কবিতালিপির কথা

বারীন ঘোষাল

সমস্ত শিল্পরূপের মধ্যে আমার সবচেয়ে ভালো লাগে কবিতা। কবিতা লিখতেও ভা্লো লাগে, পড়তেও। বাংলায় আবার অনেক কবি। বড় বড় শহরে কবিতা লেখা হয়, আসামের প্রত্যন্ত গ্রামেও লেখা হয়। বাঙালি হলেই হলো। চোদ্দ বছরের কিশোরও লেখে, একাশি বছরের বৃদ্ধও। বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লেখে, চা-দোকানের কর্মীও। মডেল মেয়ে বা ঘরের গৃহিনী যে কেউ। ফেসবুকে রোজ কতশত। যেটা আমার ভালো লাগে, সেটা সবাই পারে। এই একটা শিল্পকান্ডেরই কোনো স্কুল নেই। পড়াশোনা করতে হয় না, মানে, না জানলেও চলে। এককভাবে বা দলবদ্ধভাবে পত্রিকা প্রকাশ করতে পারলে তো আরো ভালো। এখন আন্তর্জালে বিনে পয়সায় কবিতাজালের ছড়াছড়ি। কে যে পড়ে, তাকে দেখাই যায় না। আদৌ কেউ পড়ে কি? তাই পছন্দের মানুষকে ট্যাগ করতে হয়। তাতে অনেকে বিরক্তও হন। এ তো আর ফুল নয় যে ফোটাকেই প্রকাশ বলা যাবে! কবিতা কোনো পাঠকের মনেই প্রকাশিত হয়। তার আগে নয়। ফলে বেশির ভাগ কবিতাই অপ্রকাশিত থেকে যায়। সেগুলো নিজেকেই পড়তে হয়। নিজের কবিতা পড়তে পড়তে যে বিরক্ত হয়, সে লেখা ছেড়ে দেয়। যে মুগ্ধ হয়, সে চালিয়ে যায়। তবে বহু মানুষ কবিতা লেখে বলেই কয়েকজন বড় কবি পাবার সম্ভাবনা তৈরি হতে থাকে। সব কবিতাই সবার ভালো লাগে না, তবে সব কবিতাই কারো কারো ভালোও লাগে। কবি যদি তার পছন্দসই এক আধজন ভালো লাগার পাঠক পেয়ে যায়, তবে তো পোয়া বারো। কবিরা কবিদের মাংস খায় না, ফলে অন্য কবিদের বিরূপ সমালোচনা সাধারণত কেউ করে না। এই নিয়ে কোনো প্রশ্ন উঠুক যারা চান না, তারা নিচের বাকি অংশটা আর পড়বেন না। পড়ে ফেললেও ক্ষমা-ঘেন্না করে দেবেন আশা রাখি।

আমি কোনো কিছুকেই প্রশ্নাতীত মনে করি না, ফলে নিজেকেই ছুঁড়ি প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় প্রশ্নগুলো। কবিতা রচনা মানে কী? এই যে রবীন্দ্রনাথের জীবনানন্দের কাব্যপ্রতিমা, বাকপ্রতিমা ইত্যাদি বলা হয়, সেই প্রতিমাটি কীরকম? গান শুনে কেন বলতে পারি, এটা রবীন্দ্রসঙ্গীত বা ঝুমুর গান, বা কবিতা শুনে – এটা জীবনানন্দের কবিতা? এই বিশিষ্টতা কী? কেন? কবিতার স্কুল না থাকলেও অনেকেই ব্যাপারটা টের পায়, পড়াশোনা করে, বাংলা কবিতার হাজার বছরের ইতিহাস, অনেকে বিশ্ব কবিতার ইতিহাসও পাঠ করেছে নিশ্চিত। প্রশ্ন না জাগলে এসব হয় না। এসব করলেই যে ভালো কবিতা লেখা যাবে, তাও না। আসলে কবিতাই হয়। কবিতার ভালো-মন্দ হয় না। হয় কবিতা হলো, নয়তো হলো না। এই দু-অবস্থা কীরকম, সেটাও একটা প্রশ্ন। এতদিন যেরকম কেটেছে সেরকমই চলতে থাকবে, না কি নতুন কিছু হবে? এসব প্রশ্ন আসতেই থাকবে। আমরা কাব্যপ্রতিমায় ফিরে যাই। আমি শুধু প্রশ্ন ওঠাতে থাকব, পাঠক, উত্তর তোমাকেই খুঁজতে হবে।

