শীত আর শীৎকার জড়ানো রুক্ষু ক্ষত কিছু ছবি!

সুদীপ বিশ্বাস



কখনো দেখিনি কাউকে রূপকথার বাইরে, 'র' কবিতাকে ঢেলে নিতে পান পাত্রে। রাতের শিং গজানোর আগে শিম শিম খুলে গেল গো ল। গেলাসে
গলার শীত কারক শীৎকারে উটকো কৌ হ লিক,লিকার! উল্লাস! উল্লাস!
কো থায়? থায়ামিন আপ নি। কবি। আব্বুলিশ খেলছে নতুন কাম রা।কামরা। থেঁতলেছে তন্তুনাভ। গো ল যেন শূন্য, ভেতর থেকেই থট, ট ত তট উপগম।
কাকে পড়া ই নতুন কবিতা। বারীন দা? কে দেবে প্রশ্রয়! কার বলিষ্ঠ হাত কাঁধেচাপা, আমার আশ্রয়। নাতিশীতোষ্ণমণ্ডল। জলছুপ মাঠেঘাটে প্রহত উর্দি ছেড়ে কাপ্তেন কোথায়? মেলার মাঠে বা রাজপথে কার কাছে মিলবে আশ্রয়? হুর্রররররর করবে কেউ! ভেতর থেকে ঠেলে গরাচ্ছে গরল। তরল। আলেয়ারআলো। দূর থেকে সবাই দেখছে, স বা ই। সবাই।