ব্যক্তিগত শোকবার্তা

চাঁদনী মাহরুবা




ব্যক্তিগত শোকবার্তা

পায়ের নিচে থাকা ভিটেমাটি
ভাগ করে নিয়ে গেছে কেউ.....
পড়ে আছে কেবল নারিকেল পাতার মত নিপাট মায়া..... গৃহের শোকাবহ। ছুটি হলে কে যাবে কোথায়? কোন ঘর হাত পেতে নেবে বিষণ্ণতা তোমার?কার রাতের কাছে জমা রাখো কপালের ভাজ? স্নানঘাট জোরা গলনাঙ্ক নিতী... বলে দাও অঢেল গল্প এমন...... আঙুলহানির দুঃখ। বালুঝড় বুকের উজান।
বলে ফেল....


আয়ুরেখা ধরে চলে গেছে যে নিরীহ জীবন
নেপালে বিদ্ধস্ত প্লেনে পাওয়া চিরকুটের প্রতি


পিঠে ডানা গজানোর ব্যাথা নিয়ে পরে আছি। দৃশ্যের ভেতর আমার চোখেমুখে ফুটছে পানিফলের স্মৃতি। হাওয়াইমিঠাই থেকে উড়ে যাচ্ছে গোলাপি ঘ্রান। পুরে যাচ্ছে রানওয়ের পাশে নিরীহ মোনালজীবন। আমার আয়ুষ্কাল নিয়ে ফুটছে তুমুল মিলিশিয়া। ডুংরির মোতি থেকে ছুটে আসা দুপুর ঘেঁষে আমি লিখছি...
যদি ভালো নাও লাগে, তবু শরীরে তুলে নিও এই লাল!!

যেভাবে পা টেনে চলো

এইসব খসে পরা চুন-সুরকি কোঁচড়ভরতি করে
পাড়ি দেয়া মেঘনার কনিষ্ঠ বুক।
যেখানে জল ও গভীর হয়
আর একটু করে বাড়তে থাকে জলডুগি মাতাল দহন।
আমরা কামরাঙা গাছে পা ঝুলিয়ে সাবালিকা হবার গল্প করেছিলাম।
কিভাবে একশ' একটা হাতের তালুতে গজিয়ে ওঠে বনসাই।
বনসাই না ব্রকোলি?
ভাজ খুললে উঠোন খরায়
গিট খুললে ঢাউস দুপুর।
ঈশ্বর সাথে করে নিয়ে গেছে,চৈত্রের বেদাত পুকুর।