কাব্যপ্রতিমা শব্দটায় আমরা একটা মূর্তি বা আইডল্‌-এর আভাস পাচ্ছি। এটা ভাবা বোধ হয় ঠিক হবে না যে, রবীন্দ্রনাথ একটাই প্রতিমা জানা অজানা কোণ থেকে দেখে শুনে বুঝে ছ-হাজার-বার লিখে গেছেন। তাঁর প্রতিটি কবিতাই এক একটা প্রতিমা, কাব্যপ্রতিমা -- তা কি ভাস্করের গড়া মূর্তি, না কি চিত্রকরের হাতে আঁকা, অথবা ক্যামেরার মতো ছবি তোলা? দুই মাত্রার না তিন মাত্রার? লিখলেন আর ছাপলেন তো দু’মাত্রার ফ্ল্যাট কাগজে। তাহলে দুই মাত্রার? না কি চিত্রশিল্পীর মতোই ফ্ল্যাট ক্যানভাসে এঁকে তিনমাত্রার ইম্প্রেশন দিয়েছেন? তাঁর সময়ে কবিতা রচনার কথাই বলা হতো, প্রাচীনকাল থেকেই। কবিতা শব্দটা মাত্র দেড়শো বছর পুরনো। তার আগে পদ্য বলা হতো। প্রাচীনকালে শ্লোক। ইংরিজিতে ভার্স। রাজা সমাজ বিজ্ঞান উপদেশ পুরাণ ধর্মকথা সবই গল্পচ্ছলে ঐ শ্লোক বা পদ্যে। বিষয়ের মূর্তিটি স্বরূপটি ফুটিয়ে তোলা হতো, রচনা করা হতো। হাজার হাজার বছর ধরে ভাষা পরিবর্তিত হলো। বাংলা গদ্যরূপ ভেসে উঠল দুশো বছরও হয়নি। ধীরে ধীরে বাংলা গদ্য গল্পগুলোকে টেনে নিলো। গল্পবিদায়ের পরে পদ্যকে কবিতা আখ্যা দেওয়া হয়। একদিনে হয়নি। এখনো কবিরা সংবাদ, বিষয় ও গল্পকে পদ্য থেকে সম্পূর্ণ বিসর্জন দিয়ে উঠতে পারেনি। কথা ও কাহিনীকে কবিতা বলার প্রবণতাই সাধারণ।

