অপেক্ষার ভেতর একটা পাথুরে ঋতু পড়ে যাচ্ছে

নীলাব্জ চক্রবর্তী






কম্যুনিকেশন নিয়ে ভাবতে ভাবতে
যুক্তাক্ষর বসাচ্ছি
সকালের গায়ে জানলা বসাচ্ছি একটা
উঁচুনিচু
হরফ দিয়ে তৈরী গ্রেটিং
ফুটো ফুটো
ঢালু
প্রেমে
একটা ফেনা ফেনা চ্যাপ্টা বছর পড়ছে
শীত একটা চিহ্ন পড়ছে
আর
যৌনতা ভেবে রেখে আসছে আঙুলের বানানো গান
এভাবে অপেক্ষার ভেতর
একটা পাথুরে ঋতু পড়ে যাচ্ছে
জিরো আওয়ার পড়ে যাচ্ছে...



একটা ইন্টারনাল উঁচু দেওয়ালে লাল রঙ করা হচ্ছে... প্রচুর সূর্যালোক... বড়ো বড়ো জানলা... ঘরের বাকি দেওয়ালগুলি সাদা... কোনও আসবাব নেই... কাকে যে দৃশ্য বলি... সারাগায়ে গুঁড়ো হরফ মেখে মেয়েটি বসে আছে... লিখে ফেলা যেত... এখন আমার কোনও অপেক্ষা নেই... অথচ... প্ল্যাটফর্ম শব্দটা ভারী হয়ে ওঠে... নির্ণায়ক হয়ে ওঠে এইসব তুচ্ছ লেখালেখির ভেতর... যে কবিতাগুলি আউট অব ফোকাস হয়ে গেলো... বিভ্রান্ত দুপুরভর্তি শুধু পালক... শহরতলীর ট্যাক্সিগুলো কাঁচের একটা দিন ছুঁড়ে দিলো... চোখের পাশেপাশেই একটা ধীর ক্যামেরা... নিজেই পোজ দিচ্ছে... জানতে চাইছে... অপেক্ষার রঙ আসলে কেমন... ধানক্ষেতের ওপর দিয়ে প্লেন চলে যাওয়ার দৃশ্য ভেঙে ফেলা হোলো তারপর...



শরীর থেকে দূরে
গোটা সিস্টেমের ভরকেন্দ্র থেকে দূরে
তৈরী হওয়া
একটা আনব্যালান্সড মোমেন্ট
পারদ খুলে ফেলতে চাইছে
কাঁপছে
কমফর্ট জোন
একটা ফাঁদ আসলে
কমলারঙের খুলে রাখা স্নায়ু
রিওয়াইণ্ড করা...



দুটো মুখোশ মুখোমুখি বসছে... ফাটল থেকে শুরু হচ্ছে একটা ডায়াগোনাল ফ্রেম... ধাতু এক অভ্যাস... স্মৃতির ঘন একটা ফিল্ম... এখন অপেক্ষাকে একটা শিরোনাম দাও... একটা গ্যালারি দাও... দেখো... শহর জুড়ে পোস্টার পড়ছে নতুন সেমিনারের... “হোয়াট মেকস কনজ্যুমারস বাই”... এই রঙ একটা ব্যবহার পেয়েছে আসলে... তার ভারসাম্যটুকু থেকে বের হয়ে আসছে একটা তিনকোনা ঘড়ির ছায়া... নোনতা টেবিল... স্যুইচ করছে... রাস্তার দুপাশেই বড়ো বড়ো আয়না... রেখে দেওয়া ভাষা... অপেক্ষা করছে কোথাও...