকালে- সন্ধ্যায়।

তারও কয়েক দশক পর,একদিন
হাসতে হাসতে বাবাও চলে গেল;
অথচ আমার সাথে বাবার বরযাত্রী হওয়ার কথা ছিলো।

তারপর,
ভোররাতে জেনেছি
কখনো-সখনো বাবারাও ছবি হয়ে যায়!


কবি

মেঘের ডাক শুনে যারা ভয় পেতো তাদের à¦ªà§à¦°à¦¤à§à¦¯à§‡à¦•à§‡à ° আলাদা স্ল্যাং নাম ছিলো। এই যেমন-à¦—à§à§œà§à¦®à ¿, গুড়গুড়ি, গুড়িণী। যারা বৃষ্টিফোবঠয়ার দিনগুলোতে মাথা-মোটা পিঁপড়ে হয়ে থাকতো,à¦¤à¦¾à¦¦à§‡à ¦° জন্য বরাদ্দ ছিলো চিড়া-মুড়ি। কাশবন ও শাদা-মেঘের ব্যবহারিক ক্লাসে "রোদ-বৃষ্টঠ¿'র" অস্ত্রোপচঠ¾à¦°à§‡ যারা দর্শক ছিলো তারাও একদিন শিমুল তুলো হয়ে উড়ে শঙ্কিত গন্তব্যে;à¦‰à §œà¦¾à§Ÿ জান্নাত..

তারও কয়েক শতাব্দী পর;
দলছুট পাখির ঝরে যাওয়া পালকে জন্ম নেয় কয়েকটা গন্ধরাজ আর গোটা বিশেক সারস। এদের ঠোঁটে থাকে প্রেমিকার লালা,চিবুকৠ‡ হেমন্তকালॠ¤à¦¹à§‡à¦®-রাঙা সকালে ঘাসফুলের সৌরভ মাখাবে বলে বিপদগামী কেউ কেউ ছিঁড়ে ফেলে জামার বোতাম,ব্রা'à ° হুক।

আমরা তাদের নাম দেই 'কবি'।


একটি পরমাণু গল্প

অবশেষে ঝরে পড়ল অশ্বথের শেষ পাতাটিও...

পাশাপাশি খাঁচায় বিপরীত সম্মোহনদৃঠ্টি।জীবন্ঠ¤ প্রাণের নির্জীব উচ্ছ্বাস সালফিউরিক বাতাসে ভাসে অদ্রবণীয় মিশ্রণ।মাচ ানে দোদুল্যমাঠ"শুটকিপরিঠার" অতীত জলের ব্যাকরণাদঠমুছে দেয়।

ফিরে না তাকিয়ে ফিরে গেলো খোঁপার' মা
করতলে কোন ঘ্রাণ নেই...