আমরা আবার কবিতার প্রতিমা বা অবয়বে ফিরে যাচ্ছি। গল্প বা বিষয়টি যদি বাদও গিয়ে থাকে, তার পরেও থেকে যায় বিষয়ের একটা আবেগ, কিছু বলতে চাওয়া, এক বা বহু অনুভূতিকে প্রকাশের চাপ। এছাড়া চাই একটা রূপজ্ঞান, প্রাকচিন্তা, কাঠামো, ফর্ম, অলঙ্কার, ব্যাকরণ, ব্যাঞ্জনা, সঙ্গীতপ্রভা, রূপটান, বর্ণভাগ এবং সব মিলিয়ে রচনায় এক শ্রেষ্ঠ ডিজাইন। এবার শব্দ ও অক্ষর, ধ্বনি ও মাত্রা, অর্থ ও মূল্য, আবেগ ও মূর্ছনা, গতি ও অগতি, যুক্তি ও দর্শন সমন্বিত কবিতাটি রচিত হলো যা কবির অভিপ্রায়ের কাছাকাছি। কবি দ্বিতীয় বা অনেকবার পরিশীলন করে একটা ফাইনাল শেপ দিল। পাঠক কী করল? পাঠক প্রথম শব্দ থেকে শেষ পর্যন্ত মানে ধরে ধরে বুঝতে বুঝতে কবিতাটির অর্থ ও প্রতিমাটি উদ্ধার করল। চিত্রশিল্পের মতো এক দর্শনে পূর্ণরূপ টের পায় না পাঠক। শব্দার্থ ও শব্দযুক্তি লাইন দিয়ে পাঠকের মাথায় ঢুকে মনে যখন বসল, পাঠক মাথা দ্যাখে তো পা নেই, নাক দ্যাখে তো কোমর নেই, পুরোটা একবারে দেখতেই পায় না পাঠক। অ্যাপ্রিসিয়েট করবে কী করে, আর অ্যাপ্রিসিয়েট না করলে তো রবীন্দ্রনাথ কবিগুরু হন না। সমস্যাটা থেকে গেল। পাঠক টুকরো টুকরো অংশে মন দিল। ওই টুকরোগুলো জুড়েই রবীন্দ্রনাথ মহাকবি। ফলে রবীন্দ্রনাথকে টুকরোগুলোতে বিশেষ মনযোগ দিতে হলো। তাঁর কবিতার প্রতি অংশের প্রোজেইক এভাবেই তৈরি হয়েছে। তাই কাব্যপ্রতিমা না বলে কবিতা-কণিকা বলাই সমীচিন।

এইবার একটা ভীষণ প্রশ্ন তোলা যাক। ভাষার মূলে যে শব্দ, তার মানে আছে নাকি? সাধারণ অভ্যাসে – আছেই তো – এমত বিশ্বাস। অভিধান হাতের কাছেই আছে। কিন্তু ভাষাবিজ্ঞানীরা তা বলেন না। তাঁরা বলেন, শব্দের উৎসে যে সচল অর্থ ছিল (সংস্কৃত থেকে বাংলায়, যেমন বঙ্গীয় শব্দকোষে; সংস্কৃত ছিল এলিটদের জন্য তৈরি একটা কৃত্রিম ভাষা যা সর্বসাধারণের জন্য নয়। মৌলিক বাংলাভাষা অসংস্কৃত à সংস্কৃত à অসংস্কৃত এই চক্র পেরিয়ে উপজাত হাজার বছরে। হাজার বছর আগেকার বাংলাভাষা থেকে আজকের রূপে আমূল পরিবর্তনের খানিকটা দায় রবীন্দ্রনাথেরও।) তা আজ, ইংরাজির আধিপত্যে জড় ও প্রতীকি শব্দে বস্তু ভাব বা ক্রিয়ার পরিচয় দেয়। কী পুবে কী পশ্চিমে, একই ঘটনা বহুকাল ধরে। মানবজাতির নিয়তিই যেন এই ছিল। তাহলে কবিরা কি ভাষাবিজ্ঞানীর কথায় আমল দেবে না? শব্দকে বস্তুর প্রতীক ভাববে, না কি শব্দের একমুখি অর্থকে ধার্য করবে? শব্দের অর্থই যদি স্থির না করা যায় তাহলে শব্দার্থের পরম্পরাগত যুক্তি এবং সিড়িভাঙা গভীর মর্মার্থ সম্পন্ন বিষয় বা গল্পটিকে কবিতায় রূপান্তরিত করবে কী করে? আমরা শুনেছি কবিতার ইতিহাস ভাষার ইতিহাস। কথাটার মানে কী? ভাষা কতটা গুরুত্বপূর্ণ? কবির আবেগ, কবির বিষয়, কবির রূপটানের চেয়ে ভাষা মহার্ঘ হয় কীভাবে! এবং যে ভাষায় শব্দ হলো প্রতীক, যা আমরা বিশ্বাস করি না। আমরা কি তাহলে পুনরায় চর্যাপদ লিখতে শুরু করব, না কি যা চলছে তাই চালিয়ে যাব? ফেসবুকের নমুনা দেখেই বোঝা যায়, জনকবিতার বাজারের হাল। আমার সন্দেহ কাটে না যে!


