শ্লোগান

স্নিগ্ধা বাউল



শ্লোগান
,,,,,,
চাকরির ফি পয়সায়
শেষ সম্বলের অম্বলে
বাড়ন্ত চশমার ক্ষমতায়
খিঁচিয়ে উঠা গলার ভেইনগুলো
শ্লোগানের মতো জ্বলে।



সেনসিটিভ জিহ্বা
,,,,,,,,,,,,,

ইদানিং আমি মুখ আর মাছের পার্থক্য করতে পারিনা
মীনমুখ না মুখমীন যেন এবং আমি
খেয়ালে দেখি লকলকে ছিপ আমার;
সাদা নাইলনে পরুপক্ব শিকারীর চোখে
বেঁধে নিয়েছি রূপসা স্যান্ডেলের বোঁটা;আমি
অবাক হই, আমিই টুকরো টুকরো করেছি লাল কেঁচো
দক্ষ প্রশাসকের মতো গেঁথে রেখেছি, যেন
আরও পটু আমি
এবং প্রতিদিন আমি ওৎ পেতে থাকি।
জেনে রাখিন- আমি
হিজলের তলায় বসি, চারটি সিঁড়ি ভেসে
আছে, ডুবে গেছে
একটি, পা ডুবিয়ে রাখা অস্হির জলে।
জানতাম আমাকে অপেক্ষা করতে হবে
আর যারা করে আমার মতো শিকার, মাছ
অথবা পায়ের চিহ্ন;
মানুষ শিকার করা যায়, আমি কিন্তু শিকারী।
প্রতিদিন আমি শিকার করি মুখ
প্রতিদিন আমি শিকার করি থুতু
প্রতিদিন আমি খাই মানুষের মুখ
প্রতিদিন আমি খাই আমার থুতু।



পথরাজপথ
,,,,,

চলো বাড়ি যাই
হলো তো কিছু গরাদ দেখা
আইল ফোঁকরে রাখা সময়
জীবিকা জীবনের তুলকালামে;
জানালা গলিয়ে ঠ্যাং নাচাবো
পাটকাঠির বাঁকে হাসি
শহর টহর পড়াশুনা কাটিয়ে কুটিয়ে
চলো বাড়ি যাই।

জানি, বাড়ি যেতে মন চায়
প্রতিদিনই ইচ্ছে করে
ফেরত জুড়েই মায়ার মায়া
আতু্ড় ঘরের ছায়া যে।

মঞ্চ গণতন্ত্র বিশ্ব কাঁপানো
আদিখ্যেতার ওসব ছাড়ো
রাষ্ট্র তাদের সময় যাদের
ওষ্ঠে কেবল লালার ধার

চলো বাড়ি যাই
বাড়িতে ফিরি
আন্দোলনের দিন তো শেষ
বাড়িতে নাড়িতে মিশে যাই চলো
যুদ্ধ লাগলে দেখবো বেশ।




চিল
,,,,,,

ঠিক কতটা কোথায় ক্ষত
বলতে পারা যায়নি
কয়েক ইঞ্চি তীব্র ব্যথায়
খুবলে নেয় যেন মাংশাসী চিল
হায় চিল! কবিতার চিল!
তীব্র নখর চিল!
এত কাম চোখ জ্বলে যায় যেন
ঘাম গলে আসে নারী দেহে।
তোমরা নপুংসক হও দেহধারী
কয়েক ইঞ্চির যন্ত্রণায় জ্বলো
অভিশপ্ত হয়ে আমি অভিশাপ
দিলাম, যদি
ধর্ষণ টিকে থাকে
তোমরা নপুংসক হও।