বারীনদা

অনিমেষ সিংহ।।




বারীনদা
কাঁকড়া পুরুষ,মমির ভেতর তুতেনখামেন
আমাজন নীল,ফসফরাসের তুবড়ি, বিশলক্ষ
ফলোয়ারস্
-বারীনদার নেই। সিরাজদৌল্লা নন, নিদেনপক্ষে হরিদাস পাল!
ভ্রূর নীচে কাটা দাগ থাকলে আই.মার্ক দিতাম
ফর্মফিলাপের সময়।শিল্পীভাতা নেই,
হরি হে মাধব!ঘোষাল, বশ নন।
আমি দেখি,
যতোটা দেখি,
মেয়েটিকে শালপাতার পোষাক
মোরামের বাজুবন্ধ্ দিয়ে বলেছিল লোকটা,
তুই শালগাছ হয়ে যা।
শব্দকে বলেছিল নুড়ির ভেতর ঢোক না!
তামার ভিতরে চল হুড়মুড়িয়ে ঢুকে পড়ি,
চমকে দিয়ে নিউট্রনকে বলি,
সারপ্রাইজ সোনা।

আগুনে পুড়িয়ে দিলে যারা বারীণঘোষাল,
তারা দেখে নিতে পারতে,
-পাখিরা পাখির ভিতর,
ধাতুরা ধাতুর ভিতর
বিন্দু হয়েছে কিনা!
পাসওয়ার্ড জানা ছিল,
আমরা সবাই জানি,ভালোপাহাড়।

নিশ্চিন্ত আমি,
মাটিতে বারীণঘোষাল,
খুঁজে পেয়েছেন মাটি।


ভালোপাহাড়ের ডাক
দূরের কোনো দ্বীপ নেই, তবু
যেতে গেলে ভেঙে যায় ছক।
কেন?
আমি জাহাজের দিকে প্রেম চোখ রাখি।
আমি অনেকটা তপস্বী সমুদ্রের।

মরমি নাবিকের কেউ নই।

বন্দর ছেড়ে গেলে কাঠ, একা বসে থাকি নির্বিবাদ।

দূরের দ্বীপ নই কেউ তুমি আমি।

আমাদের পাপবোধ সুদীর্ঘ নয়।
আমাদের প্রেম অলক্ষ আলাপচারীতার।
আমাদের নামে কোনো বিচারক কলম ভাঙেনি।
যদিও।আমি শব্দ ছুঁড়েছি দেয়ালে।
বারবার।

তাই বন্ধ দরজা খুলে যাব রোজ।অপরাধবোধ বেড়ে যাবে প্রেমহীন এমন শীতকালে।
হৃদয়ে সন্ত্রাসী বাজ বসে আছে।

পাখিটা ওড়ানো জরুরী।

নিকটবর্তী দ্বীপে তুমি।তোমার কাছে,
আকাশের মৌরসীপাট্টা আছে।



(বারীণদা,স্নেহ করতেন,সাথে নিতে চাইতেন,সাহত দিয়েছেন বারবার।ভালোপাহাড়ে ডেকেছেন আমাকে।যেতে পারিনি।স্বপনদার সাথে কয়েকহাত দূরে গিয়ে দেখা করতে পারিনি, বারীণদাই বলেছিলেন প্রথম স্বপনদার কথা,তাঁর সাথে দেখা করে যেন আমি ভালোপাহাড়ে আসি।
তবুও যাইনি।আমার জড়তা।আমার পত্রিকার জন্য কবিতা পাঠিয়েছেন।।।সবই ঠিক ছিলো,কেবল সময়ের আগে বটগাছটা পড়ে গেল।সেই মধুর হাসি মুখ,সরল চোখ দুটো, বাড়ি ফিরে গেল বড়ো তাড়াতাড়ি।)