আরো একটা প্রশ্ন উঠল মনে। ধরো, কবি ভাবলো যা দেখছে সোজাসুজি তাই লিখবে কবিতায়। শব্দ ফব্দ গুলি মারো। যেমন মনে আসে লিখবে। সংবাদপত্রের মতো, দর্পণের মতো লিখল। এবার প্রশ্ন হলো, সে যা লিখেছে তাই দেখেছিল কি? চোখ তো একটা পিনহোল ক্যামেরা। দৃশ্যটি ভার্টিকালি উল্টে যায় রেটিনায়। যে কোনো দৃশ্য থেকে আলো প্রথমে বাতাসের কেঅটিক স্তরের মধ্য দিয়ে এঁকে বেঁকে আসবে, চোখের প্রথম দুটো স্তরে আবারো প্রতিসরিত হবে, মণির ফুটোতে উল্টে যাবে, তারপর তিনটে ভিন্ন ঘনত্বের স্তর ভেদ করে রেটিনায় পড়বে, তারপর স্নায়ুশিকলে টক্কর খেতে খেতে বাহিত হয়ে মগজকে জানাবে, তারপর মগজ মণির ফোকাস অ্যাডজাস্ট করে বলবে – দেখলাম। দৃশ্যটি কি এখনও একইরকম আছে? এরপর কবি যা লিখল, তাই দেখেছে তো? দৃশ্যটি ধরো দশজনে একই স্থানে ও সময়ে দেখল। তারা কি একই দেখেছে? হয়তো এই দৃশ্যটির কথা ভেবে একবছর পরে অন্যত্র বসে লিখল কবিতা। তখনো কি ছবিটা অবিকল আগের মতো? মনে হয় না। হতে পারে না। কবি অ্যাবস্ট্রাকশন করবে। এই অ্যাবস্ট্রাকশন কী? তা হলো, ঐ ঘটনা বা দৃশ্যের নানারকম সম্ভাবনার মধ্য থেকে উত্তম একটি বেছে নেওয়া, যা ঐ কংক্রিট দৃশ্য থেকে আলাদা। তাই অদীক্ষিত পাঠকের সেটা অচেনা লাগে। ভালো লাগে না, কারণ তার বোঝার ক্ষমতা থাকলেও কবিতার বোধশক্তির অভাবে ডিকোড করতে পারে না পাঠক। শব্দসম্পর্ক বা রেফারেন্স অধরা থেকে যায়। প্রতিমার কোনো আভাস পায় না সে।

তাহলে কবিতার অবয়বটি কী দাঁড়াচ্ছে? হয় তা একটা গল্পগাছা, অথবা শব্দার্থদ্বারা উপলব্ধ একটি নির্দিষ্ট প্রতিমা, যার বহুতর সম্ভাবনা নেই, মুক্তি নেই এগিয়ে চলার, নেই কোনো স্পন্দন। কবিতাটি কবির। রবীন্দ্রনাথ বলুন বা জীবনানন্দ, কবিতা এখানে সীমাবদ্ধ। তা পাঠকের মনে কোনো বীজরোপন করে না। কবি আর পাঠক আলাদা হয়ে গেল। যেন পাঠক নিতান্তই এক কনজিউমার, তার জন্য কোনো কবিতা নেই, পাঠক কবি নয়। বাংলার জল বায়ু মাটি তাকে কবিতার অধিকার দেয়নি। তা তো নয়। আমি মনে করি এরকম ভাবলেই আমরা পাঠক হারাব। পাঠক কবি নয়, সে কবিতার কী জানে, এই তাচ্ছিল্য সে টের পায়। তাই বিরক্ত পাঠক পিঠটান দিয়েছে এবং কবিদের হা-হুতাশ -- বাংলা কবিতার পাঠক কমে যাচ্ছে -- তা এই কারণেই। পাঠক সংখ্যা বাড়াবার জন্য আন্তর্জাল একটি উত্তম মাধ্যম মনে করে কেউ কেউ।

