জলসাঘর

রাহুল গাঙ্গুলী





ফেরতযোগ্য অনুভূতি চতুষ্কোণীয় পলায়নপর হলে - সমুদ্রের নরম ত্বক স্পঞ্জের চেয়েও শিথিল।একটা পাগলা ঘন্টির আওয়াজ ফাস্টএইড সেন্টার লুঠ করে।উল্লাসিত শিৎকার।বিপর্যয় সম্ভাবনায় শামুকমুখি সূর্য তোমার কপালে ঢালে সিঁদুর।।
কাঁচা মাংসের গন্ধের মতো - তোমার গোলাপি আভা কখন যে এতো বিশ্বস্ত হলো।ভাবলেই মানসিক অস্বাভাবিকতা........




মেঘ থেকে মেঘে মিথুন ঘর্ষণ - তাই বলে শরীরের তাপমাত্রা অনেকটাই বাড়বে - একথার প্রামাণ্য দস্তাবেজ নেই।
হাতে ওঠা সদ্য মুঠোফোনে আকাশের অনুলেপিত মেজাজ।
স্থায়িত্ব কমছে - নিভৃত বংশগৌরবে বিকোচ্ছে জলসাঘরের ঘুঙুর।।
বেলোয়ারি আয়নাগুলো ভেঙ্গে দাও - কড়িকাঠে ঝুলন্ত খেয়াল!
দৃশ্যগত বিশেষ বিশেষ সময়ে আজকের খবর জুড়ে "কারখানা লকআউট"।।




অঙ্কুরিত ছোলার বোঁটায় পাখিদের শিষ মাখাতে চাইলে কাঁচগুঁড়োর হাওয়ামহলও নগ্ন হতে চায়।চারিদিকে অসময় ও ফায়ার ব্রিগেডের গাড়ি।।
রাস্তা সামালকে বস্ - সানাইয়ের শব্দে তৎপর যাজক গুনক।
সেলাইয়ের মেশিন বা বিড়ালছানার নীল চোখ - উপমহাদেশ মানেই কুলকুচোতে ফুচকা চাখার গপ্পো।।
শাখা-প্রশাখায় ভীনদেশী শাষক মাঝেমধ্যে লুডো খেলে চিলেকোঠার ছাদে।।




নষ্ট আত্মকথায় অভাবী অভিমান লেগে থাকে। লেগে থাকে নখের চার দেওয়ালে বিন্দু সূচক।
যে দিক দিয়েই দেখা হোক না কেন সেই পুনরাবৃত্তি।বিচারকের আসনে পৃথিবীর শ্রেষ্ঠতম জীব - অভিযুক্ত সন্দেহাতীত ভাবে বেবুনের দল।।
বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠে ইয়ে দিল মাঙ্গে মোর - অপরিচিত সহাবস্থানে মাটির মদিরামুখি রথের সারথি।।
- কোন বিশ্বযুদ্ধে পৃথিবীর ভূমিকা নেই?এলোপাথাড়ি খরার বিচ্ছিন্নতাবাদ।।




রোজরোজ ক্যানেস্তারা পেটানোর উৎসবে - সেকেন্ডারি দেওয়াল - চুনকামে "মেরা ভারত মহান"।তাই বলে - ভাত ও পেটের তত্ত্বের সাথে সায়া ও পেটিকোটের সম্পর্ক স্থাপনে কোন রাসায়নিক বিক্রিয়ার বিগ্যাপনে কোন রাসায়নিক বোমা উৎপাদনের শিহরন - কেউ জানে না।
আসলে মৌনতার মৌতাতী কারণ - কবি ও কবিতা মূক ও বধির।
বিগত চারশো বছরের ঘাম চাটা তপস্যায় আত্মদহনের মেলোডিয়াস অভ্যাস।
এখনো স্বীকার্য ঝর্ণাকলমে বিজারণ ইতিহাস - রাষ্ট্রীয় খোশমেজাজে রামরাজত্ব - কিছুটা মাটিতে,কিছুটা বোতলে।খোলশের আস্তরণ কিন্তু সমানুপাতে ঘুনবাসা বাঁধে।।
২০১৬ - এখনো কিছু অন্তর্মুখী ইটারনাল থ্রেট সামবেদীয়।।




মাফিনামায় সঈ করে দিও।যে কোনো প্রশ্নের যে কোনো উত্তর দিতে কখনোই দায়বদ্ধ নই।অলক্ষে ষোড়শী বিষন্নতা - ধার করেও পোড়াতে পারব না জারজ তাপ।
তুমি আকাশী চৌহদ্দিতেই নিজেকে হত্যা কোরো - ইন্ধনে এদিককার সহজাত মেঘ।।
কে যেন লিখেছিল - ঋন হোক তবু উষ্ণতা ত্রুটিপূর্ণ নয়।
জারনে-বিজারনে লিখে ফেলেছি প্রথম শরীরের গোপন সঙ্গমস্থান।যেখানেই অপ্রয়োজনীয় - সেখানেই চুমুতে চুমু ভরিয়ে দিও।।
দেখাই যাক - হিরোশিমা নাগাসাকি চেরনোবিল পোখরানের পর - কোন ইতিহাস পাঁচ টাকায় ফুটপাথে নিজেকে বেশ্যা বলে দাবি করে।।
আহা হা হা - মুফতে কর্ণের দান।।




তলপেটে যে বেগ অনুভব করি - কবিতার জন্য যথেষ্ট নয়।জীবনানন্দ কখনোই হতে পারবো না।বুঝতেই পারি না - কোন জন্মে পিরামিড যৌনতা।।
দেখছি - সমাজগত রুপ - ট্রামলাইন উপড়ে পড়ছে ভুল অসমীকরণে।।
মেলানোর চেস্টা - হয় না।
একটা পর্ন প্রোডাক্ট দেখেও বীর্যপাত হয় না।
আমি কি তবে মানুষ মুখোশে অন্য কোনো জানোয়ার?সমুদ্রজাত ঝড়কেও কেন সকালের প্রশ্নহীন প্রাতঃকৃত্য সন্দেহ করি????




মেলানকলিয়ায় আত্মসমালোচনা হুঁশিয়ার - পদকপ্রাপ্তির খেলায় শেষতম স্টেশনমাস্টার হলেও চলবে।
সুযোগসন্ধানী অপেক্ষায় থাকা ভাঙ্গা আয়নার কাঁচ মৃত শহরের রক্তে মিশে গেলে - কখনোই কীটনাশক প্রয়োগে মৃত্যু বলা যায় না।
বিরতিপ্রকল্পে নিঃসঙ্গতা - হাঁটু ভাঁজ করা প্রার্থনায় কার কাছে ঋনশোধের দায় সঙ্কুচিত?
- এভাবেই কবিত্ববাদ নীরবে চিমটি কাটে।বুঝতে পারি সবাই বেঁচে আছি।।