বারীনের বনে

কৌশিক চক্রবর্তী


বারীনের বনে / ১

রাশি রাশি চুপকথা। পারাপার করে ক্লান্ত। হেমন্তের গান।
ঘুম পাওয়ার গোরস্থানে সেতু পেরোয় মনখারাপের ঋতু।

এই যে দরজা।
এই যে চাঁদ ও মায়াজাল।
এই যে পিতৃমুখ।
জলের ভেতর বুদ্‌বুদ। নামহীন অন্ধকার করিডোরে কাঁপায় হাত পা নখ।
হাসিঠাট্টার দিন নয়। রেখাচিত্রের কাছে শুধু তার আবছায়া... ধোঁয়া ধোঁয়া মুখ।

শরীরে বৃষ্টির দাগ। ফসল জন্মের গন্ধ। জেগে উঠছে কেবল বহুদূর এক ঘরবাড়ি থেকে ক্রমাগত হাত নাড়ার শব্দ।

ফাঁকা এক সোঁদা অন্ধকারে
অপেক্ষায় কেটে যাচ্ছে হারাতে হারাতে একা
আধখানা হাসি

তুমি কি চিনেছ এই যাওয়ার পথ? যে রাস্তায় ফিরে আসা আছে...




বারীনের বনে / ২

একটা মুখের ভেতর দিয়ে সরে গেল অনেকগুলো বৃষ্টি উৎসবের স্তূপ
পাহাড় ডিঙোচ্ছে তার নির্বাসনে লেখা আত্মকথনের নাম

এইখানে ঘুমের স্মৃতিকথা
ভুল করে.

ধরা যাক এই সেতুটির নাম নীল
ধরা যাক তার সোয়েটার লাল
এখনও আদরে চোবানো
ধরা যাক তার হারিয়ে যাওয়াটুকুই
একমাত্র জন্মকাহিনি

চৌরাস্তায় গানগুলোয় আতর লেগেছে। অনেকদিনের জল দাঁড়ালো অক্ষরমালায়।
যাওয়া লিখে রাখছে সরু সরু মেধাবী ছুটির দিন
তাদের উপহার আলগোছে দু-হাতে পরেছি

রাস্তাদের জ্বর। আমরা মানচিত্রদের বিষণ্ণতা লিখে নিলাম ...
চন্দ্রালোক ছাড়াই, দ্যাখো তোমার সবকটা গান
অনেক অনেক হয়ে
আজ কেমন আকাশে বাজছে