যেমন একজন অকবিও কবিতা লিখে থাকে, তেমনিই একজন কবি কবিতা নাও লিখতে পারে -- এভাবে ভাবা যাক না কেন? যে মানুষ উপভোগ করে ভ্রমণ, সংসার, স্থির বা চঞ্চল দৃশ্য, দর্শন, শিল্প, ভাবনা চিন্তা, যেখানে-সেখানে প্রকৃতির মধ্যে, মানুষের ব্যবহারে, বিশ্বসঙ্গীতের দিকে কান চোখ মেলে ক্ষণকাল দাঁড়ায়, সে তো কবিই, কবিতা না হয় না-ই লিখল সে! যারা কবিতা লেখে তারা অন্যের লেখা কবিতা কতদূর সহ্য করবে! তাদের তো আছে নিজের কবিতা। তাই যারা কবিতা লেখে না তাদের কথাও ভাবতে হবে বৈকি। কবি যদি পাঠকের সুপ্ত কবিতা-ভাবনাটিকে নাড়া দিতে পারে তাহলে কেমন হয়? কবি যদি পাঠকের অনুভূত কবিতাটিকে পরিচালনা করতে পারে তাহলে কেমন হয়? কংক্রিট কবিতাপ্রতিমাটি জরুরি, না কি একটি নিরাকার কবিতাভাবনা জারিত করা অধিক গুরুত্বপূর্ণ?

আরো দ্যাখো, এক পাতা বা দশ পাতার লেখা শব্দগুচ্ছ কি সত্যিই কবিতা, না কি তা কবিতালিপি? এই ‘কবিতালিপি’ শব্দটা আমার বানানো। গান কি লেখা যায়? হ্যাঁ, যায়। গাওয়া যায়? না। সেজন্য একটি স্বরলিপি লাগে। সুরটি মুখস্থ হলে প’ড়েও গান গাওয়া যায়। গান লিখে, তাতে সুর দিয়ে নিজেই গেয়েছে সেরকম আর কজন? যা শুনি সবই তো প্রায় অন্যের গান। কবিতাও সেরকম। কবি যদি মনে ক’রে আদতেই কবিতালিপি লেখে, তবে পাঠক সেটি পড়তে পড়তে তার নিজের কবিতা পেয়ে যায়। বিভিন্ন পাঠক বিভিন্ন কবিতা পেতে পারে। তা কবির অভিপ্রেত শব্দসজ্জায় বহু রৈখিকতার সম্ভাবনা থেকে জাত। শুধুমাত্র নিজের কবিতার প্রকাশে থেমে না থেকে কবি পাঠকের মনেও সেটি উন্মেষের নিয়ন্ত্রণে সক্ষম হতে পারে।

এবার দ্যাখো। শব্দ যদি প্রতীক হয়, দৃশ্য যদি বিমূর্ত হয়, ভাষায় যদি বিকল্পের সন্ধান থাকে, কাব্যপ্রতিমা যদি সত্যিই না থাকে, পাঠক যদি তারই কবিতা দাবী করে, তাহলে কবির কি এটাই উচিত হবে না, সে পাঠকের কবিতাটিকে ট্রিগার করার সমস্ত সরঞ্জাম দিয়ে তার কবিতালিপিটি নির্মাণ করবে? হে কবি, তোমার কবিতা রচনা বা নির্মাণ নিয়ে ভাবো এবার। একেই বলে পাঠকের কমুনিকেশন।

আমি তো কবিতার ভিলেন। তোমাদের কবিতা-ভাবনাকে নিয়ে একটু ভিলেনি করলাম আর কী!
ঋণঃ কালিমাটি পত্রিকা